আইটি খাতে ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ বাড়বে
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০২২ । আপডেট ১৩:৪৫
বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দক্ষ কর্মী ঘাটতির মধ্যেই আইটি খাতে বিনিয়োগের আকার চার লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার ছুঁতে পারে এ বছর। চলতি বছরে প্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগের সম্ভাব্য আকার সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছে আমেরিকার ‘গার্টনার ইনকর্পোরেটেড’।
প্রযুক্তি খাতে নানা জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও, সেবায় কোনো বাধা আসলে সেটি মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এই খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থাটি। অন্যদিকে, স্মার্টফোন এবং বাণিজ্যিক কম্পিউটারের মতো হার্ডওয়্যারের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কিছুটা কমলেও, সফটওয়্যার এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার বাজারে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বাড়ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকরেডার।
পাশাপাশি, আইটি খাতে দক্ষ ও প্রতিভাবান কর্মীর ঘাটতির কারণে প্রযুক্তি সেবাগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার প্রবণতা বাড়ছে এবং সেবাদাতারাও তাদের সেবার দাম বাড়াচ্ছেন। আর এই বাড়তি দামের কারণে প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে আইটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার খাতে চলতি বছর ও আগামী বছরে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে সাইটটি।
এমন পরিস্থিতিতে গার্টনার বলছে, এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, অবকাঠামোগত সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেট নির্ভর নানা সেবার ঊর্ধ্বমুখী জনপ্রিয়তা স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটাই প্রমাণ করছে যে ডিজিটাল রূপান্তর একটি চলমান ‘ট্রেন্ড’।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ বছরে শিল্পের কোন খাতে কী পরিমাণ বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছেন তার সম্ভাব্য আকার জানিয়েছে গার্টনার। গবেষণা সংস্থাটির দেওয়া তথ্য বলছে, ডেটা সেন্টার সিস্টেমের পেছনে বিনিয়োগ করা হবে ২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার, আইটি সেবায় বিনিয়োগ হবে একশ ২০ কোটি ডলার এবং ভিওআইপি ও বাণিজ্যিক ফোন সিস্টেমের মতো যোগাযোগ সেবার পেছনে বিনিয়োগ করা হবে একশ ৪০ কোটি ডলার।
ইউডি/অনিক

