মিছিল-মিটিং না করাসহ ১০ শর্তে কুমিল্লায় বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
ব্যানার-ফ্যাস্টুন, পতাকা স্ট্যান্ড হিসেবে কোনো লাঠি ব্যবহার করা যাবে না। সমাবেশ বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে শেষ করতে হবে। উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহন শহরের ভেতরে প্রবেশ করানো যাবে না। রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশের কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকতে হবে। মোটর শোভাযাত্রা ও মিছিল করা যাবে না।
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:১৬
মিছিল-মিটিং না করাসহ ১০ শর্তে কুমিল্লায় বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। শর্তের মধ্যে রয়েছে উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা ও বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করার বাধ্যবাধকতাও।
মঙ্গলবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজিব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে বুধবার (২৩ নভেম্বর) কথা বলেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
তাদের দাবি, এত শর্ত মেনে বিশাল একটি সমাবেশ করা সম্ভব না। তবে আমরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এ সমাবেশ সফল করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
কুমিল্লা টাউনহলে বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী এতে মাইকের ব্যবহার সীমিত রাখতে হবে, মিটিং-মিছিল করা যাবে না, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক ধর্মীয় মূল্যবোধ, রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন বক্তব্য রাখা যাবে না। ব্যানার-ফ্যাস্টুন ইত্যাদি ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
ব্যানার-ফ্যাস্টুন, পতাকা স্ট্যান্ড হিসেবে কোনো লাঠি ব্যবহার করা যাবে না। সমাবেশ বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে শেষ করতে হবে। উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহন শহরের ভেতরে প্রবেশ করানো যাবে না। রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশের কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকতে হবে। মোটর শোভাযাত্রা ও মিছিল করা যাবে না।
পরিবেশ পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই করতে হয়। এতসব শর্ত মেনে বিশাল একটি সমাবেশ করা সম্ভব না। তবে আমরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এ সমাবেশ সফল করতে সাংগঠনিকভাবে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
মোস্তাক মিয়া
এ ছাড়া সমাবেশে অংশগ্রহণের উদ্দেশে নেতাকর্মীদের আসা-যাওয়ার পথে কোনো নাশকতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন কর্মকাণ্ড করা যাবে না। নেতা-কর্মীরা যাতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে; দায়িত্বশীল আয়োজকদের সেই দায়িত্ব নিতে হবে। স্টেজ তৈরির সঙ্গে যারা জড়িত তারা ছাড়া অন্য কেউ সমাবেশ শুরুর আগে সমাবেশস্থলে প্রবেশ কিংবা অবস্থান করতে পারবেন না।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া মনে করেন, ‘পরিবেশ পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই করতে হয়। এতসব শর্ত মেনে বিশাল একটি সমাবেশ করা সম্ভব না। তবে আমরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এ সমাবেশ সফল করতে সাংগঠনিকভাবে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’
ইউডি/এআই

