পোল্যান্ডে বিস্ফোরিত ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত ইউক্রেনের: ন্যাটো

পোল্যান্ডে বিস্ফোরিত ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত ইউক্রেনের: ন্যাটো
‘রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে এ হামলা চালিয়েছে আমাদের কাছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। কিন্তু কোনো সন্দেহ নেই এর জন্য দায়ী রাশিয়া। কারণ তারা যদি গতকাল (মঙ্গলবার) ইউক্রেনের শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা না চালাত তাহলে এমন ঘটনা ঘটত না।’

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১১:২০

ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডের সীমান্তবর্তী একটি গ্রামে বুধবার আঘাত হানে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র। বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক জোট ন্যাটো বলছে, সম্ভবত ইউক্রেনের সেনাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র পোল্যান্ডে আঘাত হেনেছে। খবর বিবিসির।

প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল এবং ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছিল, পোল্যান্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। এ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুইজন পোলিশ নাগরিক নিহত হন।

তবে ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বুধবার জানিয়েছেন, সম্ভবত ইউক্রেনের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র পোল্যান্ডে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘খুব সম্ভবত এটি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেপণাস্ত্র।’

তবে তিনি সঙ্গে এও জানিয়েছেন, রাশিয়া এ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। কারণ তারা ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

শক্তিশালী সামরিক জোটের মহাসচিব এ ব্যাপারে বলেছেন, ‘রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে এ হামলা চালিয়েছে আমাদের কাছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। কিন্তু কোনো সন্দেহ নেই এর জন্য দায়ী রাশিয়া। কারণ তারা যদি গতকাল (মঙ্গলবার) ইউক্রেনের শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা না চালাত তাহলে এমন ঘটনা ঘটত না।’

ইউক্রেন অবশ্য এখনো দাবি করে আসছে ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়া ছুড়েছে। ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্র এটি ইউক্রেনের ছোড়া বলে জানালেও, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আবারও দাবি করেছেন এটি রাশিয়ারই কাজ।

এ ব্যাপারে জেলেনস্কি একটি টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই এটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র না। আমাদের সামরিক তথ্য অনুযায়ী, আমি বিশ্বাস করি এটি রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র।’

‘আমার কোনো সন্দেহ নেই এটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র না। আমাদের সামরিক তথ্য অনুযায়ী, আমি বিশ্বাস করি এটি রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র।’

জেলেনস্কি

ইউডি/এআই

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading