পণ্য সরবরাহ না করে টাকা হাতিয়ে নিতো রেলের কর্মকর্তা-ঠিকাদার চক্র
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, আপডেট ১২:৫৫
মালামাল সরবরাহ না করার পরও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করার অভিযোগে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর অনুসন্ধানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এ মামলা করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রাক্কলন ব্যয়ের ৩১ শতাংশ কমে মালামাল সরবরাহের কথা বললেও তা মালামাল সরবরাহ না করে ওই টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর দপ্তরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ফরিদ আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ রাশেদুল আমিন ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী তাপস কুমার দাস, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ট্রেড অ্যান্ড টেকনোলজির স্বত্বাধিকারী এম এ শুক্কুর। মুহাম্মদ রাশেদুল আমিন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে (বেজা) উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত।
মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, পিগ আয়রন (গ্রেড-৩) নামের এক ধরনের লোহা সরবরাহ না করে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৭ হাজার টাকা তুলে নেন ঠিকাদার। রেলওয়ের তিন কর্মকর্তার যোগসাজশে এভাবে মালামাল সরবরাহ না করে বিল তোলা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, রেলওয়ের পক্ষ থেকে ২০২১ সালের ২৩ মার্চ ১৪৬ দশমিক ৯২৭ টন পিগ আয়ন কেনার চাহিদা দেওয়া হয় প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে। তবে বাজেট স্বল্পতার কারণে ৮৫ মেট্রিক টন ক্রয় করার সিদ্ধান্ত হয়।
ইউডি/কেএস

