মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন: সালমান এফ রহমান

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন: সালমান এফ রহমান

উত্তরদক্ষিণ | রবিবার, ০৪ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৪:১০

“মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাঠামো হাস্যকর। একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ফান্ড; কিন্তু ফান্ডের অবস্থা খারাপ হলে তার কিছু করার নেই। এর কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।” বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

শনিবার (০৩ অক্টোবর) রাতে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২০ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনসের (আইওএসকো) সঙ্গে যৌথভাবে ৫-১১ অক্টোবর দেশে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। কোভিড-১৯-এর কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এবার দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

ওয়েবিনারে ‘মিউচুয়াল ফান্ডকে দেশের পুঁজিবাজারের একটি দুর্বলতা’ হিসেবে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, এর কাঠামোও হাস্যকর। আইএফআইসি ব্যাংকের একটি মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। কিন্তু এর কাঠামো এমনভাবে করা, যেখানে আইএফআইসি ব্যাংকের কিছু করার নেই। অথচ ফান্ডটির পারফরম্যান্স খারাপ হলে ব্যাংকেরও ব্র্যান্ডিং খারাপ হয়। এক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া আমাদের দেশে পুঁজিবাজারের বড় সমস্যা হলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অভাব। এখানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারী অনেক বেশি। অথচ ম্যাচিউরড, ইমার্জিং, ফ্রন্টিয়ার মার্কেটগুলোতে ৮০ শতাংশই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। সেখানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারী নেই তা না। বরং ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্রোকারেজ হাউজের ডিসক্রিশনারি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে। এজন্য আমাদের পুঁজিবাজারকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি মাত্র ১ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করে ওয়ালটন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং বাজার মূলধনের দিক দিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। অথচ আগে আসা কোম্পানিগুলো এর চেয়ে অনেক বেশি শেয়ার ইস্যু করেছে। এখন অন্য যেকোনো কোম্পানিও একইভাবে ১ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজারে আসতে চাইতে পারে। তাই এক্ষেত্রে নীতিগত ধারাবাহিকতা থাকা প্রয়োজন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে বেশকিছু সমস্যা রয়ে গেছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মানসিকতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading