ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৩:১৫

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া সম্পর্ক ইতিহাসের অন্য যেকোন সময় থেকে অনেক ভাল। রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা কূটনৈতিক সকল সম্পর্কেই এখন সর্বোচ্চ উষ্ণতা বিরাজমান। পিছিয়ে নেই বাণিজ্যিক সম্পর্কও। দুই দেশের মধ্যেই ঢের বেড়েছে আমদানি-রফতানি। প্রধানমন্ত্রীর চলমান ইন্ডিয়া সফরে দুই দেশের বাণিজ্য নিয়ে এক বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ইন্ডিয়ায় বাংলাদেশের রাফতানি বৃদ্ধি নিয়ে সফল আলোচনা হয়েছে। এর মধ দিয়ে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে দুই বন্ধু প্রতিবেশি দেশের সম্পর্ক। বিস্তারিত জানাচ্ছেন সাইফুল অনিক।

গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অংশীদার হয়েছে। আমদানির ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া আমাদের একটা বড় উৎস ছিল। যদিও এখন চীন অবস্থানটি নিয়েছে। ইন্ডিয়া এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি ক্ষেত্র। রফতানি ক্ষেত্রে লক্ষ করছি বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে রফতানি বেড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইন্ডিয়াতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যে ইন্ডিয়াতে বাংলাদেশের রফতানি করার আরো অনেক বেশি সক্ষমতা আছে। আরো সম্ভাবনাও আছে। এক্ষেত্রে কিছু শুল্ক ও অশুল্ক বাধা আছে, এগুলোকে যদি দূর করা যায় তাহলে বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে রফতানি বেশ কয়েক গুণ বাড়বে। এদিকে, ইন্ডিয়ার যে বিনিয়োগকারীরা আছেন তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করেন, এশিয়া-আফ্রিকাসহ অনেক দেশে, সে তুলনায় বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ অনেক কম। তবে এখন এই পরিস্থিতি উন্নয়নে আশাবাদী উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে যে হোটেলে অবস্থান করছেন সেখানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) যৌথভাবে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। বাংলাদেশকে বিনিয়োগের সবচেয়ে উদার দেশ হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অবকাঠামো, শিল্প-কারখানা, জ্বালানি ও পরিবহন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারীদের অবকাঠামো, প্রকল্প, শিল্পকারখানা, জ্বালানি ও পরিবহন খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করবো। ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কম সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয় ও স্বল্প সম্পদে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়ের নিশ্চয়তাসহ বাই-ব্যাক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন করতে পারেন। বাংলাদেশে এই অঞ্চলের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে বিস্তৃত সুযোগ-সুবিধা, আকর্ষণীয় প্রণোদনা নীতি এবং ধারাবাহিক সংস্কার প্রক্রিয়ার সুযোগ রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শিল্প, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধি এবং বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বিনিয়োগ ও দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২৮টি হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারীদের জন্য মোংলা ও মিরেরশরাইতে দুটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে। আমি এখানে উপস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সেখানে বিনিয়োগ করার জন্য অনুরোধ করবো। এটি দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সদিচ্ছাকে কাজে লাগানোর পথকে আরও প্রশস্ত করবে এবং এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনবে। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারীরা তাদের পণ্য শুধুমাত্র ইন্ডিয়ার উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতেই নয়, নেপাল, ভুটান এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতেও রফতানি করতে সক্ষম হবেন। ইন্ডিয়ান ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের বাংলাদেশের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার এবং এর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্বল্প খরচ এবং বিশাল ভোক্তা ভিত্তির সুবিধা নেওয়ার সময় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে এফবিসিসিআই ও কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত অনুষ্ঠানে

বাণিজ্য-উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ইন্ডিয়া: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিল্পের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং আমাদের কৌশলগত অবস্থানের পূর্ণ সুবিধা নিতে তারা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন এবং বাণিজ্য অংশীদার। বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পর্যটক ও চিকিৎসার জন্য রোগী আসে। হাজার হাজার ইন্ডিয়ান নাগরিক এখন বাংলাদেশে কাজ করছে। তারা উভয় দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গভীর বন্ধুত্বের বন্ধন ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে এবং বিকাশ লাভ করবে।

মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহে প্রস্তুত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে আরও বলেন,বর্তমানে উন্নত উৎপাদন ক্ষমতার সাথে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করতে প্রস্তুত। তাই আমরা ইন্ডিয়ান আমদানিকারকদের বাংলাদেশী পণ্যগুলির দিকে দৃষ্টি ফেরানোর জন্য আমন্ত্রণ জানাই, যেগুলি তারা দূরের দেশগুলি থেকে উচ্চ মূল্যে আমদানি করছেন। বৃহত্তর লাভের জন্য, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া সহযোগিতাকে বাণিজ্যের বাইরে যেতে হবে। এতে বিনিয়োগ, অর্থ, পরিষেবা, প্রযুক্তি স্থানান্তর অন্তর্ভুক্ত এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে স্থাপন করা উচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মধ্যে মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভারসাম্য অনেকটাই ইন্ডিয়ার পক্ষে ছিল।

বাণিজ্য-বিনিয়োগের সুবিধায় সহযোগিতার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের মোট পরিমাণ ছিল ১৩৭০.৩৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে ইন্ডিয়া থেকে এর অনুপাত ছিল ১৫.৭৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা এফডিআই প্রবাহের মাত্র ১.১৫% । তিনি বলেন, ‘তাই নিশ্চিতভাবেই দ্বিমুখী বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সুবিধা অর্জনের উপায় খুঁজে বের করতে ব্যবসায়ি সম্প্রদায় এবং বাণিজ্য সংস্থাগুলিকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আমাদের দুই দেশের মধ্যে আরও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতক প্রবৃদ্ধি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭.০ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮.০ শতাংশ অতিক্রম করেছে। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে, মাথাপিছু আয় প্রায় ১,০০০ মার্কিন ডলার থেকে তিনগুণ বেড়ে আজ ২,৮০০ মার্কিন ডলারের বেশি হয়েছে৷ এছাড়া ২০২১-২০২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়ে ২১,০৩১.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। এই সূচকগুলি বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিকে প্রতিফলিত করে।’

আমদানি-রফতানি বাড়াতে ঐক্যমতে ব্যবসায়ীরা: ইন্ডিয়ার বাজারে বাংলাদেশ ১২টি নতুন পণ্যের প্রবেশ চায় বলে জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন। প্রতিবেশী দেশটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের তৃতীয় দিন বুধবার ইন্ডিয়ার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ ইচ্ছার কথা জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। জসিম জানান, ১২টি নতুন পণ্য ইন্ডিয়ার বাজারে দিতে চান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে বাংলাদেশের সিরামিকস, পাটসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন ইন্ডিয়ার ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে ইন্ডিয়ার ব্যবসায়ীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তারা কয়েকটি প্রতিবন্ধকতার কথা বলেছেন। বিনিয়োগ সহজ করতে ইন্ডিয়ান ব্যবসায়ীরা ভিসা জটিলতা দূর করার কথা বলেছেন। অন্যদিকে ইন্ডিয়ার বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নীতি সংশোধন চেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। তারা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, অবকাঠামো ও কানেকটিভিটির দুর্বলতা, বন্দর দুর্বলতা দূর করার আহ্বান জানান।
বৈঠকের বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ব্যবসা সম্প্রসারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার তাগিদ দিয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। ইন্ডিয়ার ব্যবসায়ীরা সোলার এনার্জি, বায়ু বিদ্যুৎ এবং প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছেন। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও ইন্ডিয়াতে বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’

বাংলাদেশ হবে ইন্ডিয়ার বিশাল বাজার: ইন্ডিয়ার কোম্পানিগুলোর জন্য বিশাল বাজার হয়ে উঠবে বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান। গত সোমবার চারদিনের সফরে ইন্ডিয়া যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমানও। সফরের ফাঁকে ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকারে সালমান এফ. রহমান বলেন, ‘এখানে (বিনিয়োগের) বিশাল সুযোগ রয়েছে। ইন্ডিয়ান বিনিয়োগকারীরা যখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে, তখন শুধু বাংলাদেশের বাজারের দিকে তাকানো উচিত নয়। তাদের উচিত এটিকে ইন্ডিয়ার উত্তর-পূর্বের সাথে একত্রিত করা। এর কারণ হলো, আমরা এখন যোগাযোগের পাশাপাশি সড়ক, রেল ও নৌপথে কানেক্টিভিটির বিষয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান কোম্পানিগুলোর জন্য একটা বিশাল বাজার হয়ে উঠবে।’
সালমান রহমান বলেন, বৈদেশিক ঋণের তুলনায় বাংলাদেশের জিডিপির অনুপাত বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। আর এটিই বাংলাদেশের সাফল্যের গল্পগুলোর মধ্যে একটি। একইভাবে, বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যিক ঋণও ন্যূনতম। আমাদের সব ঋণই দ্বিপাক্ষিক ঋণ, যা রেয়াতি (স্বাভাবিকের তুলনায় ছাড়কৃত) হারে নেওয়া। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল- ওই দেশটির সরকার বিপুল পরিমাণ বাণিজ্যিক ঋণ নিয়েছিল। আমরা তা করিনি। এমনকি আমাদের কোনো সার্বভৌম বন্ডও নেই।

উত্তরদক্ষিণ । ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১ম পৃষ্ঠা

চীনা বিনিয়োগ ইন্ডিয়ার জন্য উদ্বেগ নয়: বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ নিয়ে ইন্ডিয়ার উদ্বেগের কথা বলতে গিয়ে সালমান এফ. রহমান বলেন, ‘ইন্ডিয়ান কোম্পানিগুলোর (এ বিষয়ে) উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়। চীনের সাথে আমাদের সম্পর্ক হলো- তারা আমাদের কিছু প্রকল্পের জন্য রেয়াতি ঋণ দিয়েছে এবং আমরা সেগুলোকে প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করেছি। উদাহরণ স্বরূপ, অনেকে বিশ্বাস করে পদ্মাসেতু হয়তো চীনা সরকারের একটি প্রকল্প। কিন্তু এটি সত্য নয়। এটি (পদ্মাসেতু) সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে একটি চীনা কোম্পানির মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে। এটি বাণিজ্যিক বিষয়। তার মানে এই নয় যে, আমরা এই ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল। তবে কিছু অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে যেখানে চীন অর্থায়ন করেছে।’

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading