সময় নষ্ট না করে বিজিপি সদস্যদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

সময় নষ্ট না করে বিজিপি সদস্যদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৮:৩০

সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) সদস্যদের তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক সেহেলি সাবরিন।

তিনি বলেন, আশা করা যাচ্ছে অতি দ্রুত তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে। সেটা আকাশপথেই হোক বা সমুদ্রপথেই হোক, তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন অত্যন্ত জরুরি।

বাংলাদেশ কেন তাদের আশ্রয় দিয়েছে–জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, মিয়ানমার সরকারের নিয়মিত বাহিনী বিজিপির সদস্যদের আশ্রয়দান এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি এক করে দেখা ঠিক হবে না। বিমানে করে প্রত্যাবাসন দ্রুত করা সম্ভব, এটা বিবেচনা করে বাংলাদেশ এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

মিয়ানমার কিছুদিন আগে ইন্ডিয়া থেকেও বিমানে করে সৈন্য নিয়ে এসেছিল। তাই বিমানে বিজিপি সদস্যদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত গতকাল বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

মিয়ানমারের চলমান সংঘাত তার অভ্যন্তরীণ বিষয় জানিয়ে সেহেলি সাবরিন বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের জনসাধারণ, সম্পদ বা সার্বভৌমত্ব কোনোভাবে যেন হুমকির সম্মুখীন না হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি সুবিধাজনক সময়ে স্বেচ্ছায়, টেকসই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য দ্বিপক্ষীয়, ত্রিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশ সতর্ক রয়েছে এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে নিউইয়র্কের স্থায়ী মিশন সারাক্ষণ যোগাযোগ রেখে চলেছে।

উল্লেখ্য, বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, মিয়ানমারে চলমান যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত বিজিপির ৩৩০ সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তুমব্রু থেকে বিজিপির ১০০ সদস্যকে টেকনাফের হ্নীলাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ইডিডি/এআর

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading