বন্যার ধাক্কা পণ্য পরিবহনে
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৪, আপডেট ০১:০০
দেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় বিভিন্ন জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কের সঙ্গে তলিয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কও। কিছু জায়গায় কোমর সমান পানি হওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটছে গাড়িতেই, সারি সারি ট্রাক-কভার্ডভ্যান আটকে পড়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পণ্য পরিবহনে; প্রধান সমুদ্রবন্দর থেকে পণ্য আনা ও পাঠানো একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার গভীর রাত থেকেই এ মহাসড়ক বন্যার পানিতে ডুবতে থাকে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লার নবগ্রাম রাস্তার মাথা থেকে চৌদ্দগ্রাম বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়ক তলিয়ে যায়।
একইসময়ে ফেনীর লালপুল এলাকায় অন্তত ৫ কিলোমিটার সড়ক তলিয়ে যায়। কোথাও হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে যায়।
পোশাকখাতে গড়ে প্রতিদিন এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হয়, যার বেশিরভাগই হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। কিন্তু বন্দরনগরীর পথে মহাসড়কে বন্যার পানির কারণে পণ্য পরিবহন স্থবির হয়ে পড়েছে। দুদিন ধরে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আবার শনিবার সকাল থেকে মহাসড়কে পানি কিছুটা কমার পর যানবাহন চলাচল বাড়লে ব্যাপক জটে সড়কে থাকতেই হচ্ছে দীর্ঘ সময়।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সহসভাপতি ফজলে শামীম বলেন, শুক্রবার আমাদের তো বিপদেরই দিন ছিল। ক্ষতি তো হয়েই গেল, কী আর করা বলেন। প্রচুর কারখানার পণ্য কুমিল্লায় যেয়ে আটকে ছিল।
বন্যার পানি কারখানায় ঢুকে পড়ায় ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান বিকেএমইএ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলে শামীম এহসান।
তিনি বলেন, ফেনীতে আমার বন্ধুর রপ্তানিমুখী টাওয়েল কারখানায় পানি ঢুকে গেছে। তার মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উৎপাদন ও সংরক্ষণ সবকিছু ব্যাহত হয়ে গেছে পুরো।
ইউডি/এবি

