চাঁদপুর মৎস্য আড়তে আসছে টনে টনে ইলিশ
উত্তরদক্ষিণ| মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১| আপডেট ১৩:১৩
চাঁদপুর জেলা শহরের বড়স্টেশন এলাকায় আড়তে প্রতিদিন টনে টনে ইলিশ আসছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ২৭ জুলাই চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার মানিক বলেন, ঈদের পর থেকেই মাছের আমদানি বাড়ছে। প্রতিদিন প্রায় হাজার মণ ইলিশ আসছে। আস্তে আস্তে আমদানি আরও বাড়বে। এখন যেসব ইলিশ আসছে তার আকার খুব ছোট।
করোনাভাইরাস মহামারী সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপস্থিত ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে জেলা মৎস্য বণিক সমিতি।
“আমরা হ্যান্ড মাইকে সব সময় দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সকলকে সচেতন করছি। এছাড়া কর্মরত শ্রমিকদের সমিতির পক্ষ থেকে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছে।”
মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, বড় বড় ট্রলার ও পিকআপ থেকে নামানো হচ্ছে ইলিশ। এসব ইলিশ দক্ষিণাঞ্চলের ভোলা, দৌলতখান, চরফ্যাশন, হাতিয়াসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মাছঘাটে আনা হচ্ছে ব্যবসায়ীরা জানান।
মাছ বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজির ইলিশের দাম ১০৫০ থেকে ১১০০ টাকা, এক কেজির ওপরের ইলিশের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা, দেড় কেজির ওপরে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা।
তবে লকডাউনের কারণে অনেক ক্রেতা ঘাটে আসতে না পারায় ‘বেচাকেনার অবস্থা ভাল না’ বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ইলিশ কিনতে আসা খোকন কর্মকার নামে এক ব্যক্তি বলেন, “অনেক দিন পর ঘাটে ইলিশের আমদানি বেড়েছে। দাম কিছুটা সহনশীল মনে হচ্ছে। আমদানি বাড়লে দাম আরও কমবে।”
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুর কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, সারা দেশে চাঁদপুর ইলিশের শহর হিসেবেই পরিচিত। ইলিশের সবচেয় বড় ল্যান্ডিং সেন্টার এটাই।
তিনি জানান, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ইলিশের মৌসুম। অতিবৃষ্টিতে পানির গভীরতা ও স্রোত বেড়ে গেলে চাঁদপুরের নদীতে বেশি ইলিশ ধরা পড়বে আশা করা হচ্ছে।

