দেশে থ্যালাসেমিয়া বাহক ১১ দশমিক ৪ শতাংশ
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ০৭ জুলাই, ২০২৪, আপডেট ১৬:০০
৮ হাজার ৬৮০ জনের ওপর একটি জরিপ দেখা গেছে । দেশে জাতীয়ভাবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত বাহকের সংখ্যা ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে মহিলার সংখ্যা ১১ দশমিক ২ শতাংশ এবং পুরুষের সংখ্যা ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। ১৪ থেকে ৩৫ বছর বয়সী বিবাহি ও অবিবাহিত জনগোষ্ঠির মধ্যে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়।
রবিবার (০৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর ন্যাশনাল থ্যালাসেমিয়া সার্ভে ২০২৪শের প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থ্যালাসেমিয়া বাহকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রংপুরে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে আছে রাজশাহীতে ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে আছে চিটাগাংয়ে ১১ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া ময়মনসিংহে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। খুলনা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। ঢাকা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। বরিশাল ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। সিলেটে সব চেয়ে কম ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হযেছে, দেশে হেপাটাইসিস বি আক্রান্তের সংখ্যা এক দশমিক ২ শতাংশ এবং হেপাটাইসিস সি আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান বলেন, ‘বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে বিয়ে করা দরকার। তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্মে এ রোগ কমে যাবে। এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি সার্ভে করেছে। ছোট দিয়ে আমরা বড় সার্ভে করতে পারব। কষ্ট নিবারণ করতে পারি না। আমাদের কাছে সাহায্যে চাইলে ৫ হাজার ৭ হাজার টাকা সাহায্য করি। এর চেয়ে বেশি করতে পারি না।’
পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যস্থাপনা বিভাগের সচিব বলেন, ‘থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্মূল করা সম্ভব। যদি বাহক টু বাহক বিবাহ বন্ধ করা যায়। এজন্য একটা নীতিমালা থাকা দরকার।’
স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। আমরা সরকারি বেসরকারি জেলা পর্যায়ে সব জায়গাতেই সচেতন থাকার চেষ্টা করি।’
এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা লিজেন শাহ নঈম। বক্তব্য রাখেন বিবিএসের উপমহাপরিচালক ওবায়দুল ইসলাম।
ইউডি/এআর

