ওয়েস্টার্ন মেরিনের ব্যবসা হুমকির মুখে: ডিএসই’র পর্যবেক্ষণ
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১। আপডেট ১২:৪০
সীমিত ব্যবসা, ব্যবসায়িক বৈচিত্র্য না থাকা ও অধিক ব্যাংক ঋণের কারণে শেয়ারবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবসা হুমকির মুখে রয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক প্রতিবেদনে ইচ্ছেকৃতভাবে ব্যয় ও খরচ বাড়িয়ে মুনাফা বন্ধ করে দেওয়া এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোম্পানিটির পরিচালক ও ম্যানেজমেন্ট উভয়েরই আগ্রহের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া, স্টক এক্সচেঞ্জের বিধি-বিধানসহ সিকিউরিটিজ আইন ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘন করেই চলেছে কোম্পানিটি।
সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের প্রধান কার্যালয় ও কারখানা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করে এমন সব তথ্য পেয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
কোম্পানিটির এসব অসঙ্গতি ডিএসই প্রতিবেদন আকারে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) পাঠিয়েছে।
চলতি বছরের গত ২২ এপ্রিল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাত কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে সশরীরে পরিদর্শনের অনুমতি পায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) কর্তৃপক্ষ। ওইসব কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সশরীরে কোম্পানি পরিদর্শনের অনুমতি দিয়েছে বিএসইসি। এ পরিদর্শন কার্যক্রমে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতার পাশপাশি কোম্পানিগুলোর উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম যাচাই করা হচ্ছে। চলতি বছরের গত ১৩ জুন ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের কারখানা প্রাঙ্গণ ও ১৪ জুন প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো, নূরানি ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, কাট্টালি টেক্সটাইল ও আমান ফিড।

