ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তার খাবার নিয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে
ইরফান তানজিল । সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪, আপডেট ১১:০০
রাস্তায় তৈরি ও পরিবেশিত খাবারকে স্ট্রিট ফুড বা রাস্তার খাবার বলা হয়। এসব খাবার বিদেশেও স্ট্রিট ফুড বা রাস্তার খাবার নামে পরিচিত। উন্নত দেশের স্ট্রিট ফুড স্বাস্থ্যসম্মত, উপাদেয় ও আকর্ষণীয় হয়। বাংলাদেশের মতো অনুন্নত দেশে রাস্তায় যেসব খাবার তৈরি ও বিক্রয় হয় তা বিশুদ্ধ, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খেতে উপাদেয় বা মুখরোচক হলেও এসব স্ট্রিট ফুড অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুত ও পরিবেশিত হয় বলে বিভিন্ন জটিল ও মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। ঢাকার প্রায় সব স্ট্রিট ফুডের দোকান খোলা আকাশের নিচে, যেখানে উন্মুক্ত অবস্থায় খাবার তৈরি, বিক্রয় ও সাজিয়ে রাখা হয়। তাই এসব খাবার জীবাণু, পোকা-মাকড়, মাছি দ্বারা দূষিত হয়। সাধারণত সস্তা, তৈলাক্ত ও ঝাল হওয়ার কারণে রাস্তার খাবারের বেশ কদর রয়েছে। এ ধরনের খাবার খেলে মানুষ যেসব রোগে আক্রান্ত হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে-ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ, আলসার, হৃদরোগ ইত্যাদি।
দেশে রাস্তার পাশের খাবারের দোকান থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ খাবার কিনে খায়। এসব দোকানের বিভিন্ন ধরনের খাবার তুলনামূলক কম দাম এবং মুখরোচক বলেই মানুষ সেসব খাচ্ছে। এসব দোকানের খাবার নিম্নমানের। অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি। স্ট্রিট ফুড বা রাস্তার খাবার নামে পরিচিত এসব খাবার কিন্তু সারা বিশ্বেই পরিচিত ও জনপ্রিয়। উন্নত দেশের স্ট্রিট ফুড স্বাস্থ্যসম্মত, উপাদেয় ও আকর্ষণীয় হয়। বাংলাদেশে রাস্তায় যেসব খাবার তৈরি ও বিক্রি হয়, তা বিশুদ্ধ, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খেতে উপাদেয় বা মুখরোচক হলেও এসব স্ট্রিট ফুড অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুত এবং পরিবেশিত হয় বলে বিভিন্ন জটিল ও মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। এসব দোকানে খাবার উন্মুক্ত অবস্থায় তৈরি, বিক্রি ও সাজিয়ে রাখা হয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) করা এক গবেষণায় কিছু ভয়ংকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তার পাশে বিক্রি করা চটপটি, ছোলা-মুড়ি, স্যান্ডউইচ, আখের রস, অ্যালোভেরার শরবত ও সালাদে ডায়রিয়ার জীবাণু পাওয়া গেছে। এই ছয়টি স্ট্রিট ফুডে মিলেছে মাত্রাতিরিক্ত ই-কোলাই (মানুষের মলে থাকে), সালমোনেলা এসপিপি ও ভিব্রিও এসপিপি ব্যাকটেরিয়া, যা কলেরা, ডায়রিয়াসহ মানুষের পেটের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। এসব স্ট্রিট ফুড খেয়ে প্রতি ১০ হাজার মানুষের মধ্যে দুজন ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার কারণে অসুস্থ হচ্ছে। একইভাবে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার কারণে চারজন এবং ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়ার কারণে একজন অসুস্থ হচ্ছে। দূষিত পানি, নোংরা গামছা, অপরিষ্কার হাত, ধুলাবালিময় পরিবেশের কারণে এ ধরনের জীবাণু খাবারে মিশে যাচ্ছে। প্রকাশিত খবরে জানা যায়, রাজধানী ঢাকায় গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কলেরা ও ই-কোলাই জীবাণু শনাক্তের হার বেড়েছে। ঢাকার মহাখালী এলাকায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালের তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহে ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি রোগীদের ৩৪.৮ শতাংশের শরীরে কলেরা ও ই-কোলাই জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। আগের সপ্তাহে এই হার ছিল ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে প্রায় ১৩০ পদের রাস্তার খাবার পাওয়া যায়। এসব খাবারের কোনোটিরই গুণগত মানের নিশ্চয়তা নেই।
দেশে প্রায় ১৩০ পদের রাস্তার খাবার পাওয়া যায়। রাস্তার খাবারে পুষ্টিগুণ থাকে অতি সামান্য এবং শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব থাকে অতি বেশি। এসব খাবারের মূল খরিদ্দার হলো রিকশাচালক, টোকাই, ছিন্নমূল মানুষ, হকার, ছোট ব্যবসায়ী, শিশু, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শ্রমিক, গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষ, যাদের মধ্যে কোনো স্বাস্থ্যসচেতনতা নেই। স্কুলপড়ুয়া ছোট শিশুরাও এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খায় এবং প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। অনেক সময় মা-বাবারাও তাদের সন্তানদের এসব খাবার কিনে দেন এবং খেতে উৎসাহিত করেন। বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর আচার ও অজানা-অচেনা ব্র্যান্ডের আইসক্রিম শিশুদের অতি প্রিয়। কিন্তু এসব খাবার শিশুদের জন্য মোটেও উপযোগী নয়। মা-বাবাদের প্রতি অনুরোধ-ঘরের বাইরে তৈরি অস্বাস্থ্যকর খাবার খাইয়ে আপনার শিশুর জীবন বিপন্ন করবেন না। কথা হলো, সস্তা ও উপাদেয় হলে যে খাবার স্বাস্থ্যহানির কারণ হবে না-এর কি কোনো নিশ্চয়তা আছে? সস্তায় খাবার খেতে গিয়ে স্বাস্থ্যের তিন অবস্থা হলে তখন বিপদ সামলাবে কে? ছাত্রছাত্রীদের এ ব্যাপারে একটু চিন্তা করা উচিত আর একটু স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানো দরকার।
রাস্তায় খাবার তৈরি হয় মূলত আটা, ময়দা, বেসন, মাছ, মাংস, ডিম, শাকসবজি ও তেল দিয়ে। দিনের পর দিন একই তেল ব্যবহার করা হয় বলে তা পুড়ে যায় এবং এ তেল স্ট্রোক ও হৃদরোগ সৃষ্টি করে। অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন কাপড়চোপড় পরে ময়লা ও জীবাণুযুক্ত হাতে রাস্তার খাবার তৈরি করা হয় বলে এসব খাবার খাওয়া ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ। রাস্তার খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় দূষিত পানি। খাওয়ার পানিও বিশুদ্ধ থাকে না। ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করা হয় না বলে পানিতে ই-কোলাই ও প্রোটিয়াস বেসিলাস ধরনের জীবাণু থাকে। যেসব থালা-বাসন বা পাত্রে খাবার পরিবেশিত হয়, সেগুলোতে ক্ষতিকর জীবাণু থাকে। এসব জীবাণুর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস অ্যাপেডারমিডিস ও সালমোনেলা প্রজাতির জীবাণু। রাস্তায় তৈরি বিভিন্ন ফলের রসে থাকে অসংখ্য জীবাণু। যেসব যন্ত্রপাতি বা আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়ে ফলের রস তৈরি করা হয় এবং যেসব গ্লাস বা পাত্রে তা পরিবেশিত হয়, সেগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ময়লা ও জীবাণুতে ভর্তি থাকে। ময়লা ও দুর্গন্ধময় পানি দিয়ে বারবার একই গ্লাস ধোয়া হয়। তবে কোনো কোনো খাবার স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে তৈরি ও বিক্রি হয়। এর সংখ্যা অবশ্য অতি নগণ্য। রাস্তায় তৈরি খাবারে অনেক সময় নিষিদ্ধ উপকরণ ও রং ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন শহরে তৈরি খাবারের মধ্যে মেটানিল ইয়েলো, কমলা রং ২, রোডামিন বি, অরোমিন অরেঞ্জ জি ধরনের নিষিদ্ধ রঙের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। খাবারকে আকর্ষণীয় করার জন্য অনেক বিক্রেতা বস্ত্রশিল্পে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রং পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকে। রাস্তায় তৈরি কোমল পানীয়তে অনেক সময় আলকাতরার রংও ব্যবহৃত হয়। এসব খাবারে আরও থাকে তামা, লৌহ ও সিসার মতো ভারি ধাতু, যা শরীরের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।
শীতকাল এলে রাস্তায় তৈরি খাবারের ধরন পালটে যায়। এ সময় উল্লিখিত খাবার ছাড়াও তৈরি ও বিক্রি হয় হরেকরকম পিঠা। এসব পিঠার মধ্যে উল্লেখযোগ্য-ভাপা পিঠা, পোয়া পিঠা এবং চিতই পিঠা। চিতই পিঠার সঙ্গে থাকে নানারকম ঝাল চাটনি, গাঢ় আখের রস বা গুড়। খেতে সুস্বাদু হলেও এসব খাবারও তৈরি হয় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। যারা পিঠা তৈরি ও পরিবেশন করে, তাদের পরিধেয় কাপড়চোপড় ও হাত থাকে অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন। বিক্রেতারা যে হাতে টাকা আদান-প্রদান করে, সেই একই হাত দিয়ে তারা পিঠা তৈরি ও পরিবেশন করে। এতে পিঠা জীবাণু দ্বারা দূষিত হয়ে পড়ে। অনেক দরিদ্র মহিলা ফুটপাতে বসে আটার রুটি তৈরি করে তা সাধারণ তরিতরকারি বা গুড়সহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে। অনেকে আবার বাসাবাড়ি থেকে ভাত রান্না করে এনে সাধারণ তরিতরকারিসহ বিক্রি করে টুপাইস উপার্জন করে। এসব খাবারের মূল খরিদ্দার হলো রিকশাচালক, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের মানুষ। দেশের কাগজের টাকার নোটগুলো সংক্রামক রোগ বিস্তারের আরেক বড় মাধ্যম। এসব ময়লা নোটে থাকে শত প্রকারের প্রাণঘাতী জীবাণু। নিয়ম হচ্ছে, যারা টাকার নোট স্পর্শ করবে বা আদান-প্রদান করবে, তারা খাবার স্পর্শ করবে না। কারণ টাকা আদান-প্রদানের পর খাবার স্পর্শ করলে টাকার অসংখ্য জীবাণু খাবার দূষিত করে ফেলে। এ দূষিত খাবার খেলে যে কেউ মারাত্মক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। আমি হরহামেশাই দেখি, যারা টাকা আদান-প্রদান করছে, তারাই আবার সেই ময়লা হাত দিয়ে খাবার পরিবেশন করছে। বিদেশে এ ধরনের প্র্যাকটিস দেখাই যায় না। আমাদের স্বাস্থ্যসচেতনতার এত অভাব কেন আমি বুঝি না। এসব ছোটখাটো বিষয় কি বই-পুস্তকে লিখে মানুষকে শেখাতে হবে? এক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান কেন কাজ করে না, তাও আমার বুঝতে কষ্ট হয়। কাগজের টাকার মধ্যে গ্রাম পজেটিভ, গ্রাম নেগেটিভ-দুই ধরনের জীবাণু পাওয়া যায়। টাকায় বিদ্যমান জীবাণুর মধ্যে রয়েছে-ই-কোলাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস, মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকোলোসিস, ভিব্রিও কলেরি, করিনেব্যাক্টেরিয়াম, মাইক্রোকক্কাস, ক্লেবসিলা, সালমোনেলা, সিওডোমোনাস ও বেসিলাস প্রজাতির ক্ষতিকর জীবাণু। এসব ক্ষতিকর জীবাণুর কারণে খাদ্যবিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মের সংক্রমণ, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পরিপাকতন্ত্রের সমস্যাসহ প্রাণঘাতী রোগ মেনিনজাইটিস ও সেপ্টেসেমিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
ছাত্রছাত্রীরা স্কুল ক্যাফেটেরিয়া থেকে অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনে খাচ্ছে এবং এতে তারা মুটিয়ে যাচ্ছে, এটা পিতা-মাতা ও অভিভাবকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ পিতা-মাতা ও স্কুল ক্যাফেটেরিয়াগুলোকে পানি, দুধ, ফলের রসের মতো পানীয় এবং পুষ্টিকর স্বাস্থ্যসম্মত খাবার তৈরি, পরিবেশন ও বিক্রির জন্য বিস্তৃত নির্দেশাবলি পাঠাচ্ছে। ইউরোপের ক্যাফেটেরিয়াগুলোতে আমি কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার দেখিনি। বিশ্বায়নের কারণে সারা বিশ্বেই জাঙ্কফুড শিশু-কিশোরদের জন্য এক মারাত্মক স্বাস্থ্যসমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হলেও আমাদের সমাজে বিশ্বায়নের হাওয়া পুরোপুরিই লেগেছে এবং এর খেসারতও আমাদের দিতে হচ্ছে। আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শিশু-কিশোর, এমনকি বয়স্কদের মধ্যেও ফাস্টফুড বা জাঙ্কফুডের প্রতি আকর্ষণ দিন দিন বাড়ছে। ফাস্টফুড বা জাঙ্কফুডের দোকানপাটে ভিড় ও বেচাকেনা দেখার মতো।
মানুষ প্রতিনিয়তই এসব ভয়ংকর অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, এসব খাবারের বেশির ভাগই উপাদেয় ও মুখরোচক হিসেবে খাওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় খাবার ও জুসে জীবাণু ঢুকে যাচ্ছে। এ জাতীয় খাবার খেলে মানুষ যেসব রোগে আক্রান্ত হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ, আলসার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রিট ফুড নিরাপদ করতে বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। নিয়মিত মনিটর করতে হবে। ঝুঁকিমুক্ত থাকতে সবাইকে সচেতন হতে হবে ও রাস্তার মানহীন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সর্বোপরি বলতে চাই- বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ খাদ্য অত্যন্ত জরুরি। খাদ্য ও স্বাস্থ্য একটি আরেকটির পরিপূরক। টেকসই জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। আপনি এবং আপনার পরিবারের সব সদস্যের জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। আর আসুন, আমরা সবাই খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন করে সুস্থ থাকতে সচেষ্ট হই।

