রেকর্ডগড়া ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয়
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি), ২০২৫, আপডেট ২৩:৪০
নিজের মাতৃভূমির বিপক্ষেই এমন একটি ইনিংস খেললেন তিনি! ঘরের শত্রুই যখন বিভিষণ, তখন অস্ট্রেলিয়ার জয় আর ঠেকায় কে? গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বেন ডাকেটের রেকর্ডগড়া ইনিংসের ওপর ভর করে ৩৫১ রানের রেকর্ড সংগ্রহ পায় ইংল্যান্ড। সেই রান তাড়া করতে নেমে নিজের মাতৃভূমির বিপক্ষেই হার না মানা এক সেঞ্চুরি উপহার দেন জস ইংলিশ। তার অপরাজিত ১২০ রানের ওপর ভর করে ১৫ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় পায় অস্ট্রেলিয়া।
১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে জন্ম জশ ইংলিশের। তার ক্রিকেটের হাতেখড়ি জন্মভূমি ইংল্যান্ডেই। ইয়র্কশায়ার একাডেমিতেও তিনি ক্রিকেট খেলেছেন। সেই ইংলিশের সেঞ্চুরিতেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১২০ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তিনি।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে এদিন রেকর্ডবুকে নাম লেখান ইংলিশ ওপেনার বেন ডাকেট। ১৪৩ বলে খেলেন ১৬৫ রানের ইনিংস, যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। শুধু তাই নয়, নিজের ওডিআই ক্যারিয়ারেও এটি তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। রেকর্ড এখানেই শেষ নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডও করে ইংল্যান্ড। তবে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিশদের ৩৫১ রান চেজ করে জয় তুলে নেয় অজিরা।
বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটারকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। ৫ বলে ৬ রান করা ট্রাভিস হেডকে সাজঘরে ফেতর পাঠান জফরা আর্চার। অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে শিকার করেন মার্ক উড। ৬ বলে ৫ রান করে ডাকেটের হাতে ক্যাচ দেন এই ব্যাটার। স্কোরবোর্ডে ২৭ রান তুলতেই এই দুই ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে শর্ট এবং লাবুশেনের ব্যাটে চাপ সামাল দিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। ৪৫ বলে ৪৭ রান করে লাবুশেন আউট হলে ভাঙে তাদের ৯৫ রানের জুটি। আদিল রশিদের বলে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। এরপর ম্যাথিউ শর্টও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৬৬ বলে ৬৩ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান লিভিংস্টোন।
ইউডি/এবি

