সংস্কারের আলাপ যত দীর্ঘ হবে, দেশ তত সংকটে পড়বে: তারেক রহমান
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি), ২০২৪, আপডেট ২২:৩০
‘সংস্কার সংস্কার’ বক্তব্য রেখে এ আলাপ দীর্ঘয়িত না করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, সংস্কারের আলাপ-আলোচনা দীর্ঘায়িত হলে স্বৈরাচার সুযোগ পেয়ে যাবে, আবার দেশের মানুষের কাঁধে চেপে বসবে। সংস্কারের আলাপ যত দীর্ঘ হবে, দেশ তত বেশি সংকটের মুখে পড়বে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শ্যামপুরে কদমতলী শিল্প এলাকায় ‘৩১ দফা প্রশিক্ষণবিষয়ক কর্মশালায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান। বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
সংস্কারের প্রস্তাবগুলোকে বাস্তবায়ন করতে হলে সবার আগে নির্বাচন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে যাদের জনগণ দায়িত্ব দেবে, সংস্কারের কাজ তারাই শুরু করতে পারবে। তাদের শুরু করতেই হবে। কারণ, যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে, তারা জনগণের কাছে ওয়াদা করবে যে তারা সুযোগ পেলে বাস্তবায়ন করবে এই সংস্কার। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ দিলে প্রত্যেকে যে যার অবস্থান থেকে যেই সংস্কারের ওয়াদা জনগণের সামনে দিয়েছেন, প্রত্যেকের অবস্থান থেকে সেই ওয়াদা পূরণের সর্বাচ্চ চেষ্টা করবেন।
তারেক রহমান বলেন, যেসব বিজ্ঞ ব্যক্তি যারা সংস্কারের কথা বলছেন, সবার কাছে রাজনৈতিক দলের অবস্থান থেকে আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, সংস্কার সংস্কার বক্তব্য রেখে দয়া করে এই আলাপ দীর্ঘায়িত করবেন না। কারণ, আলাপ যত দীর্ঘায়িত করবেন, দেশ তত বেশি সংকটের মুখে পড়বে, সংস্কার আলাপ যত দীর্ঘায়িত করবেন, দেশে তত ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পাবে। সংস্কারকে যত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যাবে, দেশকে, দেশের মানুষকে তত দ্রুত বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারব।
নির্বাচন হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে-এ প্রশ্ন কেউ কেউ তুলছেন উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সাথে সাথে সব সমস্যার সমাধান হবে না, কিন্তু নির্বাচন হলে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনগণের রায়ের মাধ্যমে যে দল বা যে ব্যক্তি বা যারা দেশ পরিচালনার সুযোগ পাবে, তখন সমস্যার যে জট, সমস্যার যে গিট্টু, সেগুলো আস্তে আস্তে খোলা শুরু করবে।
ইউডি/এবি

