দোকানে ঢোকেন ৯ জন, সাত মিনিটে ১৫৯ ভরি স্বর্ণ চুরি

দোকানে ঢোকেন ৯ জন, সাত মিনিটে ১৫৯ ভরি স্বর্ণ চুরি

উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (০৪ জানুয়ারি), ২০২৪, আপডেট ২৩:৩০

রাজধানীর ধানমন্ডির দোকানের তালা মেরে নামাজে যান দোকানের বিক্রয়কর্মীরা। এর কিছুক্ষণের মধ্যে দোকানের সামনে আসে নয় যুবক। তাদের মধ্যে দু’জন ছাড়া সবার মুখে ছিল মাস্ক। এরপর একজন একটি চাদর দিয়ে দোকানের শাটার আঁড়াল করেন। আর এই সুযোগে চোর চক্রের দুই সদস্য চাদরের আঁড়ালে গিয়ে শাটারের তালা কাটেন। পরে একজন দোকানের ভেতরে ঢুকে। বাকি সদস্যরা পাশের দোকানের জিনিসপত্র কেনার নামে তাদের ব্যস্ত রাখলেন। ৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের মধ্যে ১৫৯ ভরি স্বর্ণ নিয়ে বেরিয়ে যান চোরচক্রের সদস্যরা।

শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার সীমান্ত স্কয়ার বিপণিবিতানের ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স স্বর্ণের দোকানে এমন দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। বিপণিবিতানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির এই দৃশ্য ধরা পড়ে। পরে এ ঘটনায় দোকানের মালিক কাজী আকাশ বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশ বলছে, দোকান ও মার্কেটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেলা ১টা ১ মিনিটের দিকে নয়জন লোক দোকানের সামনে ঘুরাফেরা করছেন। এর সাত মিনিট পর ব্যাগে ভরে স্বর্ণ নিয়ে বেরিয়ে যান। তাদের দুজন বাদে সবার মুখে মাস্ক ছিল। চুরির সঙ্গে বিপণিবিতানের ভেতরের কেউ জড়িত কি না, সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সীমান্ত স্কয়ারে স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের তিনটি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্স নিচতলায়। এর আশপাশে কাপড় ও প্রসাধনীর দোকান রয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ক্রেতা কম ছিল। ক্রেতার বেশে চোর চক্রের সদস্যরা বিপণিবিতানে ঢোকেন।

দোকানের মালিক কাজী আকাশ বলেন, দোকানের শাটারে একটি তালা মেরে জুম্মার নামাজে যায় বিক্রয়কর্মীরা। এই সুযোগে তালা কেটে ভেতরে ঢুকে দোকানে সব স্বর্ণ চুরি করে নিয়ে যায় তারা।

ঢাকার ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলীম বলেন, স্বর্ণের দোকানে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা যায়নি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ইউডি/এবি

badhan

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading