নদীর সীমানা খুঁটি নিয়ে ফের বিতর্ক

নদীর সীমানা খুঁটি নিয়ে ফের বিতর্ক

উত্তরদক্ষিণ | শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১০:৫৫

ঢাকার চার পাশের নদীতে আদালতের আদেশে সীমানা খুঁটি শুধরে স্থাপনের পর তা নিয়েও উঠেছে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে এবারও সীমানা খুঁটি ‘ভুল’ স্থানে বসানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দাবি করছে, ‘নির্ভুলভাবেই’ তা বসানো হয়েছে।

হাই কোর্টের আদেশে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী দখল ঠেকাতে নদী টাস্কফোর্সের পরামর্শে ২০১১ সালে বিআইডব্লিউটিএ সীমানা খুঁটি স্থাপনের কাজ শুরু করেছিল।

কিন্তু ৬ হাজার ৮৪৩টি সীমানা পিলারের মধ্যে ৪ হাজার ৬৩টি বসানোর পর তার প্রায় এক হাজারটি সঠিক স্থানে না বসলে কাজ স্থগিত রাখা হয়।

এরপর হাই কোর্টের আদেশে জরিপ চালানোর পর বিআইডব্লিউটিএ ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় মোট ১০ হাজার ৮২০টি সীমানা পিলার বসানোর কাজ চালাচ্ছে।

এজন্য ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে এবারও ভুল স্থানে সীমানা খুঁটি বসেছে বলে দাবি করেছে রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (আরডিআরসি) নামে একটি সংস্থা।

সম্প্রতি বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী সরেজমিনে ঘুরে তারা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, প্রায় ৫০ শতাংশ খুঁটি ‘ভুল জায়গায়’ বসানো হয়েছে।

আরডিআরসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ গণমাধ্যমকে বলেন, “৩ হাজার ৮৪টি পিলার জরিপ করে ১৪২৩টি পিলার আমরা একেবারে পানির মধ্যেই পেয়েছি।”

তবে বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) কাজী ওয়াকিল নওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি তো (সীমানা পিলার বসানো) শতভাগ নির্ভুল বলেই মনে করছি।”

এদিকে আরডিআরসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে ‘ভুল’ সীমানা খুঁটি দেখতে পান।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading