এমআরএনএ টিকা থেকে বড় মুনাফার আশা ফাইজারের
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৯:৪৫
এমআরএনএ টিকা থেকে মুনাফা বেড়েছে ফাইজার ইনকরপোরেশনের। কেবল এ প্রযুক্তির টিকা থেকেই ২০৩০ সাল নাগাদ বার্ষিক মুনাফা এক হাজার থেকে দেড় হাজার কোটি ডলার হবে বলে আশা আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্টের। কোভিড টিকার চাহিদা কমে যাওয়া সত্ত্বেও বিপুল মুনাফার প্রত্যাশা জানাল ফাইজার।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ খবরের পর পুঁজিবাজারে ফাইজারের শেয়ারদর দুই শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৫৯ ডলারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, চলতি বছর কোম্পানিটির আয় ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে, যা মহামারীপূর্ব সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। মূলত কোভিড-১৯ টিকা ও খাওয়ার ট্যাবলেট প্যাক্সলোভিড বিক্রি থেকে মুনাফা বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির।
গত নভেম্বরে এক পূর্বাভাসে ফাইজার জানিয়েছিল, ২০২২ সালে কোভিড টিকা বিক্রি দুই হাজার কোটি ডলার থেকে বেড়ে তিন হাজার ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছবে। তবে আগামী কয়েক বছরে কোভিড সংক্রান্ত ওষুধের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ২০২৫ সাল নাগাদ ফাইজারের এক হাজার ৭০০ কোটি ডলার লোকসান হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ মুহূর্তে ফাইজার এমআরএনএ প্রযুক্তির টিকা তৈরিতে বড় বিনিয়োগ করছে। ফাইজার বলছে, জার্মান অংশীদার বায়োএনটেকের সঙ্গে মিলে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে এমআরএনএ টিকা সরবরাহে যে কাউকে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৩ সালে এ টিকা বিক্রিতে তীব্র পতন দেখা যাবে। ২০২৭ সাল নাগাদ ৬৭০ কোটি ডলারের করোনা টিকা বিক্রি হবে। যদিও বিক্রি সম্পর্কে কোনো পূর্বাভাস বা স্পষ্ট তথ্য দেয়নি ফাইজার। তবে এটা জানিয়েছে যে তাদের আরএসভি টিকা বাজারে আসবে ২০২৩ সালে। এটি ২০২৭ সালে বিক্রির সর্বোচ্চে পৌঁছবে। সে সময় ২০০ কোটি ডলারের আরএসভি টিকা বিক্রি হতে পারে।
ইউডি/এ

