বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন মামলা
উত্তরদক্ষিণ| বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০২১| আপডেট ১২:১০
রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ এবং গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানায় মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) রাতে এসব মামলা দায়ের করা হয়। থানার ওসি জানে আলম মুন্সী গণমাধ্যমকে বলেন, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ দুইটি এবং পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।
“মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে তাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে তাদের ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। আর সরকারি কাজে বাধা, মারধরের অভিযোগে পুলিশের পক্ষ অন্য মামলাটি করা হয়েছে।”
এর মধ্যে পুলিশের করা মামলায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানসহ ১৫৫ জনকে এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মামলায় অজ্ঞাতসংখ্যক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি জানে আলম মুন্সী বলেন, “আমরা এরই মধ্যে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।” ঢাকা মহানগর বিএনপির নবগঠিত দুই কমিটির নেতৃত্বের সঙ্গে কয়েক হাজার কর্মী গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য চন্দ্রিমা উদ্যানে সামনে জড়ো হন। সে সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদুনে গ্যাস ও রাবার বুলেটে ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ও সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।
এসময় শেরেবাংলা নগর, ফার্মগেইট এলাকার আশপাশের রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে বেশকিছু যানবাহন ভাঙচুরও করেন।
পুলিশের তেজগাঁও জোনের ডিসি শহীদুল্লাহ জানিয়েছিলেন, বিএনপিকর্মীরা বিনা উসকানিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, পুলিশই বিনা উসকানিতে তার দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে।
শেরেবাংলা নগর থানার ওসি জানেম আলম মুন্সী বলেন, “সেখানে যাওয়ার জন্য তারা ৫০ জনের অনুমতি নিয়েছে। কিন্তু অনুমতির বাইরে শতশত লোক আসে এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়। “তারা পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এতে পুলিশের কয়েকজন আহত হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

