কারওয়ানবাজার থেকে সরবেন কবে ব্যবসায়ীরা?
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৯:১০
রাজধানীর ফার্মগেট, শাহবাগসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকার যানজট কমাতে দুই যুগের বেশি সময় ধরে কারওয়ানবাজার সরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। এ জন্য আড়তও তৈরি করা হয়েছে যাত্রাবাড়ী ও আমিনবাজারে।
সরেজমিন দেখা যায়, পাঁচ একর জায়গায় রয়েছে যাত্রাবাড়ীর আড়ত। এরমধ্যে ২১ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলা তিনটি ভবনে স্থানান্তর করা হবে কারওয়ানবাজারের ১৭৬ ব্যবসায়ীকে। তবে আপত্তি তুলেছেন যাত্রাবাড়ীর ব্যবসায়ীরা।
তাদের দাবি, এসব ভবনে দোকান বরাদ্দ দেয়ার আশ্বাসে ২০০১ সালের পর ১ হাজার ২৬৫ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিন কিস্তিতে ৪ লাখ টাকা করে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। অথচ দোকান বরাদ্দে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীরা।
যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মোমিন মোল্লার দাবি, ‘আমরা এখানে যারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আছি, তাদেরও কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীদের মতো সমানভাবে পুনর্বাসিত করা হোক।’
সমিতির সাধারণ সম্পাদক সামির কবির ভূঁইয়া বলেন, ‘কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীদের জায়গা দেয়ার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় না করলে, জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
এদিকে যাত্রাবাড়ী ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয় দাবি করে সেখানে যেতে চায় না কারওয়ানবাজার আড়তদার মালিক সমিতি।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘সেখানে রাস্তায় শেড তৈরি করা, লোড-আনলোডের জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে। একটি ভবনের ছাদ নেই।’
একই অবস্থা কারওয়ানবাজারের কিচেন মার্কেট সরানোর ক্ষেত্রেও। গাবতলীতে কিচেন মার্কেট সরানোর যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের।
ডিএনসিসির আঞ্চলিক কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫) মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, ‘যাত্রাবাড়ী ও গাবতলীর দখল জায়গাগুলো খালি করতে হবে। কিছুদিনের মধ্যে সভা করে দ্রুতই এসব সমস্যার সমাধান করা হবে। যে কোনো মুহূর্তে স্থানান্তরিত হবে কারওয়ানবাজার। যাত্রাবাড়ী দিয়ে শুরু হবে স্থানান্তর প্রক্রিয়া। পরে যাবে গাবতলীতে।’
ইউডি/এআর

