মূল্যস্ফীতি কমছে না, ফেব্রুয়ারিতে বাজেট সংশোধন
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২১:৩০
প্রতি বছর মার্চে বাজেট সংশোধন করলেও এবার কিছুটা আগেভাগে সেটা করতে চায় সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে বাজেট সংশোধন করবে। এক্ষেত্রে রাজস্ব বাজেট কমানো খুব একটা সম্ভব হবে না। ফলে উন্নয়ন বাজেট কমিয়ে বাজেট সংশোধন করতে হবে। এদিকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি খুব একটা কমানো যাচ্ছে না।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, সংশোধিত বাজেট সাধারণত মার্চ মাসে করা হয়। তবে আমরা আরও আগে এটা সংশোধন করতে চাই। এ জন্য কিছু প্রাক্কলন প্রয়োজন পড়বে। যেমন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে কতটা কর সংগ্রহ হচ্ছে, বৈদেশিক সাহায্য কতটা পাওয়া গেছে—এর ওপর নির্ভর করবে সহনীয় পর্যায়ে বাজেটের ঘাটতি রেখে উন্নয়ন বাজেটের আকার ঠিক করবো। আমাদের ওপর সমন্বয়ের ভারটা এসে পড়েছে—উন্নয়ন বাজেটের ওপর, অন্য জায়গাটা ঠিক রেখে। কারণ সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য এটা করতে হবে। বেশি ঘাটতি বাজেট করা যাবে না।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বহু ধরনের দাবি-দাওয়া মেটাতে গিয়ে কিছু কিছু বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয় আছে। মহার্ঘ্য ভাতা বাড়ানোর বিষয় আছে। কাজেই রাজস্ব খাতের ব্যয় কমিয়ে রাখা খুব কঠিন। সবকিছু আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে যে উন্নয়ন বাজেট কমাতে হবে। তবে উন্নয়ন বাজেটের আকার ছোট হলেই প্রবৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর সেটা কিন্তু নয়। এক বছরের বড় বিনিয়োগ থেকে থাকলেও উৎপাদন যেকোনও খাতে বাকি থাকে। আমাদের দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণ, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থানের জন্য খুব বেশি বিনিয়োগের দরকার হয় না। দরকার পড়ে এমন প্রকল্প নেওয়া যেটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। জনগণের উপকারে আসে। বাজেটের আকার কতদূর হলো তার থেকে বড় কথা হচ্ছে—প্রকল্পগুলো মানুষের কাজে আসছে কিনা।
ইউডি/এবি

