শুক্রবার ইন্ডিয়াজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৮:৩৭
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের প্রতি এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করতে ছাত্র সংগঠন ও অন্যান্য সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে, আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েক ঘণ্টার জন্য দিল্লির জন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকার কথা জানান।
তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে জ্বর ও শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই আন্দোলনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সুস্থতার জন্য সাময়িক বিশ্রাম প্রয়োজন হওয়ায় কিছু সময়ের জন্য তিনি বিক্ষোভস্থলে থাকবেন না।
এদিকে, ইন্ডিয়ার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার চারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত সিজেপির পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার পথ সব সময় খোলা রয়েছে। আন্দোলনকারীরা চাইলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আলোচনায় বসতে পারেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মোদির এই ঘোষণার পর সিজেপি আবারও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তোলে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতির জন্য সরকারের নীতিই দায়ী।
তিনি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি স্পষ্ট, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের কাছে সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা এবং আন্দোলনে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা।
ইউডি/রেজা

