নদ-নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ০২ জুলাই ২০২৩ । আপডেট ১৩:৩০
ঢাকাসহ সারা দেশে গত কয়েক দিন ধরেই ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। টানা বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সব প্রধান নদ-নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে। এতে বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এ নিয়ে বিনয় দাস’র প্রতিবেদন
‘বন্যার জন্য উজান থেকে নেমে আসা ঢলই দায়ী’
বাংলাদেশে সাধারণত, বর্ষাকালে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং উত্তরাঞ্চলের রংপুর, লালমনিরহাট, এবং যমুনা তীরবর্তী গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া- এসব জেলা শুরুতেই বন্যার ঝুঁকিতে থাকে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জুলাই মাস ধরে যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকে সেটা এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তাদের মতে-সিলেট, সুনামগঞ্জের নিম্ন এলাকা আগামী দুদিনের মধ্যে প্লাবিত হয়ে যেতে পারে। তবে পরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। উত্তরাঞ্চলের বৃষ্টি বাড়ছে এবং নদীতে পানি বাড়ছে।
বন্যার জন্য পুরোপুরি দেশের বাইরে উজান থেকে নেমে আসা ঢলকেই দায়ী করেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম বড়ুয়া। তিনি বলেন, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, বরাক এলাকার পানি নেমে আসার কারণেই বেশিরভাগ বন্যা হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে নদীর পানি ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত পানি ঢলে নেমে আসলে তখন সেটি প্লাবন ডেকে আনে। তিনি বলেন, গত বছর তিন চার দিনে প্রায় ২৫০০-২৬০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত ইন্ডিয়ার চেরাপুঞ্জিতে হয়েছিল। সেই পানি ভাটির দিকে নেমে আসার কারণে দীর্ঘমেয়াদি বন্যা দেখা দিয়েছিল।
চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের মতো প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করতে পারে। আর এ মাসের মাঝামাঝি থেকে সেটা বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এই সময়ে মৌসুমী বন্যা শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিন আমরা কোন আশঙ্কা করছি না। জুলাই মাসের শেষ অর্ধভাগে আমরা আশঙ্কা করছি, তখন হয়তো আমাদের মৌসুমী বন্যা যেটা শুরু হওয়ার কথা সেটা শুরু হতে পারে।
সিলেট-সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টিপাত, আতঙ্কিত মানুষ
উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় নেমে আসতে শুরু করেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এরইমধ্যে হাওরগুলো পানিতে টইটুম্বুর হয়ে গেছে। আশংকা বাড়ছে এমন বৃষ্টি আরো দিন দুয়েক চলতে থাকলে ডুবে যাবে নিম্নাঞ্চলসহ অনেক এলাকা। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উজানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে এই অঞ্চলের সুরমা, যাদুকাটা, সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরি নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে পারে। ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা জেলার কিছু অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদে বন্যা দেখা দিতে পারে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শামসুদ্দোহা গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী দুই দিনে সুনামগঞ্জ শহরের আশেপাশে হাওর এলাকার সাথে যুক্ত যেসব নিম্নাঞ্চল আছে সেগুলো প্লাবিত হতে পারে। ইন্ডিয়ার সীমান্তের সাথে এই জেলার পাহাড়ি এলাকা থেকে পানির ঢল নেমে আসে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। জুন মাসের মাঝামাঝি সময়েও সুনামগঞ্জ জেলাটিতে একটি আকস্মিক বন্যা হয়েছিল। তবে সেটি চার-পাঁচদিনের বেশি স্থায়ী হয়নি।
গত বছর সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে বন্যা শুরু হওয়ার পর সেটি দীর্ঘসময় ধরে স্থায়ী হয়েছিল যাতে আর্থিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ওই বন্যাও স্বল্পমেয়াদী হিসেবে শুরু হলেও পরে পানি নেমে যেতে বিলম্ব হওয়ায় সেটি দীর্ঘমেয়াদি বন্যায় রূপ নেয়। প্রায় ৪৫ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছিল। একই বন্যায় ইন্ডিয়ার আসাম ও মেঘালয়ে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছর সিলেট ও সুনামগঞ্জে যে বন্যা হয়েছিল সেটি ছিল তীব্র বন্যা। সেরকম কোন কিছুর আশঙ্কা তারা করছেন না। তবে বর্ষাকালে যে সাধারণ বন্যা হতে পারে সেটিই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, এই মৌসুমে যেমন স্বাভাবিক বন্যা হয় সেরকমই বন্যা হবে বলে ধারণা করছি।
উত্তরাঞ্চলের ছোট-বড় নদীতে বাড়ছে পানি
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডালিয়া ডিভিশন অফিস সুত্রে যানা যায়, শনিবার (০১ জুলাই) সকাল ৬ থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক) পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে৷ দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা বেষ্টিত টেপাখরিবাড়ী, গয়াবাড়ী ও খগাখরিবাড়ী ইউনিয়নের বেশ কিছু অঞ্চলে প্লাবিত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে ওই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অনেকের চাল, ডাল, তরকারী ও জ্বালানী। বর্তমানে তিস্তায় পানি স্বাভাবিক থাকলেও জনপ্রতিনিধি বিহীন এই তিন ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ যেন চরমে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টা দেশের উত্তরাঞ্চলের উজানে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।এছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার দেড় মিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ১ দশমিক ৬৯ মিটার, ধরলা নদী কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ১ দশমিক ৭১ মিটার, তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ১ দশমিক ৩৭ মিটার, দুধকুমার নদী পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ১ দশমিক ৬২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।এদিকে, রংপুরের ছোট নদীগুলোতেও পানি বাড়ছে।
যমুনেশ্বরী নদী বদরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩ দশমিক ৬২ মিটার ও ঘাঘট নদী জাফরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪ দশমিক ৩৭ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। রংপুর গঙ্গাচড়া উপজেলার লহ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, ঈদের দিন পানি বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। আবার কমে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের হালনাগাদ তথ্য সব সময় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে চরাঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী এলাকা বাসিন্দাদের জানাচ্ছি।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে ভারি ও অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এ সময় এ অঞ্চলের পানি দ্রæত বাড়তে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে স্বল্প মেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
ঢাকায় একদিনে ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টি, দেশে সর্বোচ্চ ১৩৭ মিলিমিটার সিলেটে
শনিবার (০১ জুলাই) বিকেলে তিন ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে; থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারি এ বর্ষণে অলিগলিসহ অনেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে পথচারীদের যাতায়াতে গোল বাঁধিয়েছে। শনিবার দুপুরের পর আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। ঘণ্টা তিনেক ধরে চলা বৃষ্টির শেষ দিকে টিপটিপ করে ঝরেছে অনেকক্ষণ। তবে শুরুর দিকের মাঝারি থেকে ভারি আকারের বৃষ্টিতে অনেক সড়কে পানি জমে গেলে বেকায়দা অবস্থা তৈরি হয়।
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিকভাবে কাজ না করায় এ পরিমাণ বৃষ্টিতেই রাজধানীর সড়কগুলোতে গাড়ি চলেছে পানি ভেঙে, আশেপাশের মানুষজনকে ময়লা পানিতে ভিজিয়ে। কোনো কোনো সড়কে হাঁটু পর্যন্ত পানিও জমতে দেখা গেছে।
আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ ঢাকায় ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৭২ মিলিমিটার। এদিন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ভারি বৃষ্টিপাতের শ্রেণি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেই হিসাব ধরে মনোয়ার হোসেন বলেন, এখন যে অবস্থা আছে তাতে আরও দুই তিনদিন এই অবস্থা চলবে। হয়তো এটা আরও এক সপ্তাহ অবস্থান করতে পারে। বৃষ্টিপাত চলবে। মাঝে কিছুটা রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াও থাকতে পারে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঢাকার বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বৃষ্টিপাতে দেশে কমে এসেছে তাপপ্রবাহ। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই এলাকা ও কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। আগামী পাঁচ দিনের তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০২ জুলাই ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর কি বলছে?
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশে যে বৃষ্টিপাত চলছে তা আপাতত বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী ১০ দিন বৃষ্টির ধারা এরকম অব্যাহত থাকবে। কোন জায়গায় কমে যেতে পারে, কোন জায়গায় বেড়ে যেতে পারে। কিছু জায়গায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার কোন চান্স নেই। বিভাগ অনুযায়ী, আজ রবিবার থেকে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টিপাত অনেকটাই কমে আসবে। অন্যদিকে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা এবং সিলেটে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং এসব বিভাগে আরো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণাংশে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমে আসতে পারে, কিন্তু উত্তরাংশে বৃষ্টির পরিমাণ মোটামুটি যেরকম আছে হয়তোবা কম-বেশি হতে পারে, বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নাই । খুলনা বিভাগে এখন বৃষ্টি হলেও এটি আসছে দিনগুলোতে কমে যাবে বলেও জানান তিনি।
ইউডি/এজেএস

