সরকার কোনো চ্যানেল বন্ধ করেনি: তথ্যমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০২ অক্টোবর ২০২১ । আপডেট ১৯:১৫
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি। বিদেশি চ্যানেলগুলোর বাংলাদেশি এজেন্ট বা অপারেটররাই বন্ধ করে রেখেছেন। যেহেতু তাদেরকে বিজ্ঞাপন ছাড়া ফিড দিচ্ছে না, সেজন্য তারা সম্প্রচার বন্ধ রেখেছেন।
শনিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে প্রবাসী কমিউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি চ্যানেলগুলোর দায়িত্ব আইন মেনে চলা। আবার যারা বিদেশি চ্যানেল এখানে সম্প্রচার করেন তাদেরও আইন মেনে চলা উচিত।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আশা করবো, বিদেশি চ্যানেলগুলো খুব সহসা বিজ্ঞাপন ছাড়া বাংলাদেশে ফিড পাঠাবে। তাহলে তো এখানে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। বিজ্ঞাপনবিহীন যেসব চ্যানেল আছে সেগুলো সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এজেন্ট ও ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা বলছে তাদের কিছু কারিগরি ত্রুটি আছে। সেজন্য সম্প্রচার করতে পারছে না। এটা সহসাই নিরসন হয়ে যাবে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি চ্যানেলের মধ্যে যেগুলো বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে দেশে সম্প্রচার হয় সেগুলো কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে থাকতে পারে। যেসব চ্যানেল বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে দেশে আসে সেগুলো চলতে তো বাধা নেই। আমাদের আইন তো তাদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করেনি। এগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। সেসব চ্যানেল অনেক ক্ষেত্রে চলছে আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। সেই সমস্যা কেটে যাবে।’বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে যেকোনো বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করতে পারে। তবে সেটি অবশ্যই বাংলাদেশের আইন মেনে করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিবিসি, সিএনএন, ডিসকভারিসহ বহু চ্যানেল আছে যেগুলো বিজ্ঞাপনবিহীনভাবে বাংলাদেশ চলছে। আর অন্য চ্যানেলগুলোও আমাদের আইন মেনে বিজ্ঞাপনবিহীনভাবে চলতে কোনো বাধা নেই।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য আমরা নীতিমালা করছি। নীতিমালা খুব সহসা চূড়ান্ত হবে। সেই নীতিমালা যখন জারি হবে, নীতিমালার যারা ব্যত্যয় ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

