৪৩তম বিসিএস: অবশেষে ২ হাজার ৬৪ জনের নিয়োগ
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর), ২০২৪, আপডেট ২১:০০
ফল প্রকাশের সাড়ে ১০ মাসের বেশি সময় পর সরকারি ক্যাডার কর্মকর্তা হতে যাচ্ছেন ২ হাজার ৬৪ জন; যারা ৪৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের অপেক্ষায় ছিলেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রায় চার বছর পর বিভিন্ন ক্যাডারে তাদের নিয়োগের সুপারিশ করে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ৪৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বরে, যাতে অংশ নিতে বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০ জনের জমা পড়েছিল।
কোভিড মহামারীর মধ্যে ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৫০ জন প্রার্থী অংশ নেন।
পরে ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর এই বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলে ২ হাজার ৮০৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তাদের মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য অপেক্ষমান ছিলেন ২ হাজার ১৬৩ জন।
মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৬৪ জনকে ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন করেছে; এ হিসাবে পিএসসির সুপারিশের তালিকা থেকে নেই ৯৯ জন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২০ এর মাধ্যমে সুপারিশক্রমে ২ হাজার ৬৪ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুসারে ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা বেতনক্রমে নিয়োগ দেয়া হল।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আগের সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার এই বিসিএসের চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী নিয়োগের বাকি প্রক্রিয়া শুরু করে।
গত ডিসেম্বরে ফল হলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি না করায় বিভিন্ন সময় হতাশা প্রকাশ করেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা।
ইউডি/এবি

