‘টু ফিংগার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
উত্তরদক্ষিণ | বুধবার, ০৬ জানুয়ারী, ২০২১ | আপডেট: ১০:১২
পাকিস্তানের আদালত এক রিজিওনাল কোর্টে নিষিদ্ধ করা হল তথাকথিত ভার্জিনিটি টেস্ট। অবশেষে পাকিস্তানে মানবাধিকারের এক ঐতিহাসিক জয় হলো।
ধর্ষণের প্রমাণ পেতে ‘টু ফিংগার টেস্ট’ বহু পুরনো প্রথা। বিশ্বের অনেক দেশেই এমন প্রথা চালু আছে, আবার কোথাও কোথাও পরবর্তীকালে বন্ধও করে দেওয়া হয়।
‘টু ফিংগার টেস্ট’ বন্ধের জন্য পাকিস্তানে অনেক মানবাধিকার সংগঠন দাবি জানিয়ে আসছিল। সেই দাবি মেনেই অবশেষে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হল আদালতে।
৪ জানুয়ারি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রভিন্সের এক আদালত ভার্জিনিটি টেস্ট বন্ধের রায় দেয়। এই প্রথম পাকিস্তানের কোনো আদালত এমন যুগান্তকারী রায় দিল। মানবাধিকার কর্মীদের আশা দ্রুত গোটা দেশেই এই আইন বলবৎ হবে।
সম্প্রতি পাকিস্তানে ধর্ষণ আইনে বিপুল পরিবর্তন আনা হয়েছে। ধর্ষকদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
টু ফিঙ্গার টেস্ট এক বহু পুরনো প্রচলিত পরীক্ষা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বহু দিন আগেই জানিয়েছে, এই পরীক্ষার কোনো অর্থ নেই। এই পরীক্ষা থেকে রেপ সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানাও যায় না। বরং এই টেস্টের মাধ্যমে নারীকে অপমানই করা হয়।
তা সত্বেও পাকিস্তানে টু ফিঙ্গার টেস্টের প্রচলন ছিল। লাহোরের কাছে পাঞ্জাব প্রভিন্সে একটি আদালতে মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলার রায়েই আদালত টু ফিঙ্গার টেস্ট বন্ধের রায় দিয়েছে।

