এবার ঈদে সরকারের ‘মানবিক সহায়তা’ পাচ্ছে ১ কোটি পরিবার

এবার ঈদে সরকারের ‘মানবিক সহায়তা’ পাচ্ছে ১ কোটি পরিবার

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২০ । আপডেট: ১৮:৫০

এবার কোরবানির ঈদে সরকারের পক্ষ থেকে একটি পরিবারকে দেওয়া হবে ১০ কেজি করে চাল। মোট ১ কোটি ৬ লাখ পরিবার এই সহায়তা পাবে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ওই চাল ছাড় করা হয়েছে। সরকারের ‘মানবিক সহায়তা’ হিসেবে এই চাল বিতরণও করা শুরু হয়েছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, করোনাকালীন সময়ে গত ঈদুল ফিতরে সারাদেশে দরিদ্র পরিবারগুলোকে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে দিয়েছিল সরকার। ওই সহায়তা পেয়েছিল দেশের ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার। কোরবানি উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে এক কোটি ৬ লাখ পরিবারকে ১০ কেজি হারে চাল বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে সরকারের প্রয়োজন হবে ১ লাখ ৬ হাজার মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যে সেই চাল খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকার জন্য ছাড় করা হয়েছে।

কোরবানির আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ও দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করে তাদের হাতে সরকারের এই সহায়তা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য সকল প্রকার (বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ত্রাণসহ) সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান মোহম্মদ শাহীন জানিয়েছেন, বরাদ্দ পেয়েছি। অন্যান্য সহায়তার সঙ্গে কোরবানি উপলক্ষে দেওয়া সহায়তা বাবদ চালও দিচ্ছি। অন্যান্য কর্মসূচির আওতায় সরকারের দেওয়া সহায়তায় নগদ অর্থের সঙ্গে চালও দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চাল সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে হলেও মনিটর করবে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারের ত্রাণ সহায়তার বাইরে অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে দেশের ১ কোটি ৬ লাখ পরিবারের প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য সকল সহায়তাও অব্যাহত থাকবে। তথ্য সহায়তা বাংলাট্রিবিউন। ফাইল ছবি

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading