পদ্মাসেতু: জাতীয় আত্মবিশ্বাস জাগরণের প্রতীক

পদ্মাসেতু: জাতীয় আত্মবিশ্বাস জাগরণের প্রতীক

মির্জা মমতাজ উদ্দিন । রবিবার, ২৬ জুন ২০২২ । আপডেট ১৪:০৩

স্বদেশি অর্থায়নে ‘পদ্মাসেত’ নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ। গতকাল শনিবার (২৫ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এই সেতু। রাজধানী সাথে সরাসরি দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের সংযোগ স্থাপন করেছে এই পদ্মাসেতু। পদ্মা পারাপার নিয়ে দীর্ঘদিনের দুর্র্ভোগ ও ভোগান্তি নিরসনে কাক্সিক্ষত স্বপ্নের পদ্মাসেতু আজ দৃশ্যমান বাস্তবতার সাক্ষী হয়ে পদ্মা নদীর উপর দাঁড়িয়ে আছে। পদ্মাসেতুর বিশেষত্ব হলো: এটি কেবল যানচলাচলের মাধ্যমে নদীর এপার-ওপার পারাপারই নয়; দেশের ভবিষৎ উজ্জল অর্থনৈতিক উন্নয়নের সোপান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মবিশ্বাস, সক্ষমতা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশে এই পদ্মাসেতুর নির্মাণ এক বিস্ময়কর সাফল্য। শুধু তাই নয়,পদ্মাসেতু জাতীয় আত্মবিশ্বাস জাগরণের প্রতীক।

‘তলাবিহীন ঝুঁড়ি’তত্ত্ব ভূল প্রমাণ করেছে পদ্মাসেতু নির্মাণ সক্ষমতা: বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে অতীতে মনোকষ্টদায়ক অনেক কথাই শুনতে হয়েছে দেশবাসীকে। যার দু-একটা কিঞ্চিৎ না বললেই নয়। তার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের পিছন ফিরে কিছুটা তাকানো আবশ্যক মনে করি। সত্যি কথা বলতে কি, কে শত্রু আর কে বন্ধু মুক্তিযুদ্ধের চরম সংকটে চিনেছে বাংলাদেশ। অনেক দেশই চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক, কারণ তারা ছিল পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত। সেই তালিকায় থাকা দেশের মধ্যে আমেরিকা সেদিন রাজনৈতিকভাবে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেয়। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর, প্রেসিডেন্ট নিক্সনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এর সভাপতিত্বে ওয়াশিংটন একশন গ্রুপের সভা হয়। ওই সভায় দক্ষিণ এশিয়া পরিস্থিতি বিশেষত: (পূর্ব পাকিস্তান) বাংলাদেশ নিয়েই এ বৈঠক। এতে আলোচনার এক পর্যায়ে হেনরি কিসিঞ্জার খাদ্য ও দারিদ্রতার দিক বিবেচনা করে ওই সময় ‘বাংলাদেশকে একটি তলাবিহীন ঝুঁড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি মন্তব্য করেন ‘বাংলাদেশ চিরকাল পরনির্ভর হয়ে থাকবে। উন্নত দেশগুলো খাদ্য-অর্থ সহায়তা দিলে তারা বাঁচবে নইলে সব শেষ।’ সেদিন একই সুরে সুর মিলিয়েছিল আমেরিকার আর্শীবাদপুষ্ট দাতাসংস্থা বিশ্বব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের গবেষণায় বলা হয় ‘বাংলাদেশ একটি বাস্কেট কেস। এই দেশটি উন্নতি করতে পারলে বিশ্বের যে কোন পিছিয়ে পড়া দেশও উন্নতি করতে পারবে।’ সমকালীন সময়ে এসে বলতে হয়, ওই দেশ-ওই দাতা সংস্থার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক এবং দাতা সংস্থাটি মার্কিনীদের প্রভাবে প্রভাবিত। কোন জাতিকে ছোট করে দেখা সভ্যতা ও মানবিকতাবোধের পর্যায়ে পড়েনা। ওই মন্তব্যের সাথে সর্বাবস্থায় বাঙালীর আবেগ জড়িত। অস্তিত্বের শেকরে যখন কেউ আঘাত করে সেই কথা ওরা ভূলেনা, যতদিন না এর বিহিত হয়। বলা যেতে পারে এটি বাঙালীর জাতিগত বৈশিষ্ট্য। সেদিনের সেই বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্যে বঙ্গবন্ধু সহ সমগ্র বাঙালীর মনে আঘাত করে ছিলো ঠিকই, কিন্তু থাকতে হয়েছে নিরব। কারণ সময় ও পরিস্থিতি মোটেই ছিলো না বাংলাদেশের অনুকুলে । সেদিন থেকেই নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ়তায় মনের মধ্যে চলছিলো মনস্তাস্তিকযুদ্ধ। আত্মবিশ্বাসী বাঙালীর প্রতিজ্ঞা ছিলো একদিন না একদিন সকল অচলায়তন ভেঙে গন্তব্যের শেখরে পৌঁছবেই। আমেরিকার ওই অবাঞ্চিত মন্তব্যের নেপথ্যে কারণ ছিলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিরোধীতামূলক অবস্থান। সেদিন সংকটে বাংলাদেশের পাশে দাড়ানোর সমর্থন দিয়েছিলো পরাক্রমশালী রাষ্ট্র রাশিয়া। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে দেশের যাত্রা শুরু করেন। সেদিন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে অভাব ছিলো ঠিকই কিন্তু মনোবল ছিলো দৃঢ়। বঙ্গবন্ধু আত্মবিশ্বাসী মনোবল নিয়ে দেশ পূর্ণগঠনে আবারো ঐক্যের ডাক দিলেন। ইতিহাসে তা বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব নামে পরিচিত। মুজিববাদের স্থপতি এই মহান তাত্ত্বিক নেতা শিখিয়েছেন স্বাধীনতা অর্জন করার মূলমন্ত্র। তেমনি শিখিয়েছেন স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কিভাবে দেশগড়তে হয়। বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের আহবান ছিল স্ব স্ব অবস্থান থেকে দেশগড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষ মনে প্রাণে বিশ্বাস করে ৩০ লাখ শহীদের রক্তস্নাতভূমি প্রিয় এই বাংলাদেশ। নিজেদের দেশ, নিজেদের কেই গড়ে তোলতে হবে। আর সেই লক্ষে চলছে দেশগড়ার নিরন্তর চেষ্টা। এরই মধ্যে বাংলাদেশে ঘটে যায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৯৭১ সালে ১৫ আগষ্ট কালরাত্রিতে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শাহাদত বরণ করতে হয় সপরিবারে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা ভাগ্যক্রমে ওই সময় বিদেশে থাকায় বেচেঁ যান। ১৯৮১ সালে পরিবারের আপনজনহারা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হƒদয়ের আপনজন বাংলাদেশের জনগনের কাছে ফিরে আসেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দায়িত্ব নিয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্তহন সেইসাথে পিতার স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ায় আত্মনিয়োগ করেন। স্বাধীনতার একুশ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাসী সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় ফিরে আসে।(মাঝখানে ৭ বছর বাদে) চলমান সময় পর্যন্ত ক্ষমতায় রয়েছেন তিনি অধিষ্ঠিত। আজ দৃশ্যমান হিসেবে বঙ্গবন্ধু নয়ন সমুখে নেই ঠিকই তবে তাঁর আর্দর্শিক চেতনাশক্তি দৃশ্যমানের চেয়ে মহাশক্তিশালী অন্তরে অনুরনিত হচ্ছে। তিনি দেশের প্রতিটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাসী সত্ত্বায় রয়েছেন চির জাগ্রত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃত্তির গতি অপ্রতিরোধ্য। স্বদেশি অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ তারইএকটি ঐতিহাসিক সাফল্য। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বাংলাদেশ সগৌরবে মাথা উচুঁ করে বিশ্বকে জানান দিলো ‘বাংলাদেশ’ তলাবিহিন ঝুড়ি‘র দেশ নয়; আর্থিক সক্ষমতার দেশ। যা দিয়ে পদ্মাসেতু‘র মত অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভব ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ব্যক্তিত্ব ও সাহসে শেখ হাসিনা পিতার উত্তরাধিকার: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিশ্ব বঙ্গবন্ধ ুশেখ মুজিবুর রহমানকে জানার সুযোগ পায় ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যামের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে। বিশ্বের ৭৩টি দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সাথে প্রথমবারের মত যোগদেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন তিনি তাঁর ভাষণে ক্ষুধামুক্ত বিশ্বগড়ে তোলতে বিশ্বনেতাদের উদাত্ত আহবান জানান। ওই সম্মেলনেই কিউবার বিপ্লবীনেতা ফিদেল ক্যাষ্ট্রো‘র সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর প্রথম সাক্ষাৎ হয়। বঙ্গবন্ধুকে বর্ণনা করতে গিয়ে কিউবার সেই বিপ্লবীনেতা ফিদেল ক্যাষ্ট্রো‘র উক্তি সবার আগে মনে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, তাঁর সিদ্ধান্ত, অবিচলতা নিয়ে বলতে গিয়ে ক্যাষ্ট্রো বলেন, ‘আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়াস। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব। ইন পারসোনালিটি অ্যান্ড ইনকারেজ, দিস ম্যান ইস দ্য হিমালয়াস’। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায়- ‘আমি হিমালয় দেখেনি, তবে আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমতূল্য। আর এভাবেই আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেছি।’ সেই হিমালয় সমতুল্য মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর প্রবাহমান রক্তের যোগ্য উত্তরসূরী ও কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মাসেতু

আত্মবিশ্বাস‘ই পদ্মাসেতু‘র সাফল্যের সিঁড়ি: যে পথ ধরে পৃথিবীর খ্যাতিমান ব্যক্তিরা নিজেদের প্রজ্ঞা, মেধা, নিরলসশ্রম এবং দেশাত্ববোধের শাণিত চেতনায় সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন, তার নেপথ্য গুণগুলো খতিয়ে দেখলে একটি বিষয় পরিস্কার হয়, তার মূলশক্তি হচ্ছে, নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস এর প্রভাব মানুষের মনে নতুন একটা কিছু সূচনার আর্বিভাব ঘটায়। যা নিজের প্রতি নিজের নিয়ন্ত্রণ, মনোবল বৃদ্ধি, সাহস, এবং ব্যক্তিত্ববোধ সৃষ্টির মাধ্যমে সফলতার অভীষ্ট লক্ষে পৌছতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। আত্মমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ববোধ হলো নিজের প্রতি বিশ্বাস এবং সম্মানবোধ তৈরী হওয়া। বঙ্গবন্ধু রক্তের উত্তরাধিকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমনি এক ব্যক্তিত্ব। যা না বললেই নয়; দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, জাইকা, এডিবি, আইডিবি যখন অনাকাংখিতভাবে মিথ্যা দুনীতির অভিযোগ এনে পদ্মাসেতু‘র আর্থিক সহায়তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়, ঠিক তখনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশি-বিদেশি ওই ষড়যন্ত্রের বিরূদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে তিনি জাগিয়ে তোলেন নিজেকে। ২০১২ সালের ৮ জুলাই মহান জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা দেন ‘পদ্মাসেতু হবে নিজেদের অর্থায়নে’। ২০১২ সালের ১০ জুলাই মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণায় দেশাত্ববোধ সম্পন্ন প্রতিটি মানুষ নিজের অস্তিত্বে সক্ষমতার শক্তি সঞ্জিবনী পায়। দেশবাসী সানন্দচিত্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‘র স্বদেশি অর্থায়নে এই পদ্মাসেতু নির্মাণ উদ্যোগ কে স্বাগত জানায়। বিশ্বব্যাংক সম্ভবত বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহস সম্বন্ধে আঁচ করতে পারেনি। শেখ হাসিনা কারো কাছে মাথা নত করার ব্যক্তি নয়। তাঁর ধমনীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত প্রবাহিত। বিশ্বব্যাংক বুঝতে ভূল করেছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবেনা’। তারঁ কন্যা স্বদেশি অর্থায়নে বিশ্ব লোকচক্ষুর সামনে পদ্মাসেতুু নির্মাণ করে সেই কথা প্রমান করেছেন। সময়ের বাস্তবতায় আজ পদ্মাসেতু হলো জাতীয় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক, সক্ষমতার প্রতীক। সর্বোপরী জাতীয় আত্মবিশ্বাস জাগরণের প্রতীক।

ইতিহাসের শিক্ষা: প্রতিটি শিশু হাটি- হাটি পা- পা করে বড় হতে থাকে, একপর্যায়ে আত্মপরিচয় জানার জন্য নিজেকে মোহসিক্ত করে। তখন ওরা জানতে চায় নিজের কথা, জানতে চায় দেশের কথা, স্বাধীনতার কথা, জাতিরপিতার কথা, মুক্তিযুদ্ধের অসীম বীরত্বে¡র কথা,ও মার্তৃভাষার গৌরবের কথা। মায়ের ভালবাসা থেকেই শিশুর সুপ্তকমল অনুভূতিতে স্থান করে নেয় দেশের জন্য ভালবাসা। আমাদের জাতির অনাগত বংশধরকে দেশাত্ববোধ চেতনায় গড়ে তোলতে হবে। তারজন্য শিশুদের আত্মবিশ্বাসী অনুশীলন দরকার। সন্তানকে ভৎর্সনা না করে তাকে উৎসাহিত করা উচিত। শিশুদের ভালো দিকগুলোর জন্য পুরস্কৃত করলে, উৎসাহিত হয়। তেমনি দুর্বল দিকগুলো নিয়ে ভৎর্সনা না করে এগুলো কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করা প্রয়োজন। এতে তার নিজের এবং সমাজের ভালো কাজের সফলতায় নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস সৃষ্টি হয়। উদাহরণ স্বরুপ- পদ্মা সেতু নির্মাণ সফলতার ইতিহাস অনুশীলনের মাধ্যমে গড়ে উঠতে পারে আত্মবিশ্বাসী ভবিষৎত প্রজš§ । আগামীদিনে যারা দেশকে গড়ে তোলবে; তাদের জন্য হতে পারে ইতিহাসের শিক্ষা।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading