প্রতি চার সেকেন্ডে একজনের মৃত্যু: ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৩:২০
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাষায়- ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।’ বর্তমান বিশে^ কবির এ কবিতা যেন বাস্তবতারই বহিঃপ্রকাশ। ক্ষুধার কারনে বিশ্বে প্রতি চার সেকেন্ডে মারা যাচ্ছে অন্তত ১ জন। সেই হিসেবে প্রতিদিন মারা যায় ১৯ হাজার ৭০০ জন। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘বৈশ্বিক ক্ষুধার দুষ্টচক্র’ শেষ করতে আহ্বান জানিয়ে ২ শতাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের প্রতি এক বিবৃতিতে অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালসহ ৭৫টি দেশের ২৩৮টি এনজিও এসব কথা জানায়। বিস্তারিত লিখেছেন সাদিত কবির
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস বিশ্বকে কোণঠাসা করে দিয়েছে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক পর্যায়ে আসার পরপরই শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধের প্রভাব সমগ্র বিশ্বেই ব্যাপক হারে পড়েছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপ বলছে ক্ষুধাই হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংকট। জাতিসংঘ এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সতর্কবার্তাও জারি করেছে। কিন্তু প্রবল ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের যেন এসব বিষয় নিয়ে কোনো ধরণের মাথা ব্যথা নেই। অথচ ক্ষুধার তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে প্রতি সেকেন্ডে মারা যাচ্ছে একজন মানুষ।
তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাড়ে ৩৪ কোটি মানুষ: সাত বছর আগে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা নির্মূল করা হবে। অথচ গত বছর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ক্ষুধায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আরো বেড়ে ৮২ কোটি ৮০ লাখে পৌঁছেছে। গত ৭ জুলাই জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে বিশ্বে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সঙ্গে দিন কাটাচ্ছে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ। এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে এর আগে দেখা যায়নি।কভিড-১৯ মহামারির আগে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা মানুষের সংখ্যা ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ। কিন্তু মহামারি ও জলবায়ু জরুরি অবস্থার কারণে সংখ্যাটি বেড়ে চলতি বছরের শুরুতে ২৭ কোটি ৬০ লাখে পৌঁঁছে। পরের পাঁচ মাসে এটি আরো ছয় কেটি ৯০ লাখ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৪ কোটি ৫০ লাখে এসে পৌঁছে। সম্প্রতি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রকাশিত খাদ্যমূল্য সূচকে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মে মাস থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খাদ্যমূল্য ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সূচকটির প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে তীব্র খাদ্য সংকটে ভোগা মানুষের সংখ্যায়। এ বিষয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডাব্লিউএফপি) প্রধান ডেভিড বিসলি বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, এর চেয়ে খারাপ অবস্থা আর হতে পারে না।
৪৫টি দেশের ৫ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি: বিশ্বে বর্তমানে বিস্ময়করভাবে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখোমুখি। ২০১৯ সালের আগেও এই সংখ্যা ছিল বর্তমানের অর্ধেক। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে ক্ষুধার চক্রকে টিকিয়ে রেখেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২১ শতকে আর কখনোই দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে না বিশ্ব নেতাদের এমন প্রতিজ্ঞা সত্ত্বেও সোমালিয়ায় দুর্ভিক্ষ আসন্নপ্রায়। বিশ্বের ৪৫টি দেশের অন্তত ৫ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি। চিঠির সইকারী ইয়েমেন ফ্যামিলি কেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মোহান্না আহমেদ আলী এলজাবালি বলেছেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে কৃষির আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পরেও আমাদের এই ২১ শতকে এসেও দুর্ভিক্ষের মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। এটি সমগ্র পৃথিবীর জন্য লজ্জাজনক।

সমগ্র মানবতার অবিচার: তিনি আরও বলেন, আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা অনেক বেশি দেরি করেছি। ভবিষ্যতে যেন একজন মানুষও অনাহারে না থাকে সেই ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করতে বিশ্বনেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একটি দেশ বা একটি মহাদেশ সম্পর্কে নয়। ক্ষুধারও মাত্র একটি কারণ থাকে না। এটি সমগ্র মানবতার অবিচার। তিনি আরও বলেন, তাৎক্ষণিক জীবনরক্ষাকারী খাদ্য ও দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা প্রদানে আমাদের আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা করা উচিত নয়। লোকজন যাতে তাদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব ও নিজেদের এবং পরিবারের জন্য খাদ্য সরবরাহ করতে পারে; আমাদের তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করে দেওয়া প্রয়োজন।
বিশ্বে খাদ্যের অভাবের অন্যতম কারণ ‘অপচয়’ : এদিকে, একটি গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অপচয়কৃত খাবারের পরিমাণ নিজেদের জন্য আমদানি করা খাবারের তুলনায় অনেক বেশি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিবছর অন্তত ১৫ কোটি ৩০ লাখ টন খাদ্যশস্য অপচয় করে থাকে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিযোগ এই অপচয়ও বিশ্বে খাদ্যের অভাব তৈরির অন্যতম কারণ।

উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য বড় হুমকি : ব্রিটেনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি চলতি বছরের মাঝামাঝি বলেছিলেন, ব্রিটেনে খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ‘বিপর্যয়কর’ স্তরের দিকে যাচ্ছে। মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে যে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে, সে বিষয়ে বলতে গিয়ে বেইলি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য এ আশঙ্কা আরও বড়। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কয়েক মাস ধরে বড় বড় অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞ বলে আসছেন, টাইডাল ওয়েভ বা মহাজলোচ্ছ্বাসের মতো ক্ষুধার একটি মহাপ্রবাহ বিশ্বজুড়ে বয়ে যেতে পারে। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের মানবিক ত্রাণকর্মীরা ক্ষুধার কারণে অগণিত মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জাতিসংঘের সংস্থা এবং মানবিক ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো সম্ভাব্য মৃত্যুর খরচ। তিনি বলেছেন, অপুষ্টি, ব্যাপক মাত্রার ক্ষুধা এবং দুর্ভিক্ষ এমন একটি সংকট তৈরি করতে যাচ্ছে, যা বছরের পর বছর স্থায়ী হতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী তা দীর্ঘমেয়াদি মন্দার আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

সামাজিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক সহিংসতা প্রকট হচ্ছে : বিশ্বের প্রায় ২৩০ কোটি মানুষকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার সংগ্রহের জন্য হয় মাঝারি, না হয় তীব্র অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এর মধ্যে ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, ইয়েমেন ও আফগানিস্তানের কিছু এলাকায় মানুষের বড় একটি অংশ ক্ষুধার বিপর্যয়কর মাত্রা সহ্য করছে, যেখানে এফএওর নির্ধারণ করা খাদ্য নিরাপত্তার বিপর্যয় মাত্রাকে দুর্ভিক্ষ অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর পরিণতি হচ্ছে, এরই মধ্যে কিছু কিছু দেশে সামাজিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক সহিংসতা দেখা যাচ্ছে। জি-৭ নেতারা গত জুন মাসে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবেলার জন্য অতিরিক্ত ৪৫০ কোটি ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

দুর্ভিক্ষ জলবায়ু সংকটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত: জলবায়ু সংকটে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোয় চরম ক্ষুধা বা দুর্ভিক্ষের বিস্তার ঘটছে। দাতব্য সংস্থা অক্সফাম এক প্রতিবেদনে বলেছে, বর্তমানে জলবায়ু সংকটের ফলে ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হচ্ছে। দুর্ভিক্ষ জলবায়ু সংকটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বিশ্বের অনেক অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি উন্নয়ন দাতব্য সংস্থা অক্সফাম ঝুঁকির শীর্ষে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এমন ১০টি দেশে জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে। এতে দেখা গিয়েছে, এসব অঞ্চলের মানুষ খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের চরম ক্ষুধার হার গত ছয় বছরে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক গ্যাব্রিয়েলা বুচার জানান, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর টিকটিক করা টাইমবোমা নয়, এটি আমাদের চোখের সামনে স্বরূপে হাজির। এতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চরম প্রতিকূল বিপর্যয়, যেমনÍখরা, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ৫০ বছরে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণ পাঁচ গুণ বেড়েছে।

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা বিশ্লেষণ: খাদ্যনিরাপত্তার সাথে দারিদ্র্যবিমোচনের সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার, তীব্রতা ও গভীরতা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ৫৬.৭ শতাংশ, ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৩.৫ শতাংশে। ২০২০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১৮.৬ শতাংশে কমিয়ে আনার প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ৪৫.১ শতাংশ জনগণের মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.০৫ একরের কম। জনসংখ্যার ক্রমাগত বৃদ্ধি, নগরায়ণ, শিল্পোৎপাদন ও বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে এক দিকে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস, অপর দিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যুগোপযোগী না হওয়ায় বিষয়টি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজšে§র জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে কৃষিতে বিপ্লøব ঘটেছে। জৈব প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন আধুনিক কলাকৌশল প্রয়োগে বিগত তিন দশকে বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন ও জনসংখ্যা দ্বিগুণেরও অধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। সবশেষ প্রকাশিত ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক-২০২১’ এ ১১৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৬তম। সূচকে মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ১। এর অর্থ দেশে ক্ষুধা বেড়েছে। সূচকের স্কোর অনুযায়ী বাংলাদেশে ক্ষুধার মাত্রা গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে। ২০২০ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১০৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭৫তম। ২০১৯ সালে ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৮তম এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬তম। ওই ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০২১’ এ ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য: স্বাধীনতার আদর্শে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়াই তার সরকারের লক্ষ্য বলে সবসময়ই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী তার প্রায় সকল বক্তব্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। দেশের কোনো জমি যেন ফাঁকা না থাকে সে বিষয়ে সর্বদা নজর দিতে বলেন তিনি। তিনি অঙ্গিকার নিয়ে বলেন, স্বাধীনতার আদর্শে দেশকে গড়ে তুলবো। ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসাবে।
ইউডি/সুপ্ত

