প্রথমবারের মতো আখাউড়া বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৫:৪৫
প্রথমবারের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে ইন্ডিয়া থেকে আমদানি করা হলো জিরা। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিরা ভর্তি ইন্ডিয়ান একটি ট্রাক আখাউড়া স্থলবন্দরে এসে পৌঁছায়।
ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রোল্যান্ড সলিশন লিমিটেড এদিন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৭ টন জিরা আমদানি করে। প্রতি টন জিরা ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার মূল্যে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দুই লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকায় আমদানি করা হয়।
এদিকে দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর জিরা আমদানিতে আবারও গতি ফিরবে বলে মনে করছেন আখাউড়া স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস ও বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
আখাউড়া স্থলবন্দরে জিরা আমদানি কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট দায়িত্বে রয়েছেন মেসার্স শফিকুল ইসলাম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি করা হয়েছে। তবে শুক্রবার সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় ঈদের আগে বন্দর থেকে জিরা খালাস না করতে পারার বিষয় নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. ছাগিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হাইড্রোল্যান্ড সলিশন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৭ মেট্রিক টন জিরা আমদানির জন্য এলসি খুলেছে।
সন্ধ্যায় জিরা নিয়ে ইন্ডিয়ান একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেছে। প্রথমবারের মতো এ স্থলবন্দর দিয়ে দেশে জিরা আমদানি হয়েছে। আমদানি পণ্য থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত হারে শুল্ক এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মাশুল পাবে।
তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ পণ্য ব্যতীত সব পণ্য আমদানির কার্যক্রম শুরু হলে বন্দরে কর্মসংস্থান বাড়বে। আখাউড়া কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়্যুম বলেন, আমদানি বাণিজ্য বাড়লে ব্যবসায়ী ও সরকার উভয়ই লাভবান হবে।
বন্দরটি আরও গতিশীল হবে। সরকার রাজস্ব পাবে। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে পোর্ট অব কল হিসাবে আখাউড়া স্থলবন্দরের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর ২০১০ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
ইউডি/এআর

