বিপ টেস্টে সর্বোচ্চ স্কোর সাকিবের
উত্তরদক্ষিণ | বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১২:১২
সাকিব আল হাসান এক বছর ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন। নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহূর্তে কেবল কয়েক সপ্তাহের জন্য বিকেএসপিতে ব্যক্তিগত ক্যাম্প করেছিলেন। তাতেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এই অলরাউন্ডার। বুধবার (১১ নভেম্বর) সর্বোচ্চ স্কোর করে ফিটনেস টেস্টে পাস করেছেন সাকিব।
গত দুই দিনে ফিটনেস টেস্টে অংশ গ্রহণ করেছেন প্রায় একশোর বেশি ক্রিকেটার। সেখানে সর্বোচ্চ স্কোর ছিল পেসার মেহেদী হাসানের। তার স্কোর ছিল ১৩.৬। আজ বুধবার মেহেদীকে পেছনে ফেলে সাকিব সর্বোচ্চ ১৩.৭ স্কোর নিয়ে ফিটনেস টেস্টের বৈতরণী পার করলেন।
বিপ টেস্টে সর্বনিম্ন স্কোর করা ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন- নাসির হোসেন, সোহাগ গাজী। বিপ টেস্টে নাসির পেয়েছেন সর্বনিম্ন স্কোর ৮.৫। এছাড়া ‘বুড়ো’ হয়ে যাওয়া ক্রিকেটার আবদুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিস ১১-এর ওপর স্কোর নিয়ে উতরে গেছেন এই টেস্ট।
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ সামনে রেখেই এই ফিটনেস টেস্টকে মানদণ্ড হিসেবে বেছে নিয়েছে বিসিবি। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হলে বিপ টেস্টে পাস করার বিকল্প নেই।
সাকিব দেশে ফিরলেও ফিটনেস টেস্টের জন্য তাকে অপেক্ষায় রাখা হয়। সোমবার তার ফিটনেস টেস্ট দেওয়া কথা ছিল। কিন্তু জাতীয় দলের ফিজিও জুলিয়ান কেলাফতের সঙ্গে বাড়তি কাজ করার সুযোগ দিতেই পরে সাকিবের ফিটনেস টেস্ট পেছানো হয়। এর মাঝে দুইদিন কাজ করার পর বুধবার সকালে ফিটনেস পরীক্ষা দেন সাকিব।
সাকিবের ফিটনেস নিয়ে বিসিবির ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদার বলেছেন, ‘খুব ভালো অবস্থায় আছে সাকিব। এর আগে সাকিবকে আমি এমন স্কোর গড়তে দেখিনি। সাকিব হার্ডওয়ার্ক করে পরিশ্রমের ফল পেয়েছে। এক বছর সাকিব ক্রিকেটের বাইরে ছিল, কিন্তু আমি নিশ্চিত সে ফিটনেসের কাজটা ঠিকমতোই করেছে।’
অন্য ক্রিকেটার ও সাকিবের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাইলে বিসিবির এই ট্রেনার বলেছেন, ‘বড় পার্থক্য হচ্ছে সাকিবতো সাকিবই। আমরা সবাই জানি ও অন্য ধাতুর গড়া। সাকিব-মুশফিকরা অন্য ধাতুর তৈরি। ওদেরকে দেখে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।’

