‘উৎস নয়, চীন শুধু চিনিয়েছে ভাইরাস’

‘উৎস নয়, চীন শুধু চিনিয়েছে ভাইরাস’

উত্তরদক্ষিণ | শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৪:২৮

চীনকে নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই বলছেন, ‘চীনা ভাইরাস’। বিশ্ব জুড়ে তিন কোটি করোনা-সংক্রমণ ও লক্ষাধিক মৃত্যুর পিছনে চীনকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (হু) দেওয়া একটি বিবৃতিতে চীন পাল্টা দাবি করল, এটি নতুন ধরনের ভাইরাস। চীন এর উৎস নয়। গত বছর পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়েছিল ভাইরাসটি।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুয়া চুনইং বলেন, ‘‘চীনই প্রথম সংক্রমণের খবর জানিয়েছে। ভাইরাসটিকে চিহ্নিত করেছে। ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স গোটা পৃথিবীকে জানিয়েছে।’’ অর্থাৎ কি না, তারা উৎস নয়, দোষও তাদের নয়, বরং তাদের কাঁধে কৃতিত্বই বর্তায়!

চীন হু-এর উদ্যোগ ‘কোভ্যাক্স’-এ যোগ দিয়েছে। সে খবর দেওয়ার পাশাপাশি এই দাবিটিও তুলেছে, ‘‘উহানের ল্যাব কেন, সেখানকার মাংসের বাজার থেকেও ভাইরাস ছড়ায়নি।’’ যদিও তারা এক সময়ে বলেছিল, মাংসের বাজারই ভাইরাসটির উৎস হতে পারে। সে জন্য দীর্ঘদিন বন্যপ্রাণীর মাংস বিক্রিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল চীনে।

করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার হলে, তা যাতে ধনী-গরিব নির্বিশেষে, সব দেশের কাছে পৌঁছয়, সেই মর্মে একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে হু। নাম রাখা হয়েছে ‘কোভ্যাক্স’। সব দেশকেই এই উদ্যোগে শামিল হতে আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু এত দিন পর্যন্ত কেবলমাত্র ছোট কিংবা গরিব দেশগুলিই যোগ দিয়েছিল। কোনও ধনী দেশ এগিয়ে আসেনি। আমেরিকা ও রাশিয়া বরং তাদের অনিচ্ছার কথা জানিয়ে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বারবারই বলছেন, টিকা আবিষ্কার হলেই ভাইরাস পৃথিবী থেকে মুছে যাবে না। গণটিকাকরণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। গোটা বিশ্বে টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে বছর ঘুরে যাবে। তা ছাড়া, এই বিপুল অর্থেরও প্রয়োজন! এ কথা মাথায় রেখেই ‘কোভ্যাক্স’ তৈরি। চীন কী পরিমাণ অর্থসাহায্য দিতে পারে, তা অবশ্য খোলসা করেনি। হুয়া চুনইং বলেন, ‘‘আশা করি, অন্য শক্তিশালী দেশগুলোও এগিয়ে আসবে।’’

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading