মানবজাতির জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ খুনি রোবট!
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩ । আপডেট ১৪:০৫
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের ফলে অস্ত্র এখন চালনাকারী ছাড়াই মানুষকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটি এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কোনও অফিসার আক্রমণের নির্দেশ না দিয়ে বা কোনও সৈনিক ট্রিগার না চাপলেও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব। এগুলোর পোশাকি নাম লিথাল অটোনমাস উইপনস সিস্টেম হলেও বিশেষজ্ঞরা ‘খুনি রোবট’ নামেই ডাকেন। যা সামনের দিনে সংঘাতকে আরও নৃশংস করে তুলতে শঙ্কা বাড়াচ্ছে গোটা বিশে^ই। এ নিয়ে আরেফিন বাঁধনের প্রতিবেদন
যুদ্ধক্ষেত্রে নৃশংসতা বাড়াচ্ছে ‘খুনি রোবট’: স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে (খুনি রোবট) মানুষের হাতে কোনো ‘কিল সুইচ’ বা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকে না। এর পরিবর্তে যন্ত্রটি নিজেই তার সেন্সর, সফটওয়্যার ও কারিগরি প্রক্রিয়া ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আক্রমণ করতে সক্ষম এ রোবটগুলো হতে পারে ড্রোন, রাইফেল, বোমা, সাঁজোয়া যান ইত্যাদি। এগুলোর পোশাকি নাম লিথাল অটোনমাস উইপনস সিস্টেম। এ ক্ষেত্রে মানুষের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বেড়ে চলা ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উত্তাপের মধ্যেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি এই মেশিনগুলো ব্যবহারের বিষয়ে কোন ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারে? এই ধরনের অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট নৈতিক, আইনগত এবং প্রযুক্তিগত হুমকিগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে ছড়িয়ে যাওয়ার আগেই কি সবাইকে থামানো উচিত নয়? কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই প্রশ্নগুলো করেছিল, শীর্ষস্থানীয় রোবট বিশেষজ্ঞদের কাছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা এই মুহূর্তে নেই। তবে সব দিক থেকে দাবি উঠছে বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথ থেকে জোরালোভাবে এ ধরনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারের বিরুদ্ধে যে ধরণের বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা দিয়ে হত্যাকারী রোবট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রধান সামরিক শক্তিগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পায় বলে তারা এগুলো ব্যবহারে উৎসাহী। আমেরিকা, চীন, ব্রিটেন, ইন্ডিয়া, ইরান, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এবং তুরস্ক সহ অনেক দেশ সাম্প্রতি এই ধরনের অস্ত্র তৈরিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।
ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার হচ্ছে স্বচালিত অস্ত্র: জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন বলছে, লিবিয়ায় যোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করতে ২০২০ সালে তুর্কি প্রথম তাদের নিজেদের তৈরি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির কার্গু-২ ড্রোন নামক হত্যাকারী রোবট ব্যবহার শুরু করেছিল। বর্তমান সময়ের ইউক্রেনের যুদ্ধেও এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চলমান যুদ্ধে মস্কো এবং কিয়েভ দুই দেশই শত্রু এবং অবকাঠামোতে আঘাত হানতে হত্যাকারী রোবট মোতায়েন করেছে। এই ধরনের মেশিনের উত্থান এবং তৈরিতে বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ এবং কূটনীতিকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক চলছে। কারণ রোবট ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সেগুলো কীভাবে বন্ধ করা যায় তা নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ^।
‘যুদ্ধকৌশল’ হিসেবে সামরিক বাহিনীগুলোর আগ্রহের শীর্ষে: রোবটগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা ঠিক করে কোনো টার্গেটের ওপর আক্রমণ করবে কিনা। এগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠালে মানুষের আর নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। দূর থেকেই এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় দরকারমাফিক কোন ধরনের হতাহত ছাড়াই। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আক্রমণ করতে সক্ষম এ রোবটগুলো হতে পারে ড্রোন, রাইফেল, বোমা, সাঁজোয়া যান ইত্যাদি। এগুলোর পোশাকি নাম লিথাল অটোনমাস উইপনস সিস্টেম। এগুলো এখনো সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করতে দেখা না গেলেও ইউক্রেন যুদ্ধে এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধবিদ্যার ক্ষেত্রে কিলার রোবট আবিষ্কারকে সাড়াজাগানিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ঠিক যেভাবে বারুদ ও নিউক্লিয়ার বোমা যুদ্ধক্ষেত্রের অনেক হিসাবনিকাশ পাল্টে দিয়েছিল, তেমনিভাবে কিলার রোবটগুলো বর্তমানে ও ভবিষ্যতে প্রচলিত যুদ্ধকৌশলের খোলস বদলে দিতে পারে। গভর্নেন্স অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রোগ্রামের ডিরেক্টর বুলানিন আল জাজিরাকে বলেন, বর্তমানে যে রোবট অস্ত্রগুলো ইতিমধ্যেই চালু আছে এরকম একটি উদাহরণ হল মার্কিনদের তৈরি এমআইএম-১০৪ প্যাট্রিয়ট সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম যা বর্তমানে সৌদি আরব এবং ইসরায়েল সহ অনেক দেশ ব্যবহার করে।
বিশ্ব শাসনের হাতিয়ার হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকসে অগ্রগতির হাত ধরে ধারাবাহিকভাবে স্বচালিত অস্ত্র ব্যবস্থারেও উন্নয়ন ঘটছে৷ এখন শিক্ষা গ্রহণে সক্ষম যন্ত্র আবিষ্কার হয়েছে-মানব মস্তিষ্কের মতো সেগুলো কৃত্রিম স্নায়ুবিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা সঞ্চিত করে৷ একে কাজে লাগানো হচ্ছে অস্ত্র শিল্পে৷ সেগুলো ব্যবহার করে সৈনিকদের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকিও কমিয়ে আনা হচ্ছে৷ স্বাধীনভাবে মাইন খুঁজে তা নিস্ক্রিয়কারী রোবোটকে সবাই স্বাগত জানাবে কিন্তু নিজের মতো করে ‘টার্গেট’ ঠিক এবং শনাক্ত করে মানুষ হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থি৷ সামরিক কর্মকাণ্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে বিপুল অর্থ বিনিয়োগকারী আমেরিকা, ব্রিটেন, ইসরায়েল ও রাশিয়ার মতো দেশগুলো স্বচালিত অস্ত্রের ওপর নিষধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করছে৷ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে একদল স্কুলশিশুর প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নেতৃত্বদাতারাই বিশ্ব শাসন করবে৷ এক্ষেত্রে আমেরিকা বা চীনই ভবিষ্যতে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি৷ আমেরিকা সরকার এখন ব্যাপকভাবে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে৷ এসব অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে থাকার বাধ্যবাধকতা আরোপ নিয়ে জেনেভায় একটি আলোচনায় স্বচালিত অস্ত্রকে একটি ‘ভালো বিষয়’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে আমেরিকা৷ আমেরিকার কর্মকর্তারা দাবি করেন, যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিক হত্যা এবং নিজেদের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এসব অস্ত্র সহায়তা করে৷ এর পক্ষে আরো যুক্তি দিয়ে তারা বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্যের ভারে একজন সৈনিক বিভ্রান্ত হতে পারেন, কিন্তু কম্পিউটার সেগুলো সহজভাবে নিতে পারে এবং তুলনামূলক কম ভুল করে৷
নিষিদ্ধের বিরোধিতা করছে পরাশক্তিধর দেশগুলো: আলজাজিরা বলছে, জাতিসংঘের একটি প্যানেলের প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে এই শিল্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ জরুরি হওয়ার বিষয় সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম স্বয়ংক্রিয় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল লিবিয়ায়। ২০১৯ সালে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কনভেনশন অন সার্টেইন কনভেনশনাল উইপনস (সিসিডব্লিউ) সম্মেলনে ১২৫টি পক্ষকে নতুন নীতিমালা তৈরিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তবে সম্মেলনে লেথাল অটোনোমাস উইপন সিস্টেমস (এলএডব্লিউএস) তৈরি ও এর ব্যবহার ঠেকানো নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। জেনেভায় পাঁচ দিনের সম্মেলনে উপস্থিত এলএডব্লিউএসের নির্মাতা দেশগুলো অনেক শর্ত দিয়ে তাদের অসম্মতি জানিয়েছে। বিশেষ করে যন্ত্রচালিত অস্ত্রের ক্ষেত্রে তারা এ অসম্মতি জানায়। রাশিয়া, ইন্ডিয়া ও আমেরিকার পক্ষ থেকে এলএডব্লিউএস চুক্তির বিষয়ে আপত্তি এসেছে সবচেয়ে বেশি। তবে ৬৮টি রাষ্ট্র জাতিসংঘে এ বিষয়ে আইন করার আহ্বান জানিয়েছে। সম্মেলনের ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করে সুইজারল্যান্ডের নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক রাষ্ট্রদূত ফেলিক্স বাউম্যান বলেছিলেন, বর্তমানে আলোচনায় যে অগ্রগতি, তাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের গতি আমাদের আলোচনাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের এই অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সিভিল সোসাইটি৷ স্বচালিত অস্ত্রের বিরুদ্ধে অ্যামেরিকান ফিউচার অব লাইফ ইনস্টিটিউটের তৈরি করা একটি পিটিশনে ২৩০টির বেশি সংস্থা এবং তিন হাজারের বেশি ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন৷ তাদের মধ্যে টেসলা বস এলন মাস্ক এবং গুগলের দ্বীপ মাইন্ডের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তা ও গবেষকরা রয়েছেন৷ স্বাক্ষরদাতারা প্রাণঘাতী স্বচালিত অস্ত্রের বিকাশে সহায়তা করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷ পাশাপাশি এসব অস্ত্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ‘কঠোর আন্তর্জাতিক আইনে’র আহ্বান জানিয়েছেন৷
গভর্নেন্স অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রোগ্রামের ডিরেক্টর বুলানিন আল জাজিরাকে বলেন, আমরা একটি প্রযুক্তির ক্ষমতা সম্পর্কে কথা বলছি, যা বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র সিস্টেমে জুড়ে বিভিন্ন ধরণের মিশনে ব্যবহার করা যেতে পারে। সুতরাং আপনি যদি কিছু নিষিদ্ধ করতে চান, আপনাকে ঠিক সেই ধরনের অস্ত্র বা পরিস্থিতি আগে ঠিক করতে হবে যা আপনি বিশেষভাবে সমস্যাযুক্ত বলে মনে করেন। বুলানিন মনে করেন পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে, একটি দ্বি-স্তরের নীতিমালা তৈরি আরও বাস্তবসম্মত ফলাফল হবে। তিনি বলেন, কিছু অস্ত্র ব্যবস্থা নিষিদ্ধ করতে হবে এবং অন্যরা যদি অনুমতি নেয় তাদেরকে কঠোর শর্ত পূরণ করে তারপর ব্যবহার করতে হবে।

নিয়ন্ত্রণে আইনি নীতিমালা জরুরি, বলছেন বিশেষজ্ঞরা: ২০২২ সালের জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা এড়ানোর বিষয়ে চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ফ্রান্সের একক সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। যে নথিতে পারমাণবিক শক্তিধরদেশগুলো নিশ্চিত করেছে যে, যুদ্ধে পারমাণবিকের ব্যবহার কখনোই হতে পারে না। একইভাবে স্বচালিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সর্বজনীনভাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেখানে প্রধান শক্তিধর দেশগুলো এই বিষয়ে তাদের অবস্থান প্রকাশ করবে এবং আইন অনুযায়ী নীতিগত বিষয়গুলো মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেবে। বুলানিন বলেন, এটি এমন একটি প্রশ্ন যেটির বিষয়ে দেশগুলোর ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। রাশিয়া এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারে আইনের ব্যাপারে খোলামেলাভাবেই দ্বিমত পোষণ করেছে। অন্যদিকে ব্রিটেন, আমেরিকা এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার বন্ধে প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে আগে রাজনৈতিক ঘোষণা চায়। চীন ও ইন্ডিয়ার মত কিছু রাষ্ট্রের এ বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আসল পুশব্যাক গ্লোবাল সাউথের বৃহৎ অংশ থেকে আসছে। বিশেষ করে ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য-যারা আইনত বাধ্যতামূলক একটি সমাধান খুঁজছে। ২০১৩ সালে হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলেও বিষয়টি আলোচনায় ছিল। কিন্তু তখন স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র মানুষের অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দিতে পারে- এ কথা বলে এবং এমন অস্ত্র নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব রেখে নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি খুব বেশি সাড়া পায়নি। ১৬০টি এনজিওকে সঙ্গে নিয়ে বিষয়টির পক্ষে প্রচার চালানোয় সময়কে অনেক অনুকূলে নিয়ে আসতে পেরেছে এইচআরডাব্লিউ। এইচআরডাব্লিউ জানিয়েছে, মানবজাতিকে ‘খুনি রোবটের’ হাত থেকে বাঁচানো যে খুব দরকার তা এখন অনেক দেশই বুঝতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ৩০টি দেশ ‘খুনি রোবট’ অর্থাৎ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইউডি/কেএস

