মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত: রাহুল গান্ধী

মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত: রাহুল গান্ধী

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩ । আপডেট ১১:০০

মানহানির মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণার একদিন পর লোকসভা রাহুল গান্ধীকে অযোগ্য ঘোষণা করে। এরপর এর প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘আমি ইন্ডিয়ার মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। এর জন্য আমি যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত।’

শুক্রবার (২৪ মার্চ) এক টুইট বার্তায় এ কথা বলেন রাহুল গান্ধী।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) গুজরাটের সুরাটের একটি আদালতে ৫২ বছর বয়সী রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

তবে, আদালত রাহুলকে ৩০ দিনের জামিন ও আপিল করার সুযোগ দিয়েছে। এরপর শুক্রবার বিকেলে রাহুলকে অযোগ্য ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে লোকসভা সচিবালয়। ২০১৯ সালে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

সেই সময় লোকসভা নির্বাচনের প্রচারকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘চৌকিদার চোর’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘সব মোদিরা চোর কেন? সব চোরের উপাধি কি করে ‘‘মোদি’’ হয়।’

এদিকে, রাহুলের বোন ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাহুলকে একজন শহীদ প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বলে অভিহিত করে বলেছেন, ‘তাকে (রাহুল) মীর জাফর বলা হয়েছে এবং তার পরিবারকে অপমান করা হয়েছে। কিন্তু তিনি মাথা নত করবেন না। কারণ তিনি এমন একটি পরিবারের সদস্য, যারা তাদের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে লালন-পালন করেছেন।’

একের পর এক টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি, আপনার চাটুকাররা শহীদ প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে বিশ্বাসঘাতক বলেছেন, মীর জাফর বলেছেন। আপনাদের একজন মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, রাহুল গান্ধীর বাবা কে? কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঐতিহ্য অনুসরণ করে, একটি ছেলে তার বাবার মৃত্যুর পর তার পরিবারের ঐতিহ্য বজায় রেখে পাগড়ি পরে।’

মোদিকে উদ্দেশ্য করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘পুরো পরিবার ও কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়কে অপমান করে, আপনি সংসদে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেন আমরা নেহরুর নাম রাখি না। কিন্তু কোনো বিচারক আপনাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেননি। আমি আপনাকে সংসদে অযোগ্য ঘোষণা করিনি।’

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading