আনন্দের বারতা নিয়ে এলো ঈদ
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ০৭:১০
এক মাস সংযম পালনের পর আনন্দের বারতা নিয়ে এলো ঈদ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শহর ছেড়ে গ্রামে গেছে লাখো মানুষ; শহর আর গ্রামে খুশির জোয়ার নিয়ে হাজির হয়েছে ধর্মীয় এ উপলক্ষ। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ, আনন্দ ও উদ্দীপনার মধ্য সারাদেশে পালিত হবে দিনটি।
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশি। ঈদ মানে কোলাকুলি, করমর্দন। ঈদ মানে কোমলমতি শিশুদের উচ্ছ্বাস আর উল্লাস, স্বজন আর বন্ধুদের মিলনমেলা। ঈদ মানে প্রতিবেশীদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা দেওয়া। নাড়ির টানে গ্রামে গিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে একত্র হওয়া। নতুন জামাকাপড় পরা।
রাষ্ট্রপতি হিসাবে এবার শেষবারের মত দেশবাসীর উদ্দেশে ঈদের শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন মো. আবদুল হামিদ, টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ঈদের ঠিক পরদিন অবসরে যাচ্ছেন তিনি। সবাই যেন ঈদের আনন্দ সমানভাবে উপভোগ করতে পারে, সেজন্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
কুসংস্কার পরিহার করে ইসলাম ধর্মের শান্তির বার্তা প্রতিষ্ঠার উপর ঈদের শুভেচ্ছা বাণীতে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশবাসীকে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।
ঈদ সামনে রেখে সাজানো হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক; নানা রঙের পতাকা টানানো হয়েছে সড়ক বিভাজকগুলোতে। ঈদ উপলক্ষে শনিবার দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশু পরিবার, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, সেইফ হোম, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশনগুলো ঈদের আগে-পরে কয়েক দিন ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে। ঈদ ঘিরে জাতীয় পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থানীয়ভাবেও সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দেশব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
ইউডি/এজেএস

