মানব বিলুপ্তি নয়, এআইয়ের বড় ঝুঁকি বৈষম্য: ইউরোপীয় ইউনিয়ন
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৮:৩০
দ্রুতগতিতে বিকশিত হতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থায় মানব বিলুপ্তির চেয়েও বড় শঙ্কা বৈষম্য নিয়ে, এমনটাই বলছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিযোগিতা প্রধান মারগ্রেথ ভেস্টেগার। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলো মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমনসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, যা সম্ভবত জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলবে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কেউ সম্পত্তি বন্ধকের জন্য আবেদন করতে পারবেন কি না সেটি যাচাই করার মতো বিষয়। বুধবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে ভোটাভুটি করবে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।
সাধারণত মানব বুদ্ধির প্রয়োজন পড়ে এমন সব কাজ করতে সক্ষম এই প্রযুক্তির বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টির পর ‘এআই অ্যাক্ট’ নামের সম্ভাব্য আইনটি বিবেচনায় রেখেছেন সেখানকার রাজনীতিবিদরা। বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিয়েছেন, মানুষকে বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে এআই। তবে ভেস্টেগার বলছেন, এআই’র ঝুঁকি রয়েছে পক্ষপাত বা বৈষম্য বাড়ানোয় ব্যবহারের মধ্যে। ইন্টারনেট থেকে পাওয়া বিশাল পরিমাণ ডেটার মধ্যে থাকতে পারে বৈষম্যের উপাদান। বিভিন্ন এআই মডেল বা টুল প্রশিক্ষণেও এগুলো ব্যবহৃত হতে পারে। আর সেটাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।
সংস্থাটি বলেছে, এই সপ্তাহে চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী চ্যাটবটটি ইউরোপে চালু করার বিষয়টি গুগল তাদের জানিয়েছে। তবে, সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষা সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি শনাক্তের পাশাপাশি কোম্পানি কীভাবে সেগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডিপিসি’র ডেপুটি কমিশনার গ্রাহাম ডয়েল বলেন, সংস্থাটি ‘দ্রুতদার সঙ্গে’ এইসব তথ্য চাচ্ছে। আর ডেটা সুরক্ষা নিয়েও গুগলের কাছে বাড়তি তথ্য জানতে চেয়েছে তারা।
ইউডি/এ/এজেএস

