দ্বিতীয় দফায় উপজেলা নির্বাচন কাল
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ২০ মে, ২০২৪, আপডেট ১৯:৫৫
দ্বিতীয় ধাপে ১৫৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ আগামীকাল মঙ্গলবার। ্কাএদিন ল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা এ ভোটগ্রহণ চলবে। চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাধারণ নির্বাচন হবে এসব উপজেলায়। তবে এ নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিই ইসিসহ সকল অংশীজনের বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথম ধাপের নির্বাচনে সর্বনিম্ন ভোটার উপস্থিতির রেকর্ড হওয়ায় এবার উপস্থিতি বাড়াতে দৌড়ঝাঁপ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীরাও ভোটারদের মন জয় করতে নানামুখী কৌশল গ্রহণ করছে। এরই মধ্যে গত রবিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে নির্বাচনি প্রচার।
সোমবার (২০ মে) সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনি সরঞ্জাম। এদিকে দ্বিতীয় ধাপে ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গত ৮ মে প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়ে মাত্র ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ। তাই এ নির্বাচনের পর থেকেই ভোট কম পড়ার বিষয়টি ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও কম ভোট পড়ল, এ নিয়ে জনমনে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল নানামুখী প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই এবার যাতে বেশি সংখ্যক ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করে-সে জন্য ইসি ও সরকারের পক্ষ থেকে অংশীজনের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
ভোটার উপস্থিতি নিয়ে ভাবছে না কমিশন: ভোটের হার নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভাবছে না জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, জাতীয় কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনও বিধি-নিষেধ বা নিয়ম নেই যে, কত শতাংশ ভোট পড়লে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। এগুলো নিয়ে ইসি ভাবে না। তিনি বলেন, ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে ইসি উদ্বিগ্ন নয়। যেকোনও শতাংশ ভোট পড়লেই খুশি। সোমবার (২০ মে) নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া প্রসঙ্গে ইসি আলমগীর বলেন, ভোটাররা ভোট দিতে ইচ্ছুক। তারা কেন্দ্রে আসবেন। ধান কাটার মৌসুম, বৈরী আবহাওয়া, বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসছে না, এসব কারণে ভোটার উপস্থিতি কম।
এই কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা-অনাস্থার বিষয় নয়, পছন্দের প্রার্থী না পাওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভোটারের উপস্থিতি কম। তবে কত শতাংশ ভোটার উপস্থিত হলে নির্বাচন সন্তোষজনক হবে, এ বিষয়ে ইসির কোনও দায়বদ্ধতা নেই।
দ্বিতীয় ধাপের ভোট ও ভোটারের অংশগ্রহণ কম, এ বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন কিনা, প্রশ্নে আলমগীর বলেন, দ্বিতীয় ধাপের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হতে পারে, এজন্য ব্যাপক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। প্রথম ধাপের নির্বাচনেও তাই করেছি। আগামীকালের নির্বাচনও তেমন হবে। কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ রাখা। নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতার কোনও কমতি নেই। সারা বিশ্বে ভোটারদের ভোটের প্রতি আগ্রহ কমছে। বিভিন্ন কারণে ভোটাররা অংশ নিতে চান না। ভালো প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ না নিলেও অনেক সময় ভোটাররা ভোট দিতে যান না।
ইউডি/এজেএস

