বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীর ভিড় সামলাতে চলছে ১৭ ফেরি
উত্তরদক্ষিণ| মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১| আপডেট ১৩:০৮
করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে বিধিনিষেধের মধ্যেও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে গাদাগাদি করে ফেরিতে পদ্মা পার হয়ে ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ। মঙ্গলবার (১৮ মে) মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরিতে ঢাকামুখী হাজার হাজার মানুষ শিমুলিয়া ঘাটে এসে নামছে।
লকডাউনের কারণে দূরপাল্লার ও আন্তঃজেলা বাস বন্ধ থাকায় মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নানা যানবাহনে করে ভেঙে ভেঙে কর্মস্থলে ফিরছেন।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) এজিএম শফিকুল ইসলাম বলেন, মানুষ গাদাগাদি করে ফেরি দিয়ে নদী পার হয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসছেন। এরপর ঢাকায় কর্মস্থলে যাচ্ছেন। এতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকছে।
শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রী ও যানবাহনের তেমন চাপ না থাকলেও বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকাগামী মানুষের চাপ রয়েছে। ঈদযাত্রার সঙ্গে করোনাভাইরাস যেন ছড়িয়ে না পড়ে, সেই জন্য ছুটিতে সবাইকে কর্মস্থলে থাকতে বলেছিল সরকার। কিন্তু ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে মানুষ গ্রামের বাড়ি যায়।
ঘরমুখো মানুষ ছোট ছোট যানবাহনে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরে গেছে। ফেরিতেও ছিল গাদাগাদি ভিড়। স্বাস্থ্যবিধির মানার বালাই ছিল না। ভিড়ের চাপে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরিতে প্রাণহানিও ঘটে। একইভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মানুষ আবার কর্মস্থলে ফিরে আসছে। যাত্রীদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনসহ ঘাট কর্তৃপক্ষকে।
শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। ফেরিতে রোগী ও লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স, পিকআপ, প্রাইভেটকার ও পণ্যবাহী যানবাহনের সঙ্গে শত শত যাত্রী পার হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ফেরিতে বেশ চাপ রয়েছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ফেরিতে যাত্রী বেড়েছে। যাত্রীদের সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

