নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের: প্রত্যাবাসন শুরু হবে কবে?

নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের: প্রত্যাবাসন শুরু হবে কবে?

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৬ আগস্ট ২০২৩ । আপডেট ১৪:৫৫

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার ছয় বছর পূর্ণ হলো। ওই সাত লাখসহ মোট ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে আশ্রিত। তাদের মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে বছরের পর বছর দফায় দফায় আলোচনা হলেও কোনো ফলপ্রসু সমাধান আসেনি এখনও। তাতে দীর্ঘ হচ্ছে তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও। রোহিঙ্গাদের একটাই প্রশ্ন কবে শুরু হবে প্রত্যাবাসন? এ নিয়ে আরেফিন বাঁধনের প্রতিবেদন

‘গো বেক হোম’: রোহিঙ্গাদের পাঁচ দফা দাবি

ছয় বছর আগে ঘটে যাওয়া গণহত্যার বিচার ও নিজেদের ভিটেবাড়িতে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে ফেরাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গারা। গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) উখিয়া ও টেকনাফের চারটি ক্যাম্পে পৃথকভাবে এই সমাবেশ করেছেন তারা। ‘গো বেক হোম’ প্রতিপাদ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- এআরএইচপিএইচ এর সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইর, মাস্টার নুরুল আমিন, মোহাম্মদ রফিক এবং জুমাদিলা বেগমসহ অনেকে।

সমাবেশে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসন, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য সেফ জোন, রাখাইন ষ্টেটে নিজেদের ভিটেবাড়ি এবং নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবি জানান। ২৫ আগস্টকে গণহত্যা ও কালো দিবস আখ্যায়িত করে তারা নিজ ভ‚মি মিয়ানমারের আরাকানে ফিরে যেতে চান এবং গণহত্যার বিচার দাবি করেন। এসব দাবি বাস্তবায়নে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতন ও গণহত্যার শিকার হয়ে রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়ার ছয় বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ক্যাম্পে প্রথম বড় সমাবেশ করা হয়, যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টার মুহিবুল্লাহ। পরে তিনি মিয়ানমারের সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন। কক্সবাজারে আগে থেকে আশ্রয় নেওয়া আরও সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গাসহ বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে বসবাস করছে।

‘প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলমান’

কখন রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরে যাবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তবে সরকারের শরণার্থী বিষয়ক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলমান। যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন চায় বাংলাদেশ। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রত্যাবাসনের কোনও বিকল্প নেই উল্লেখ করে কক্সবাজারের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি চলমান। বাংলাদেশ সরকার সব সময় প্রস্তুত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে।

রোহিঙ্গারা রাখাইনে নিজেদের ভিটায় ফিরে যেতে চায়। তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও নাগরিকত্বের দাবিও রয়েছে। তারা কোনোমতেই রাখাইনে নির্মিত মডেল ভিলেজে যেতে চায় না। স¤প্রতি মিয়ানমার সরকার কিছু রোহিঙ্গাকে নিজেদের ভিটাবাড়িতে প্রত্যাবাসনের জন্য সম্মতি দিয়েছে। এখন দরকার যত দ্রæত সম্ভব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা।

অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন

ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলো আমেরিকা

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর জান্তা সরকারের সংঘটিত নৃশংসতার জন্য ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে আমেরিকা। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার ষষ্ঠ বার্ষিকীতে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।ব্লিঙ্কেন বলেন, ভুক্তভোগী ও বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য; সেই সঙ্গে এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি, যারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে।

বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মানবিক সহায়তার শীর্ষস্থানীয় একক বৃহত্তম দাতা হিসেবে আমেরিকা ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলের অন্যত্র সঙ্কটে ক্ষতিগ্রস্তদের ২২ হাজার ৬৮০ কোটি টাকার বেশি সহায়তা দিয়েছে। মিয়ানমারজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে রোহিঙ্গাসহ জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু স¤প্রদায়ের সদস্যদের জন্য ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার জন্য দায়ীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে আমেরিকা।তিনি আরও বলেন, আমেরিকা সকল জনগণের জন্য ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার অগ্রগতির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য মিয়ানমারের জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে একাত্মতা বজায় রাখবে।

এদিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস রোহিঙ্গা গণহত্যার ষষ্ঠ বার্ষিকীতে একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়: রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর বার্মা সেনাবাহিনীর সহিংসতা, ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাভিযানের ছয় বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। সাড়ে সাত লক্ষ রোহিঙ্গাকে বহনযোগ্য অল্প কিছু জিনিস নিয়ে পালাতে বাধ্য করেছিল শাসকদের এই গণহত্যা। বাংলাদেশের জনগণ সহানুভ‚তি এবং মানবতার হাত বাড়িয়ে তাদের স্বাগত জানিয়েছিল। প্রায় এক মিলিয়ন উদ্বাস্তুর প্রতি আতিথেয়তা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের জনগণ। আমরা এই উদারতার প্রশংসা করি।

পাইলট প্রকল্প: পশ্চিমা বিশ্বের বিরোধিতা ও রাখাইন পরিস্থিতি

বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় মেকানিজমের অধীনে এ বছর সাত হাজার রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর একটি পাইলট প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। কিন্তু কবে প্রত্যাবাসন শুরু হবে সেটি এখনও ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে জানা যায়, গত জুনে পাইলট প্রকল্পের অধীনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার কথা থাকলেও সেটি করা সম্ভব হয়নি। চীনের উদ্যোগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পাইলট প্রকল্প নিয়ে অনেকদিন ধরে আলোচনা চলছে। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যদি কোনও অসুবিধা থাকে সেগুলো চিহ্নিত করা। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে পশ্চিমা বিশ্বের রাজনৈতিক সমর্থন প্রথম থেকে কম ছিল। এখন তারা বলছে রাখাইনে পরিবেশ অনুক‚ল নয় এবং তাদের ফেরত না পাঠানোর জন্য।

এ বিষয়ে একটি সূত্র জানায়, প্রত্যাবাসনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্ব প্রকাশ্যে বলছে। এমনকি জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থাও প্রত্যাবাসনের বিরোধী অবস্থান নিয়েছে, যা তারা নিতে পারে না।তাদের কাজ হচ্ছে প্রত্যাবাসনের সময় সহায়তা করা এবং মিয়ানমারে পরিবেশ উন্নতি করা। কিন্তু সে বিষয়ে তাদের আগ্রহ কম।
আরেকটি সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত অনেক এনজিও রোহিঙ্গাদের ভুল পথে পরিচালিত করে। যেমন নাগরিকত্বের বিষয়টি প্রত্যাবাসনে বিবেচিত হবে না কারণ সেটি একান্তই মিয়ানমার সরকারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ মিয়ানমারকে বলতে পারে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে, কিন্তু তাদের নাগরিকত্ব দিতে বলতে পারে না। কিন্তু অনেক এনজিও এর প্ররোচনায় রোহিঙ্গারা দাবি করছে তাদের নাগরিকত্ব না দিলে তারা ফেরত যাবে না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ থাকতে হবে। বর্তমানে মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং রাখাইনে শক্তিশালী আরাকান আর্মি-উভয়ই প্রত্যাবাসনের পক্ষে।

মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান বাংলাদেশের

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আরও বিলম্ব ও মানবিক সহায়তার ঘাটতি সমগ্র অঞ্চলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। সে জন্য আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়কে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রোহিঙ্গা সংকটের সাত বছরে পদার্পন নিয়ে পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা রোহিঙ্গা সংকট সপ্তম বছরে পা দিয়েছি। তবে কোনো সমাধান দেখছি না। এত দীর্ঘ সময় ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার আর্থ-সামাজিক, জনসংখ্যাগত এবং পরিবেশগত ব্যয় বাংলাদেশকে সীমাবদ্ধতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিরাপদ এবং টেকসই ভাবে তাদের নিজ ভ‚মিতে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্খা এবং অধিকার রয়েছে। মিয়ানমারে এই সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও মানবিক সহায়তা নিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রোহিঙ্গা নির্যাতিত জনসংখ্যার জন্য মানবিক সহায়তা অনেক হ্রাস পাচ্ছে। প্রতি বছর শিবিরের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ হাজার নবজাতক বাড়ছে। সে কারণে এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক এবং টেকসই প্রত্যাবাসন শুরু করতে আরও বিলম্ব এবং মানবিক সহায়তার ঘাটতি সমগ্র অঞ্চলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত, তাদের টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গারা তাদের দক্ষতার বিকাশ ঘটাচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে এবং তাদের শিশুরা বাংলাদেশের ক্যাম্পে মিয়ানমারের পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে মিয়ানমার ভাষা শিখছে, যাতে তারা তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখতে পারে। মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর তারা যেন তাদের নিজস্বতার সঙ্গে পুনর্মিলন ঘটাতে পারে।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ২৬ আগস্ট ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

গ্যাং সহিংসতা, পাচার ও মাদক চোরাচালানে বিপর্যস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্পে বাস করেন কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। তবে গ্যাং সহিংসতা, মানব পাচার এবং মাদক চোরাচালানের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সেখানকার পরিস্থিতি। এই গ্যাং সহিংসতা কেড়ে নিয়েছে অনেকের চোখের ঘুম। গ্যাংদের উৎপাতের সঙ্গে মানব পাচার ও মাদক চোরাচালান সেখানকার মানুষদের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে। খবর বিবিসি’র।

এই রোহিঙ্গারা ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা থেকে বাঁচতে রাখাইন রাজ্যে নিজেদের বাড়ি-ঘর ফেলে বাংলাদেশে পালিয়ে চলে আসেন। অথচ এখন নতুন করে সহিংসতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। এখন নিজ গোষ্ঠীর মানুষদের হাতেই প্রাণ হারাচ্ছেন তারা। এ বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ক্যাপে গ্যাং সহিংসতায় ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। অথচ পুরো ২০২২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৪০। এসব সহিংসতা তাদের দুর্দশাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে পারবে কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী সহায়তা ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেছেন, মাদক চোরাকারবারীরা রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে মাদক আনছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেছেন, ক্যাম্পে কয়েক লাখ মানুষ আছে যাদের কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়টি অপরাধীদের জায়গা তৈরি করেছে। এসব অপরাধী খুবই উগ্র এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

ইউডি/এজেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading