সাইবার অপরাধ: উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২১ মে ২০২৩ । আপডেট ১৩:৫০
দেশে ক্রমেই বাড়ছে নতুন ধরনের সাইবার অপরাধের মাত্রা। বুলিং কমলেও সাইবার অপরাধের বেশি শিকার নারী ও শিশুরা। বেড়েছে আর্থিক প্রতারণা। সাইবার জগতে শিশু ভুক্তভোগীদের হার ক্রমেই বাড়ছে। অ্যাপের মাধ্যমে ঋণের নামে ফাঁদের মতো অভিনব পদ্ধতিতে নানা ধরনের আর্থিক অপরাধের প্রবণতা বাড়লেও কমেছে আইনের শরণাপন্ন হওয়ার প্রবণতা। এমনকি অনেকে জানেনও না আইনি প্রতিকার কীভাবে নিতে হয়। এ নিয়ে আসাদ এফ রহমান’র প্রতিবেদন
অপরাধের মাত্রা বেড়েছে ৩৮১ দশমিক ৭৬ শতাংশ: সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নতুন ধরনের সাইবার অপরাধের মাত্রা বেড়েছে ৩৮১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। সাইবার স্পেসে ভুক্তভোগীদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতে শনিবার (২০ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে প্রকাশিত বাংলাদেশ সাইবার অপরাধপ্রবণতা-২০২৩ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের (সিক্যাফ) ধারাবাহিকভাবে পঞ্চমবারের মতো প্রকাশিত এই প্রতিবেদন আরও বলা হয়, অপরাধগুলোর মধ্যে বেশি হচ্ছে চাকরি দেওয়ার নামে মিথ্যা আশ্বাস এবং অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা। সিক্যাফ’র গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হলেও গত পাঁচ বছরে তুলনামূলকভাবে কমছে সাইবার বুলিং সংশ্লিষ্ট অপরাধের ঘটনা (অনলাইন ও ফোনে বার্তা পাঠানো, পর্নোগ্রাফি, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও ছবি বিকৃতি)। এ ধরনের অপরাধ ২০২২ সালে ৫২ দশমিক ২১ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে, যা ২০১৭ সালে ছিল ৫৯ দশমিক ৯০ শতাংশ।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে শীর্ষে নারী, শিশু হার বেড়েছে ১৪০%: ২০২২ সালের জরিপের মতোই জেন্ডারভিত্তিক তুলনামূলক পরিসংখ্যানে নারীরাই সাইবার অপরাধের শিকার সবচেয়ে বেশি। এরমধ্যে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমের আইডি হ্যাকিংয়ের শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫.১৮ শতাংশ নারী। শিশু ভুক্তভোগীদের হারও ক্রমেই বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক। ২০২৩ সালের জরিপে ভুক্তভোগীদের ১৪.৮২ শতাংশের বয়সই ১৮ বছরের নিচে, যা ২০১৮ সালের জরিপের তুলনায় ১৪০.৮৭ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিকমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি (২ শতাংশের বেশি) অপপ্রচারের শিকার হয় শিশুরা। বয়সভিত্তিক অপরাধের ধরণে ভুক্তভোগীদের মধ্যে তরুণরা (১৮-৩০ বছর) সর্বোচ্চ (১২ শতাংশের বেশি) একই ধরনের অপরাধের শিকার। ২০২৩ সালের জরিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাই ভুক্তভোগী। ২০১৮ সালে জরিপ থেকে এ পর্যন্ত একাধারে এই বয়সী ভুক্তভোগীর সংখ্যা সর্বোচ্চ এবং তাদের মধ্যে অধিকাংশই সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টে অপপ্রচার ও আইডি হ্যাকিংয়ের শিকার।

অভিযোগ দিতে অনীহা: ৫৫% ভুক্তভোগী জানেন না আইন: সমীক্ষা বলছে, ভুক্তভোগীদের ৫৫ শতাংশই জানেন না বাংলাদেশের প্রচলিত তথ্যপ্রযুক্তি আইন সম্পর্কে। গত পাঁচ বছর ধরেই ভুক্তভোগীদের গড়ে প্রায় অর্ধেকই আইন বিষয়ে অজ্ঞ। ২০২৩ সালে পরিচালিত পাঁচটি জরিপে সাইবার অপরাধের শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে কতজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেছেন, তার ফল উদ্বেগজনক। জরিপে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের মধ্যে অভিযোগকারীর সংখ্যা দিন দিন কমছে। ২০১৮ সালের জরিপে যেখানে অভিযোগকারীর শতকরা হার ছিল ৬১ শতাংশ, সেখানে ২০২৩ সালে কমে হয়েছে ২০.৮৩ শতাংশ। ২০২৩ সালে জরিপ বলছে, আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হার ২৪ শতাংশ ভুক্তভোগীর সিংহভাগই জানেন না কীভাবে কোথায় কার কাছে অভিযোগ করতে হবে। দ্বিতীয়ত গোপন রাখতে চায় ২০ শতাংশ, আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উল্টো হয়রানির কথা জানিয়েছেন ১৮ শতাংশ ভুক্তভোগী। আবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েও ৮০ শতাংশ ভুক্তভোগী অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। সিক্যাফ কার্যনির্বাহী সদস্য খালেদা আক্তার লাবনীর সঞ্চালনায় প্রতিবেদনের ওপর আলোচনা করেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন (আইএসপিএবি) মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঞা, বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস মহাপরিচালক ব্রিগে.জে. মো. নাসিম পারভেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. মুশফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) গবেষণা কর্মকর্তা নাহিয়ান রেজা সাবরিয়েত।
সচেতনতার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে জোর দেয়ার আহ্বান: সাইবার জগৎ যেমন আলো ও জ্ঞানের পথ দেখায়, তেমনি আছে হয়রানি, ভোগান্তি ও নিরাপত্তার ঝুঁকি। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাইবার জগতে পদচারণা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি। এখান থেকে বাঁচার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। একইসঙ্গে দরকার নিজস্ব ডেটা সেন্টার এবং নিয়ন্ত্রণে নেই এমন প্রতিষ্ঠানে তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার অপরাধ বিরোধী নানা পদক্ষেপ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কেন যান না, তা একটি বড় প্রশ্ন। ধর্ষণের বিষয়েই যদি বলি, নানা ধরনের প্রমাণ একজন নারীকে দিতে হয়। আলামত নষ্ট হয়ে গেলে সেটা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ১৮ বছরের নিচে বাচ্চাদের কাছেও এখন যেভাবে মোবাইল পৌঁছে গেছে, তাদের অপরাধের সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাই এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে পরিবার থেকেই। রাশেদা রওনক খান বলেন, নানা কারণে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি। আমাদের সন্তানদের সঙ্গে মিশতে হবে। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে এলে যোগাযোগ হচ্ছে। আবার যখনই শেষ হয়ে যায় আর যোগাযোগ নেই। এই বিচ্ছিন্নতার কারণে আত্মহত্যাও করে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বেশ কয়েকজন আত্মহত্যা করেছে। অথচ তাদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ ছিল। কিন্তু তারা বিচ্ছিন্ন, একাকিত্বে ও নিঃসঙ্গতায় ভুগে আত্মহত্যা করেছে। সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, নিজেদের তৈরি নয়, আমরা অজানা জায়গা থেকে আসা প্রযুক্তি ব্যবহার করি। তাছাড়া সাইবার দুনিয়াটা পুরোটাই ধোঁয়াশায় পূর্ণ। এর মধ্যে এসেছে চ্যাটজিপির বিষয়টি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) গবেষণা কর্মকর্তা নাহিয়ান রেজা সাবরিয়েত বলেন, গবেষণার মাধ্যমেই সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার হয়। সংখ্যাভিত্তিক গবেষণা আন্তর্জাতিক পরিমøলে সমাদৃত। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের এলাকা, পেশা, অবস্থান ইত্যাদি বিষয় প্রকাশের পরামর্শ দেন তিনি। একইসঙ্গে তাদের স্টোরিগুলো তুলে আনার আহ্বান জানান। ভুক্তভোগীদের মধ্যে শিশু ও তরুণদের হার মোটেই নেগলিজেবল নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, মাল্টিস্টেক কমিউনিটি অ্যাপ্রোচে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিতে বিটিআরসি’র উদ্যোগ: সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিতে ও ভুক্তভোগীদের সহযোগিতায় সাইবার সিকিউরিটি কল সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেসের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা একটি সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক কল সেন্টার চালু করতে যাচ্ছি। এটি শুধুমাত্র সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক কল সেন্টার হবে। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ-শিশু সকলেই সেবা নিতে পারবেন। কেননা সাইবার অপরাধের ভুক্তভোগী শুধুমাত্র নারী বা শিশু নয়। আমরা সকলেই এর ভুক্তভোগী। এখানে সকলেই তার সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারবেন। কল সেন্টারে সাইবার সিকিউরিটি এজেন্ট থাকবে। কেউ যদি পরামর্শ চায়, তাহলে সেটিও দেওয়া হবে। বেশিরভাগ মানুষ জানে না কোন পরিস্থিতিতে তার কি করা উচিত। এজেন্টরা মানুষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে। কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করতে চায়, সেক্ষেত্রেও সহযোগিতা দেওয়া হবে। সাইবার নিরাপত্তায় শিক্ষকদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে নাসিম পারভেজ বলেন, গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সাইবার অপরাধে আমাদের ছাত্ররা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের সন্তানরা যখন পড়াশুনা করে তখন তারা বাবা-মায়ের থেকেও শিক্ষকদের কথার বেশি গুরুত্ব দেয় এবং সম্মান করে। তাই শিক্ষকদের মাধ্যমে তাদের মনস্তাত্ত্বিক পর্যায়ে সাইবার স্পেস সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। সাইবার স্পেস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। সাইবার স্পেসের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটা সময় একটি দেশের শক্তিমত্তা বুঝাতে তার কয়টা ট্যাংক, যুদ্ধ বিমান আছে তা দিয়ে নির্ধারণ করা হতো। অর্থাৎ সামরিক দিক থেকে কার সক্ষমতা কত বেশি তা দিয়ে শক্তিমত্তার বিচার করা হতো। ইদানীং সাইবার স্পেসের সক্ষমতা দিয়ে শক্তিমত্তার যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে সাইবার জগত মারণাস্ত্রের থেকে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। ইদানীং মায়েরাও মোবাইল ও প্রযুক্তিগত নানা উপকরণ ও তাদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। সন্তানরাও তাদের মতো ব্যস্ত। খাবার খাওয়ার সময়ও সে ফোনে বুদ হয়ে যাবে। সে একটি ভিন্ন দুনিয়ায় পরিভ্রমণ করছে। সাইবারে সে একটা ভিন্ন জগতে বেড়ে উঠছে, সেখানে তার বন্ধুও গড়ে উঠছে। কিন্তু বড় হওয়ার পর সে যখন জীবনের বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে তখন সে এই দুনিয়াকে চিনতে পারছে না। কেননা এটা তার কাছে একটি অপরিচিত জগত। আমাদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে মনোযোগী হওয়া উচিত।

গুগল-ফেসবুক এর ডাটা সেন্টার স্থাপনে বাধ্যকরার দাবি: যে কন্টেন্ট আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না তা দেশে প্রবেশ করতে না দেয়ার বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে গুগল-ফেসবুক-কে বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব ডাটা সেন্টার স্থাপনে বাধ্য করতে বিটিআরসি’র প্রতি অনুরোধ জানান ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন-আইএসপিএবি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ২৭০০ আইএসপি-কে ডিডস আক্রমণ করা হচ্ছে। সাইবার থ্রেটটা আগামীর জন্য খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তিতে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। নীতিতেও আছে সীমাবদ্ধতা। এই সীমাদ্ধতা অতিক্রম করতেই আমরা আক্রান্ত হচ্ছি। ব্যান্ডউইথ প্রবেশের সময়েই রাষ্ট্রের পক্ষেই এটি সুরক্ষিত কি না তা নিশ্চিত করা দরকার। তিনি বলেন, সাইবার জগতে মানুষের প্রবেশ দিন দিন বাড়ছে, সামনে আরও বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে ঝুঁকিও। সবাই কোনো না কোনোভাবে সাইবার অপরাধের ঝুঁকিতে আছি। তিনি বলেন, চীনসহ অনেক দেশই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর অনুমতি দেয়। আমাদেরও সেরকম করা উচিত। কিন্তু আমাদের হচ্ছে উল্টো। আমরা আগে অনুমতি দিই এবং ঝুঁকি, নিরাপত্তাহীনতায় পড়লে প্রতিরোধ, প্রশিক্ষণের পথ দেখি। অপরাধ ঘটার আগে সেটা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
ইউডি/এজেএস/কেএস

