জ্বর নিয়ে আইসিইউতে কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২০ । আপডেট: ১৫:১১
গুরুতর অসুস্থ দেশের খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। প্রচন্ড জ্বর নিয়ে তিনি রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সিএমএইচে ভর্তি হন ফেরদৌস ওয়াহিদ। পরদিন খবরটি ফেসবুকে শেয়ার করেন আরেক কণ্ঠশিল্পী ফকির আলমগীর। তিনি ফেরদৌস ওয়াহিদের দীর্ঘদিনের বন্ধু।
ফকির আলমগীর লেখেন, ‘পপ গানের কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী, আমার বন্ধু, চিরসবুজ তারুণ্যের প্রতীক ফেরদৌস ওয়াহিদ অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে ভর্তি আছেন। তার একান্ত সহকারীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। প্রথম টেস্টে ফেরদৌসের করোনার রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে। আরেকটি টেস্টের রেজাল্ট পাওয়ার অপেক্ষায়। সতীর্থ শিল্পী, ভক্ত-অনুরাগী, শুভাকাক্সক্ষী এবং দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাইছি।’
জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। প্রথম করোনা টেস্টে তার রেজাল্ট নেগেটিভ আসলেও জ্বর কমছে না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার আরও একটি করোনা টেস্ট করানো হয়েছে। সেটির রেজাল্ট এখনো আসেনি। ফেরদৌস ওয়াহিদকে হাসপাতালে নেয়াসহ সব ধরনের দেখভাল করছেন তার ছেলে হাবিব ওয়াহিদ। বাবাকে নিয়ে এখন তিনি ভীষণ ব্যস্ত।
সর্বশেষ, কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন তার ছেলে গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক হাবিব ওয়াহিদ। তার ৬৭ বছর বয়সী বাবা কয়েক বছর ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছেন বলেও জানান তিনি।
৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গানের জগতে রয়েছেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। এছাড়া তিনি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কাজ করেছেন পরিচালক হিসেবে। তার কণ্ঠের গানগুলোর মধ্যে ‘এমন একটা মা দে না’, ‘ওরে আমার লক্ষ্মী সোনা আঁখি’, ‘আগে যদি জানতাম’, ‘মা মুনিয়া’, ‘আমি এক পাহারাদার’, ‘শোন ওরে ছোট্ট খোকা’, ‘আমি ঘর বাঁধিলাম’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

