মধুপুরে সুইট ফ্লাগ চাষ করে স্বাবলম্বী মহিউদ্দিন
মো: আ: হামিদ । উত্তরদক্ষিণ
মধুপুর (টাঙ্গাইল): বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আপডেট: ১৪:২০
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার হবিবপুর গ্রামের মহিউদ্দিন সুইটফ্লাগ নামক ঔষধি ফসল চাষ করে স্বাবলম্ভী।
জানা যায়, করিরাজ মহিউদ্দিন মৃত নুর হোসেন কবিরাজের ছেলে। আগে থেকেই তার পরিবারের সবাই আর্য়ূবেদ পেশার সাথে জড়িত। তারা বংশগতভাবেই বিভিন্ন গাছ-গাছরা সংগ্রহ করে এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা গাছ-গাছরা ক্রয় করে আর্য়ুবেদ ঔষধ তৈরি করে থাকেন।
সুইট ফ্লাগ বিদেশ থেকে আমদানি করা এই ঔষধি গাছ। ২০১২ সালে কবিরাজ মহিউদ্দিন পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে সুইট ফ্লাগ চারা সংগ্রহ করে চাষাবাদ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ২ একর জমিতে সুইট ফ্লাগ উৎপাদন করছেন।
মহিউদ্দিন জানান, এটি জমিতে বপনের ১ বছরের মধ্যেই ফলন হয় ৩০ মণ। ২ দুই বছর জমিতে রাখলে ফলন হয় ৬০ মণ। বর্তমানে এর বাজার মূল্য প্রতি মণ ৮০০০ টাকা। শুষ্ক মৌসুমে চারা কাটিং এর মাধ্যমে গাছ উৎপন্ন হয়ে থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে সুইট ফ্লাগ সংরক্ষণ করা হয়।
বিগত বছরে তিনি ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) টাকার সুইট ফ্লাগ বিক্রয় করেছেন বলে জানান। গাছটি পানি সহণশীল এবং একি সাথে এ ফসলের জমিতে মাছের চাষও করেছেন তিনি। পানিতে ডুবে গেলেও ফসলের কোন ক্ষতি হয় না। সুইট ফ্লাগ দিয়ে বিভিন্ন প্রসাধনী, ঔষধ তৈরি এবং মাছ ধরার চাড় হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ১০০০ (এক হাজার) টন সুইট ফ্লাগের চাহিদা রয়েছে।
তিনি বলেন, আমি এ সুইট ফ্লাগ চাষাবাদ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। অল্প মূল্যে চারা দিয়ে আমি এলাকার অনেক অসহায় মানুষকে সুইট ফ্লাগ উৎপদনে সহায়তা করেছি। তারাও এখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী।

