টি-টোয়েন্টি সিরিজও টাইগারদের
উত্তরদক্ষিণ| রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১| আপডেট ২১:১৫
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের ৫ উইকেট হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিলো সফরকারী বাংলাদেশ। এর ফলে এ সফরে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করল টাইগাররা।
হারারেতে আজ রবিবার (২৫ জুলাই) টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে মাহমুদউল্লাহর দল। বোলারদের ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ে রানের পাহাড় গড়ার পরও ব্যাট হাতে সৌম্য সরকার ও শেষদিকে শামীম হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় টাইগাররা।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ওপেনার ওয়েসলে মাধেভেরের ৫৪, রেগিস চাকাভার ৪৮, তিদওয়ানশে মারুমানির ২৭, ডিওন মায়ার্সের ২৩ ও শেষদিকে রায়ান বার্লের অপরাজিত ৩১ রানে ভর করে ১৯৩ রান তুলেছে দলটি। যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান।
পাহাড়সমান রান তাড়ায় নেমে দলীয় ২০ রানের মাথায় ওপেনার নাঈম শেখ সাজঘরে ফেরেন মাত্র ৩ রান করে। বেশিক্ষণ খেলেতে পারেননি সাকিবও। ১৪ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ২৫ রানের ছোট ক্যামিও খেলে তিনিও সাজঘরের দিকে হাঁটেন। তবে বিদায়ের আগে সৌম্যর সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৩২ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ রান। এরপর মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে লড়াই শুরু সৌম্য সরকারের। শুরুটা ধীরগতির হলেও সময়ের সঙ্গে হাত খুলে খেলতে থাকেন সৌম্য। ৪০ বলে তুলে নেন ফিফটিও।
এরপর দ্রুতগতিতে রান তুলতে গিয়ে লুক জঙওয়ের বলে লং অফে থাকা বদলি খেলোয়াড় মুসাকান্দার হাতে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। তবে বিদায়ের আগে তিনি ৪৯ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় খেলেন ৬৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। রিয়াদের সঙ্গে গড়েন ৩৫ বলে ৬৩ রানের জুটি।
আফিফ ফিরে গেলে শামীম হোসেনকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। দুজনে মিলে ১৭তম ওভারে ১২ রান তোলে ব্যবধান কমিয়ে আনেন দুজনে। শেষ ১৮ বলে দরকার ছিল ২৮ রান। ১৮তম ওভারে রিয়াদ সিঙ্গেল নেওয়ার পর শেষ তিন বলে তিন চার হাঁকান শামীম। ওভারে আসে ১৫ রান। ফলে শেষ দুই ওভারে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩ রান। মুজারাবানির করা ইনিংসের ১৯তম ওভারেও শামীম ঝলকের দেখা মেলে। তরুণ এই ব্যাটসম্যান ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকান। কিন্তু চতুর্থ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ। টাইগার দলপতি ২৮ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করেন।
শেষ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রান। শামীম প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোরে সমতা টানেন। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। শামীম মাত্র ১৫ বলে ৬ চারে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচ ও সিরিজ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন সৌম্য সরকার।

