ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার (৪ অক্টোবর), ২০২৪, আপডেট ২০:০৫
খেলাটা ফুটবলের মতোই। খেলোয়াড়দের পায়ে ফুটবলের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট বল থাকে। ফুটবলের তুলনায় এই বল কম লাফায়। আবার ফুটবল মাঠের তুলনায় এই খেলার মাঠও বেশ ছোট। ঘাসের বদলে মাঠ হয় হার্ডকোর্টের। প্রতি দলে ৫ জন করে খেলোয়াড়। বদলি করা যায় যত খুশি তত। বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও সৃজনশীলতার জন্য এই খেলার বিশ্বব্যাপী আলাদা কদর আছে।
কোন খেলার কথা বলা হচ্ছে, তা এতক্ষণে অবশ্য বুঝে ফেলার কথা। ঠিকই ধরেছেন, ফুটসাল। কারও কারও চোখে এটি ফুটবলের ঘরোয়া সংস্করণ কিংবা অভ্যন্তরীণ ফুটবল। আর এই ফুটসালেরই বিশ্বকাপ ফাইনালে হবে ‘স্বপ্নের ম্যাচ’—ব্রাজিলের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা!
উজবেকিস্তানে গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ফিফা ফুটসাল বিশ্বকাপ। তাসখন্দে গতকাল হুমো অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালটি ছিল গত বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালের ‘রি-ম্যাচ’। ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা এবং এই ম্যাচেও জয়ী লাতিন আমেরিকার দেশটি। তবে বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালের মতো টাইব্রেকারে নয়, ফ্রান্সকে সরাসরি ৩–২ গোলে হারিয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফুটসালে একবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফুটবলের মতো ফুটসালেও ব্রাজিল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। গত পরশু ইউক্রেনকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ব্রাজিল। জয়ের ব্যবধান? ওই তো, আর্জেন্টিনার মতোই ৩–২।
আর্জেন্টিনা ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো ফুটসালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০২১ সালের ফুটসাল বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা হেরেছে পর্তুগালের কাছে। ব্রাজিল সর্বশেষ ২০১২ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফুটসাল বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছে। সেবার স্পেনকে ৩–২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। অর্থাৎ ১২ বছর পর আবারও ফুটসাল বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের সুযোগ ব্রাজিলের সামনে। কিন্তু কাজটি কি সহজ হবে? মোটেও না। টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মরিয়াই থাকবে আর্জেন্টিনা।
ইউডি/এবি

