আমি চাই সারাদেশে একটি বিপ্লব ঘটাতে: কাদের মির্জা
উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১৮:৪১
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বসুরহাট বাজারের রুপালি চত্বরে অনুষ্ঠিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচনি প্রচারণার শেষ জনসভায় তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আমি মেয়র হতে চাই। ভোট কারচুপি করে নয়। আমার জন্য কাউকে ভোট চুরি করতে হবে না। আমার জন্য যদি কেউ ভোট কারচুপি করে, তাহলে আল্লাহ যেন আমাকে মৃত্যু দান করেন। আমি চাই সারাদেশে একটি বিপ্লব ঘটাতে।’
আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘নেত্রীর সমর্থন থাকায় নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যেতে পারছি। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ন্যায়নীতির সঙ্গে কাজ করেন। আমার কথা বলার উদ্দেশ্য হলো, নোয়াখালীর অপরাজনীতির আমূল পরিবর্তন আনা। এ অঞ্চলের প্রবীণ রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান বেলায়েত ও অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম এবং ফেনীতে জয়নাল হাজারী ও ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মাধ্যমে আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব।’
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এলাকার নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর গতকাল আসার কথা ছিল। তিনি কেন আসেননি এ নিয়ে আমার সন্দেহ হচ্ছে। তারা যেকোনোভাবে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যতই নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করুক তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’
তিনি এবারের পৌরসভা নির্বাচনকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে। আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন, আমাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের জন্য নোয়াখালীর এমপি, ফেনীর এমপি এক কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। এখানে শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, আমার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেও চক্রান্ত চলছে। আজকে ভোটারদের টাকা দিচ্ছে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে।’
আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি শপথ করেছি, আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব। আমি এক ভোট পেলেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমি বাংলাদেশে প্রমাণ করে দিতে চাই গণতন্ত্র কী। আমি প্রমাণ করে দিতে চাই, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কী। আমি সাহস করে সত্য কথা বলবো। আমি বলতে চাই, এই কোম্পানীগঞ্জের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। এ জন্য প্রশাসনকে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করে যাবো। কেউ নির্বাচন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করবেন না।’
সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

