বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে হেরে বললেন, ‘গণতন্ত্র বহাল আছে’
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ১৪:৪৫
ফিনল্যান্ডে ত্রিমুখী নির্বাচনী দৌড়ে জয় পেয়েছেন রক্ষণশীল নেতা পেটেরি অর্পো। প্রধানমন্ত্রী সানা মারিনের কেন্দ্র বামকে পরাজিত করেছেন তিনি।
রোববার (০২ এপ্রিল) ভোটে জিতে ন্যাশনাল কোয়ালিশন পার্টির (এনসিপি) নেতা অর্পো বলেন, ‘একটি নাটকীয় রাতের পর আমরা বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছি।’
ন্যাশনাল কোয়ালিশন পেয়েছে ২০.৮ শতাংশ ভোট। সানার দল সোশাল ডেমোক্র্যাট পেয়েছে ১৯.৯ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফিনস পার্টি পেয়েছে ২০.১ শতাংশ ভোট।
এবারের ভোটে অনেকটা তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী সারা মারিনের সোশাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। মারিন নেতৃত্বাধীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসডিপি) ২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসে৷ মাত্র ৩৪ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি৷
সারা মারিনের নেতৃত্বেই ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে ঢোকার পথ সুগম হয়েছে। করোনা মহামারি দারুণভাবে মোকাবিলা করে বিশ্ব দরবারে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন সানা। ধারণা করা হচ্ছিল এবারও ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছেন সানা। তবে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করলেন রক্ষণশীল অর্পো।
অর্পো জয় দাবি করার কিছুক্ষণ পর ফল মেনে নেন সানা। সমর্থকদের তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ীকে অভিনন্দন। ন্যাশনাল কোয়ালিশন পার্টিকে অভিনন্দন। ফিনস পার্টিকে অভিনন্দন। গণতন্ত্র বহাল আছে।’
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোট বিবেচনায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সানা মারিনের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসডিপি)। ১৯.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে তারা। আর ২০.১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে জাতীয়তাবাদী ফিন্স পার্টি।
এবারের নির্বাচনে ফিনল্যান্ডের তিনটি বড় রাজনৈতিক দল ২০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেলেও কেউই এককভাবে সরকার গঠনের যোগ্যতা অর্জন করেনি। পার্লামেন্টের ২০০টি আসনের বিপরীতে রোববার ফিনল্যান্ডের ২২টি রাজনৈতিক দলের দুই হাজার ৪০০ জনের বেশি প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন।
২০১৯ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ সরকার প্রধান হয়ে ফিনল্যান্ডের ক্ষমতায় আসেন সানা মারিন। শক্তহাতে কোভিড মহামারি মোকাবেলা এবং ন্যাটোতে ফিনল্যান্ডের যোগ দেওয়ার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
চার বছর ধরে পাঁচ দলের সমন্বয়ে গঠিত জোট সরকাররের নেতৃত্বে ছিলেন সানা মারিন, তার জোটের সবকটি দলের নেতৃত্বেই রয়েছেন নারীরা।
ইউডি/এ

