ইরানে তীব্র বিক্ষোভ-পুলিশের গুলিতে হত ৫০: হিজাব নিয়ে তুলকালাম
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১১:৪৫
হিজাব আইন লঙ্ঘনের অপরাধে পুলিশের হাতে আটক মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল ইরান। ওই ঘটনা থেকে উদ্ভূত হিজাববিরোধী বিক্ষোভে দেশটিতে ইতোমধ্যেই অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ইরানের সরকার এই বিক্ষোভকে কঠোরহস্তে দমনের ঘোষণা দিলেও দেশটিতে বর্তমান পরিস্থিতি তুলকালাম। জাতিসংঘও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিস্তারিত লিখেছেন সাদাত কবির
বিক্ষোভ ছড়িয়েছে ৮০ শহরে: মাথায় হিজাব না থাকায় গত ১২ সেপ্টেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মাশা আমিনি নামের ২২ বছরের এক তরুণী। গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চারদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাশার। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে হƒদরোগে আক্রান্ত হওয়াই তার মৃত্যুর কারণ; তবে বিক্ষোভকারী, মাশার পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ হেফাজতে মাথায় গুরুতর আঘাত করার পরই জীবনসংকটে পড়েন তিনি এবং ওই আঘাতের জেরেই তার মৃত্যু হয়। এর পরই শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিক্ষোভ দমনে সীমিত করে দেওয়া হয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, সন্ধ্যা নামার পরই তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় জড়ো হচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।

প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি’র হুমকি: ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা ও শান্তির বিরোধিতাকারীদের চূড়ান্তভাবে মোকাবেলা করতে হবে। দেশটিতে চলা বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই কথা বলেছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ ভাহিদি বলেছেন, তদারকি সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, সাক্ষীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, ভিডিওগুলি পর্যালোচনা করা হয়েছে, ফরেনসিক মতামত নেওয়া হয়েছে এবং দেখা গেছে যে কোনও মারধর করা হয়নি। মন্ত্রী বলেন, সরকার আমিনির মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে। আমাদের অবশ্যই মেডিকেল পরীক্ষকের চূড়ান্ত মতামতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যা সময় সাপেক্ষ।

আন্দোলনকারীদের শনাক্ত করতে ফেসিয়াল রিকগনিশন: হিজাববিরোধী আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে কারণে ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন’ প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের পুলিশ। ইরান প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রতিদিনই আইনশৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে শত শত নারীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তারপরও আন্দোলন থামছে না। তারা মনে করছে, আন্দোলনের পেছনে হিজাব নিয়ে উসকানি রয়েছে। সেটা বন্ধ করতেই আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের গ্রেপ্তার করতে যাচ্ছে ইরানি পুলিশ। সেজন্যই এবার প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। দেশটিতে নারীদের হিজাব পরা ও লম্বা চুল রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই আইন কোনোভাবেই বাতিল করছে না ইব্রাহিম রাইসির সরকার। বিশেষজ্ঞদের দাবি, হিজাব নিয়ে চলা আন্দোলন দ্রুত বন্ধ করতে চাইছে তেহরান।
নিহত ছাড়িয়েছে অর্ধশতাধিকেরও বেশি: মাশা আমিনির মৃত্যুর জেরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। সরকারি হিসেবে বলা হয়েছে দু’পক্ষের সংঘাতে এ পর্যন্ত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তিনগুণ; অর্থাৎ ৫১ জনেরও বেশি বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)। ইতোমধ্যে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে একাধিক পুলিশস্টেশন ও সরকারি স্থাপনা বিক্ষোভকারীরা জ্বালিয়ে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা গেছে, গত শুক্রবার ইরানের বাবল শহরে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি সম্বলিত একটি বিশাল বিলবোর্ড পুড়িয়ে দিয়েছেন সরকারবিরোধীরা।
স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ : এদিকে ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন’ প্রযুক্তি ব্যবহারের খবর সামনে আসায় ক্ষোভে ফুঁসছেন ইরানি নারীরা। তাদের অভিযোগ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এক আন্দোলনকারী নারী বলেন, এরপর তো হিজাব না পরে রাস্তায় বের হলে আমাকে চিহ্নিত করে রাখবে সরকার। সেক্ষেত্রে আমার এবং আমার পরিবারের ওপরও অত্যাচার নেমে আসতে পারে। বাধ্যতামূলকভাবে হিজাব পরার আইন বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদীরা তেহরানের রাস্তায় জড়ো হন। সেখানে তাদের চিৎকার করে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। ‘হিজাব নয়, স্বাধীনতা ও সাম্য চাই’ বলে স্লোগান দেন তারা। পাশাপাশি অনেক ইরানি নারী তাদের চুল কেটে ফেলেও সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এ অবস্থায় গত বুধবার প্রতিবাদীদের ওপর গুলি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। তাতে এক কিশোর-সহ মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের।

‘অতিরিক্ত’ শক্তি ব্যবহার না করার আহ্বান জাতিসংঘের: ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত’ শক্তি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়া এড়াতে গুতেরেস সবাইকে সংযম প্রদর্শনেরও আহ্বান জানিয়েছেন। গুতেরেসের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করার কারণে বহু মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, এমন খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা কর্তৃপক্ষের প্রতি মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সভা করার অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য ফের আহ্বান জানাচ্ছি। দুজারিক জানান, গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠককালে গুতেরেস মানবাধিকারের ইস্যুটি তুলেছিলেন। অন্যদিকে, আমিনির মৃত্যুর বিষয়ে ‘স্বাধীন দক্ষ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত শুরু করার জন্য’ গুতেরেস রাইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে দুজারিক জানিয়েছেন।

মালালা বললেন বাধ্য করলেই প্রতিবাদ করব: পুলিশি নির্যাতনে মাশা আমিনির এই মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়েছেন নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মালালা ইউসুফজাই। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, একজন নারী যাই পরুন না কেন, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি আগেই বলেছি, যদি কেউ আমাকে আমার মাথা ঢেকে রাখতে বাধ্য করে, আমি প্রতিবাদ করব। যদি কেউ আমাকে আমার স্কার্ফ খুলতে বাধ্য করে, তাহলেও আমি প্রতিবাদ করব। ইন্ডিয়ার কর্নাটকে হিজাব বিতর্কের সময় জোরপূর্বক হিজাব পরতে না দেয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন মালালা। তখনও তিনি বলেছিলেন, মেয়েদের হিজাব পরে স্কুলে যেতে দিতে অস্বীকার করা ভয়ঙ্কর। হিজাব পরা নিয়ে নারীদের মধ্যে কম-বেশি আপত্তি আছে। ইন্ডিয়ার নেতাদের অবশ্যই মুসলিম নারীদের প্রতি এই ঘটনা বন্ধ করতে হবে।
ইন্টারনেট সেবার ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা শিথিল : ইরানে ইন্টারনেট সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমাতে ইন্টারনেটসেবা নিয়ন্ত্রিত করেছে কর্তৃপক্ষ। মূলত তেহরানের এই পদক্ষেপের জবাবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ইরানি জনগণ যাতে বিচ্ছিন্ন ও অন্ধকারে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সাহায্য করতে যাচ্ছি। সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার ফলে আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারবে।
হিজাবপন্থিদের পাল্টা কর্মসূচি : বল প্রয়োগ করে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে এবার পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে দেশটির সরকার। ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ করে হিজাবপন্থিরা। মিছিল থেকে তারা ‘দাঙ্গাকারীদের’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আহ্বান জানায়। মাহসার মৃত্যুর প্রতিবাদ ও পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ‘ইসরায়েলের সেনা’ হিসেবে অবিহিত করছে হিজাবপন্থিরা। তাদের বিক্ষোভটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে। ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’, ‘আমেরিকা নিপাত যাক’, ‘কোরআনের অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা উচিত’- স্লোগানে তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর প্রদক্ষিণ করে সরকারপন্থিদের মিছিল।
বিশেষ ক্ষমতার ‘নীতি পুলিশের’ কাজ কী : ইরানের ‘নীতি পুলিশের’ হেফাজতে ২২ বছরের তরুণী মাশা আমিনির মৃত্যু দেশটির কঠোর হিজাব আইন এবং এর বাস্তবায়নকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে নারীর পোশাক নিয়ে কঠোর রক্ষণশীলতার রাষ্ট্রীয় নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়া নারীরা তাদের হিজাব পুড়িয়েও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ইরানে ইসলামের আদর্শ ও আইন ঠিকঠাক মেনে চলা হচ্ছে কি না, সেই নজরদারি করছে বিশেষ পুলিশ বাহিনী গাশত-ই-এরশাদ। কারও পোশাক ধর্মীয় নির্দেশনার সঙ্গে ‘অসঙ্গতিপূর্ণ’ হলে তাকে আটক করে এই নীতি পুলিশ। নীতি পুলিশের আছে বিশেষ ক্ষমতা। তারা যে কোনো জায়গায় নারীকে থামিয়ে দেখতে পারবে। কারো পোশাকে বা চালচলনে নিয়ম লঙ্ঘন হল কি না, চুল বেশি দেখা যাচ্ছে কি না, সালোয়ার ও কোট বেশি ছোট ও চাপা কি না অথবা তিনি মুখে অতিরিক্ত মেকআপ নিয়েছেন কি না, তা দেখভালের দায়িত্ব এই বাহিনীর। আইন অমান্য করলে শাস্তির মধ্যে রয়েছে জরিমানা, জেল ও পিটুনি। শরিয়া অনুসারী ইরানের আইনে বলা আছে, নারী তাদের চুল হিজাব দিয়ে ঢেকে রাখবে এবং লম্বা ঝুলের পোশাক পরবে। সেই সঙ্গে পোশাক হতে হবে ঢিলেঢালা, যেন তাদের শরীরের বাঁক স্পষ্ট না হয়ে ওঠে।

‘নারী, জীবন, মুক্তি’: ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর নারীদের হিজাবকে বাধ্যতামূলক করে ইরান। তবে এটি মানতে চায়নি প্রগতীশীল মতবাদীরা। অনেক পুরুষ নারীদের এই বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। এটিকে সমাজ পরিবর্তনের অংশ হিসেবে মানছেন সুইডেন ভিত্তিক ইরানি সমাজবিজ্ঞানী মেহরদাদ দারভিশপোর। এবারের বিক্ষোভের প্রধান শ্লোগান হলো- ‘নারী, জীবন, মুক্তি’, যা মূলত ধর্মীয় রীতির বিরুদ্ধে অবস্থান। এছাড়া এবারের বিক্ষোভে আগের চেয়ে অনেক বেশি অংশগ্রহণমূলক। এর আগে ২০০৯ সালে কথিত গ্রিন মুভমেন্টের সময় নির্বাচনে কারচুপির প্রতিবাদে হওয়া আন্দোলনে মধ্যবিত্তরাই অংশ নিয়েছিল। তখন বড় আন্দোলন হলেও সেটি বড় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিলো। আবার ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিলো দরিদ্রদের মধ্যে। কিন্তু এবারের আন্দোলনে মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী-উভয় শ্রেণীর মানুষের অংশ নেয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ একটি কঠিন পরিস্থিতিতে আছে। মাশা আমিনির মৃত্যু সরকারের সমর্থকদের একটি অংশকেও ঝাঁকুনি দিয়েছে। এদের অনেকের মধ্যে কিছু ধর্মীয় পণ্ডিত আছেন। তারা নারীদের বিরুদ্ধে নৈতিক পুলিশ ব্যবহারের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ইউডি/সুপ্ত

