জলবায়ু পরিবর্তন বড় ‘হুমকি’: জাতিসংঘ

জলবায়ু পরিবর্তন বড় ‘হুমকি’: জাতিসংঘ

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩ । আপডেট ১৪:৩০

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে খরা, বন্যা, দাবদাহ ও ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুযোর্গের সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশের ওপর ফেলছে বিরূপ প্রভাব ফলে বিভিন্ন কারণে বাড়ছে মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা, সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিও। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাম্প্রতিক গবেষণা ও জরিপগুলো জাগাচ্ছে শঙ্কা, যা বিশ্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে। এ নিয়ে আসাদুজ্জামান সুপ্ত’র প্রতিবেদন

নিনো ওয়েদার প্যাটার্ন: ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার শঙ্কা : বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। সম্প্রতি সংস্থাটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উষ্ণতা বৃদ্ধির বিষয়টি পরিলক্ষিত হবে। ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলেও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। ব্রিটেনের মেট অফিসের দীর্ঘকালীন আবহাওয়া পূর্বাভাসের প্রধান অ্যাডাম স্কেইফ বলেছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে ৬৬ শতাংশ। ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো আমরা তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধির এতো কাছাকাছি রয়েছি। গত বছর বলা হয়েছিল, পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির এ সম্ভাবনা ৫০-৫০। উষ্ণতা বৃদ্ধির আংশিক কারণ হলো এল নিনো ওয়েদার প্যাটার্ন। আগামী কয়েক মাসে এ প্যাটার্ন তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক এ বিষয়টি যে সময় ঘটে তখন গ্রীষ্মমন্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ পানি উপরের বায়ুমন্ডলকে গরম করে দেয়, যার কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব পিটারি টালাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, এল নিনোর সঙ্গে মানবিক কারণে পরিবর্তিত জলবায়ু বিশ্বের তাপমাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, যেটির সঙ্গে আমরা পরিচিত নয়। যদিও বৈশ্বিক তাপমাত্রা হয়ত ১ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে না। কিন্তু এ শঙ্কা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা মাত্র ১০ শতাংশ। সেটি বেড়ে এখন ৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা মূলত অনুমানের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘকালীন আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৫ বছরের যে কোনো একটি বছর পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম হবে। যা ২০১৬ সালের রেকর্ড ভেঙে দেবে। ওই বছর পৃথিবীর তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

৫০ বছরে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নারী ও শিশু
বৈরি আবহাওয়ার কারণে গত অর্ধ শতাব্দীতে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটির সোমবার (২২ মে) প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১১ হাজার ৭৭৮টি আবহাওয়া-সম্পর্কিত বিপর্যয় ঘটেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই দুর্যোগের কারণে বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশেরও বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। ডব্লিউএমও’র ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনে ১৯৭০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুর্যোগ সম্পর্কিত মৃত্যু এবং ক্ষয়ক্ষতির রেকর্ড রয়েছে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুরুর দিকে প্রতি বছর ৫০ হাজারের বেশি মৃত্যু দেখেছে বিশ্ব। তবে ২০১০ সালের দিকে সেই সংখ্যাট নেমে ২০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ডব্লিউএমও সোমবার জানায়, ২০২০ এবং ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী ২২ হাজার ৬০৮টি দুর্যোগের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সতর্কতা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য এই বিপর্যয়মূলক মৃত্যুর হার এখন ইতিহাস। প্রাথমিক সতর্কতা জীবন বাঁচায়। বিশেষজ্ঞদের মতে জলবায়ু পরিবর্তন তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঝড় , বন্যা, খরা, দাবানল ও বায়ু দূষণের পাশাপাশাপি খাদ্য নিরাপত্তায়ও প্রভাব পড়ছে। বায়ু দূষণের কারণে ৯১ শতাংশ শিশুর অকাল মৃত্যু হয় নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলিতে। সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে তেমনই দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিশেষভাবে ঝুঁকি কমাতে ও জলবায়ু জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতি ও কর্মসূচিতে নারী ও শিশুর প্রতি ফোকাস বাড়ানোর জন্য আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন। বায়ু দূষণে প্রতি বছর ৬০ লক্ষ শিশুর জš§ সময়ের আগেই হয়ে যায় বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। জলবায়ু পরিবর্তন অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণে বায়ু দূষণের জন্য হাঁপানিতে আক্রান্ত মহিলাদের এই ঝুঁকি ৫২ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। চরম তাপের কারণ ১৬ শতাংশ ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যদিও জলবায়ুর প্রভাব বিশ্বের সব ক্ষেত্রেই অনুভূত হচ্ছে। তবে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত যারা তারাই এই সংকটের জন্য সবথেকে কম দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ু দূষণের কারণে অকাল মৃত শিশুদের ৯১ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে হচ্ছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ৯৮ লাখ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাধ্য হয়ে ঢাকায় এসেছেন। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে। গত শুক্রবার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে যেসব ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে এর প্রভাবে মানুষের বাড়িঘর, জমি ধ্বংস হয়েছে। এতে মানুষ কর্মের জন্য ঢাকামুখী হয়েছে। ঢাকা শহরে বর্তমানে যত মানুষ বসবাস করে তার ৪০ শতাংশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গ্রাম থেকে কর্মের সন্ধানে ঢাকায় এসেছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের প্রায় ২ কোটি মানুষ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে লবণাক্ত পানি পান করে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে এসব মানুষ। উপকূলে কাজের সংস্থান না হওয়ায় অনেকে পরিবার ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উপকূলের পরিবেশ রক্ষায় সরকারকে জরুরি উদ্যোগ নিতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ বাড়াতে হবে। আশ্রয়কেন্দ্র খাতে বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। দুর্যোগ পরবর্তী মেরামত ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করতে হবে। এ ছাড়া প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ডব্লিউএমও প্রধান পিটারি টালাস বলেন, দুর্ভাগ্যবশত আবহাওয়া, জলবায়ু এবং পানি-সম্পর্কিত বিপদের ধাক্কাগুলো টের পাবে সবচেয়ে দুর্বল সম্প্রদায়গুলো। ঘূর্ণিঝড় মোখা গত সপ্তাহে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। টালাস এই বাস্তবতার উদাহরণ টেনে বলেন, তীব্র ঝড় ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দরিদ্ররা। প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উল্লেখযোগ্যভাবে মানুষের প্রাণহানি কমিয়েছে বলেও জানান টালাস। তিনি বলেন, অতীতে মোখার মতো দুর্যোগের সময় মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের ১০ হাজার থেকে কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। মিয়ানমারের সামরিক সরকার বলছে, সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড়ে তাদের দেশে ১৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সংখ্যাটি আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।২০২৭ সালের শেষ নাগাদ গোটা বিশ্বকে দুর্যোগের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার আওতায় আনতে জাতিসংঘ একটি পরিকল্পনা চালু করেছে। বিশ্বের মাত্র অর্ধেক দেশেই এখন এ ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে আর্থিক ক্ষতি বেড়েছে ৭ গুণ: মৃত্যু কমলেও আবহাওয়া-সম্পর্কিত দুর্যোগে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে সতর্ক করেছে ডব্লিউএমও। তারা বলছে গত ৫০ বছরে ৪.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সংস্থাটি আগের রেকর্ড বলছে, অর্থনৈতিক ক্ষতি ১৯৭০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সাতগুণ বেড়েছে। ধনী দেশগুলো এখন পর্যন্ত আর্থিক দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া, জলবায়ু এবং পানি বিপর্যয়ের কারণে ৬০ শতাংশেরও বেশি ক্ষতির জন্য দায়ী উন্নত দেশগুলো। তবে চার-পঞ্চমাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে প্রতিটি দুর্যোগের জন্য অর্থনৈতিক ক্ষতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক ১ শতাংশের কাছাকাছি ছিল।

শুকিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জলাধার; বাড়ছে উদ্বেগ: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শুকিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি বড় হ্রদ এবং জলাধার। সম্প্রতি নতুন এক গবেষণা রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকের গোড়া থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি বড় হ্রদ এবং জলাধার শুকিয়ে সঙ্কুচিত হয়েছে। প্রধানত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট এই অবস্থা কৃষি, জলবিদ্যুৎ এবং মানুষের ব্যবহারের জন্য পানির যোগান নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্রতর করেছে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল জানিয়েছে, ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যবর্তী ক্যাস্পিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণ আমেরিকার লেক টিটিকাকা পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিঠা পানির উৎসগুলোর মধ্যে কয়েকটি প্রায় তিন দশক ধরে প্রতি বছর ক্রমবর্ধমান প্রায় ২২ গিগাটন হারে পানি হারিয়েছে। যা আমেরিকার বৃহত্তম জলাধার লেক মিয়াদের আয়তনের প্রায় ১৭ গুণ। ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার সারফেস হাইড্রোলজিস্ট ফ্যাংফ্যাং ইয়াও সায়েন্স জার্নালে এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক হ্রদের শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে ৫৬ শতাংশ জলবায়ু উষ্ণায়ন এবং মানুষের ব্যবহারের কারণে হয়েছে। তবে এই দু’টির মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বড় ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা সাধারণত মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো আরও শুষ্ক হয়ে উঠবে এবং আর্দ্র অঞ্চলগুলো আর্দ্র হয়ে উঠবে। তবে গবেষণায় আর্দ্র অঞ্চলেও পানি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যেতে দেখা গেছে। ইয়াও বলেছেন, এটি উপেক্ষা করা উচিত নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের একটি অন্যতম মাপকাঠি গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধি। এর ফলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বদলে গেছে। আগে যেখানে যেমন বৃষ্টি হতো, এখন তা হচ্ছে না। এর ফলে স্বাভাবিক হ্রদগুলোর পলি আগে যেভাবে জমতো, এখন তা বদলে গেছে। হ্রদ এবং জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ার এটাও একটা কারণ। রয়টার্স বলছে, শুকিয়ে যাওয়া হ্রদ অববাহিকায় বসবাস করা প্রায় ২০০ কোটি মানুষ এই পরিস্থিতিতে সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক অঞ্চলে পানির সংকটের মুখেও পড়েছে বহু মানুষ।

ইউডি/সুপ্ত/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading