রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বড় দেশগুলোর সমর্থন চায় ঢাকা
উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ০৯:৪৯
দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সম্ভাব্য অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এ সংকটের একটি টেকসই সমাধানের জন্য বড় দেশগুলোর সমর্থন চেয়েছেন।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক (রোহিঙ্গা শিবিরে খুনের ঘটনা)। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে এ অঞ্চলে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান, চীন, ভারত ও কোরিয়ার মতো দেশগুলো যারা মিয়ানমারে বিনিয়োগ করছে, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হওয়ার ফলে যদি পুরো অঞ্চলে অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তাহলে তারা তাদের বিনিয়োগের ফলাফল নাও পেতে পারে।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের আহ্বানে কোনো দেশই দ্বিমত পোষণ করেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেখুন, আপনি মিয়ানমারে বিনিয়োগ করছেন। এটি ভালো। তবে যদি অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তবে সেখান থেকে আপনি প্রত্যাশিত ফলাফল পাবেন না। সুতরাং, আসুন একসাথে কাজ করি (টেকসই সমাধান খুঁজতে)।’
ড. মোমেন বলেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায় বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার রোহিঙ্গা শিবিরের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে চেয়েছিল এবং শিবিরগুলোকে নিরাপদ রাখার প্রয়াসে সেখানে ইন্টারনেটের ফোরজি নেটওয়ার্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে যে শিবিরগুলো থেকে মেয়ে ও শিশু পাচার হচ্ছে এবং পাচারের অংশ হিসেবে পাচারকারীরা উচ্চ-গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে মেয়ে ও শিশুদের ছবি শেয়ার করছে।
ড. মোমেন বলেন, আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো ইন্টারনেট বন্ধের বিরোধিতা করেছে এবং এটিকে তাদের মূল ইস্যু বানিয়েছে।
সম্প্রতি তার কুয়েত সফর সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য প্রথম থেকেই কুয়েত বাংলাদেশকে সমর্থন করে আসছে এবং ‘তারা আমাদের সমর্থন করবে’। -ইউএনবি

