স্বপ্ন ও সাহসের সম্মিলন

স্বপ্ন ও সাহসের সম্মিলন
উত্তরদক্ষিণ । ২৫ জুন ২০২২

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৫ জুন ২০২২ । আপডেট ১৪:৩৫

বাংলাদেশের মানুষের আবেগ-ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ স্বপ্নের পদ্মা সেতু আর স্বপ্নের মধ্যে নেই। আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, আজ বাংলাদেশিদের গর্বের দিন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতা আর হার না মানা অপ্রতিরোধ্য মানসিকতার মূর্ত প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এই দিনটির জন্য কত অপেক্ষা, কত আকাঙক্ষা। আজ শনিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া প্রান্তে প্রথমে সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন এবং পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঘোষণা দেবেন। বিস্তারিত লিখেছেন বিনয় দাস

প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ ‘পদ্মা সেতু’ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে। আজ উদ্বোধনের পর আগামীকাল রবিবার (২৬ জুন) থেকে যান চলাচল শুরু হবে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রাণের পদ্মা সেতু তাদের জন্য উš§ুক্ত হচ্ছে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে পদ্মার বুকে যেন বাংলাদেশের বিজয় উৎসব। কতনা চ্যালেঞ্চ মোকাবেলা করতে হয়েছে এই সেতু নির্মাণে। শুধু পদ্মার প্রবল স্রোতধারাই নয়, মোকাবেলা করতে হয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রও। সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ সাহসিকতায় আজ বিশ্ব দরবারে পদ্মা বিজয়ের গর্বের প্রজÍলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বপ্নের সেতুর উদ্বোধন করবেন। আগামীকাল রবিবার (২৬ জুন) সকাল ৬টা থেকে থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে এই সেতু।

দুই পাড়ে উৎসবের আমেজ: এরই মধ্যে সেতু উদ্বোধনের সব প্রস্তুতি নেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। নদীর দুই পাড়ে এখন উৎসবের আমেজ, সাজসাজ রব। আজ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া প্রান্তে প্রথমে সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন এবং পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঘোষণা দেবেন। পরে তিনি সেতুর ফলক ও ম্যুরাল উদ্বোধন করে টোল দিয়ে সফরসঙ্গীদের নিয়ে পদ্মা সেতু পার হবেন। ওপারে গিয়েও তিনি প্রথমে সেতুর ফলক ও পরে ম্যুরাল উদ্বোধন করবেন। বিকেলে তিনি কাঁঠালবাড়িতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে তারা আশা করছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভাস্থলে ৫০০ অস্থায়ী শৌচাগার, ভিআইপিদের জন্য আরও ২২টি শৌচাগার, সুপেয় পানির লাইন, তিনটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল, নারীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা, প্রায় ২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সভাস্থলে দূরের দর্শনার্থীদের জন্য ২৬টি এলইডি মনিটর ও ৫০০ মাইকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নদীপথে আসা মানুষের জন্য ২০টি পন্টুন তৈরি করা হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরগুলো তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস পদ্মা সেতু : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বিশ্ব দরবারে দেশ ও জনগণকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে। স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে শুক্রবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক ‘পদ্মা সেতু’র শুভ উদ্বোধন হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। বাস্তবায়িত হচ্ছে মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ উত্তাল পদ্মার বুকে জাতির গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এসব অর্জনের অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সাহসিকতা, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ এবং যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, এ সেতুর বাস্তবায়ন সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, সক্ষমতা, জবাবদিহি ও দক্ষতার নিদর্শন হিসেবে বিশ্বদরবারে আমাদেরকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘পদ্মা সেতু’ উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার (২৪ জুন) দেয়া এক বাণীতে বলেন, দেশপ্রেমিক জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই আজকে উন্নয়নের এ নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে। আগামী দিনেও গণমানুষের আশা-আকাঙ্খা ও স্বপ্ন পূরণে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ।
প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ ‘পদ্মা সেতু’ যান চলাচলের জন্য আগামীকাল খুলে দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী চ্যালেঞ্জিং ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প’ বাস্তবায়নে নিয়োজিত সর্বস্তরের দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী, পরামর্শক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও নির্মাণ শ্রমিকসহ সংশি¬ষ্ট সবাইকে তাঁদের অবদান ও অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অভিবাদন জানান। সেতুর দুই প্রান্তের জনগণ জমি প্রদানের মাধ্যমে এবং নানাভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করায় তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ‘পদ্মা সেতু’ উদ্বোধনের এ মাহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসীকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রতিবছর ০.৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসন হবে : আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত পায়রা সমুদ্রবন্দর, বৃহৎ নদীসমূহের উপর নির্মিত সেতু, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মংলা সমুদ্রবন্দরের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারে ‘পদ্মা সেতু’ যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূতিকাগার হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই অঞ্চলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেনাপোল, ভোমরা, দর্শনা প্রভৃতি স্থলবন্দরের মাধ্যমে আন্ত:দেশীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। এ সেতুর মাধ্যমে দুই প্রান্তে বিদ্যুৎ, গ্যাস, অপটিক্যাল ফাইবারসহ পরিষেবাসমূহের সংযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে সার্বিকভাবে দেশের উৎপাদন ১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিবছর ০.৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সেতু অনন্য অবদান রাখবে।

জনসভায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ওয়াচ টাওয়ার: আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেছেন- প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জনসভাস্থলে দুটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে। এছাড়া আজকের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও জনসভাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। শুক্রবার (২৪ জুন) মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শনে এসে আইজিপি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে দুটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে। যা প্রথমবারের মত আমাদের দেশে ব্যবহার হচ্ছে। এত বড় ওয়াচ টাওয়ার দুটি আমেরিকা থেকে সম্প্রতি আনা হয়েছে। শারীরিকভাবে এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করছি এবং প্রতি মুহূর্তে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আমাদের সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয় রয়েছে। আশা করছি দেশবাসীর সমর্থন নিয়ে আগামীকালের (আজকের) ঐতিহাসিক এ মুহূর্তকে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে পারবো। বেনজীর আহমেদ বলেন, জনসভাকে ঘিরে প্রতিটি স্থানে আমাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ আলাদাভাবে কাজ করছে। জনসভা শেষ হওয়া না পর্যন্ত আমরা এখানে থাকবো।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাজারে আসছে ১০০ টাকার স্মারক নোট: পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ সেতু উদ্বোধনের পরের দিন থেকে এই স্মারক নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় এবং পরে অন্যান্য অফিসে পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১০০ টাকার এই স্মারক নোট সংগ্রহ করা যাবে দেড়শ টাকা দিয়ে। আর ফোল্ডার ও খামসহ সংগ্রহ করতে চাইলে লাগবে ২০০ টাকা।১৪৬ মিলিমিটার * ৬৩ মিলিমিটার আকারের এই নোটে থাকবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদ্য সাবেক গর্ভনর ফজলে কবিরের স্বাক্ষর। নোটের এক পিঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতির সঙ্গে রয়েছে পদ্মা সেতুর ছবি। উপরের অংশে লেখা আছে ‘জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতু’। নোটের অন্য পিঠে মুদ্রিত হয়েছে পদ্মা সেতুর ছবি। উপরে ইংরেজিতে ‘চধফসধ ইৎরফমব- ঞযব ংুসনড়ষ ড়ভ হধঃরড়হধষ ঢ়ৎরফব ঙঘঊ ঐটঘউজঊউ ঞঅকঅ লেখা আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটটি মুদ্রিত হয়েছে ১০০ শতাংশ কটন কাগজে। এর সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির বাম পাশে ৪ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা আছে। ডানদিকের জলছাপ অংশে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ‘২০০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে।

উত্তরদক্ষিণ । ২৫ জুন ২০২২ । ১ম পৃষ্ঠা

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর আজকের কর্মসূচিতে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকাপ্টারে করে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। সকাল ১০টায় মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর ১১টায় পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করবেন। ১১টা ১২ মিনিটে টোল দিয়ে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করে মোনাজাতে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এরপর ১১টা ২৩ মিনিটে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের উদ্দেশে সড়কপথে যাত্রা করবেন। ১১টা ৪৫ মিনিটে জাজিরা প্রান্তে উপস্থিত হয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ফলক ও ম্যুরাল-২ উন্মোচন শেষে মোনাজাতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় মাদারীপুর শিবচর উপজেলার কাঠালবাড়ীতে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জনসভায় অংশ নেবেন। জনসভা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় জাজিরা প্রান্ত থেকে হেলিকাপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৫ জুন ২০২২ । আপডেট ১২:৩৫ 

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading