ঈদ কেনাকাটায় কমেছে ক্রেতার অভিযোগ: ভোক্তা অধিকার
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ১২:২৫
এবারের ঈদ কেনাকাটায় অনেকটাই কমেছে ক্রেতাদের অভিযোগ। এমন দাবি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের। সংস্থাটির দাবি, জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় তদারকি দলের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতারণা বন্ধে কঠোর অবস্থানের সুফল মিলছে। যদিও প্রতারণা বন্ধে সংস্থাটিকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি ভোক্তাদের।
রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার থেকে শুরু করে শপিংমলে বাড়ে বেচাকেনা। বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে আগেভাগেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রতারক চক্র। নানা উপায়ে ভোক্তা ঠকাতে কারসাজির আশ্রয় নিয়ে থাকে তারা। দাম বাড়িয়ে মূল্য ছাড়সহ নানা অফার দেয়ার ঘটনাও ঘটে। এমন অভিজ্ঞতা থেকে এবার বিশেষভাবে মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
ক্রেতারা জানান, অন্য বারের তুলনায় এবার রমজানে ভোক্তা অধিকার বেশ সক্রিয়। তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। এ অভিযান আরও বাড়ানো উচিত।
পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, এক বছর আগের তুলনায় গত জানুয়ারিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে করা অভিযোগের সংখ্যা বাড়লেও এবার রমজানের আগের মাস গত ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ভোক্তার অভিযোগ।
সংস্থাটির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলছেন, জেলা প্রশাসকের সহায়তায় রমজান উপলক্ষে বাড়ানো হয়েছে তদারকি দলের সংখ্যা। ঈদের কেনাকাটাতেও এর সুফল পাচ্ছেন ক্রেতারা।
প্রতি জেলাতে ডিসিদের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত বিশেষ টিমের মাধ্যমে বাজার তদারকি করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ চলছে। এতে কমে এসেছে অভিযোগের পরিমাণ।
তবে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের দাবি, ভোক্তা অধিকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এতে ক্রেতা ঠকানোর সাহস পাবে না কোনো প্রতারক চক্র।
এদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংস্থাটিতে অভিযোগের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৯৬টি। প্রতি মাসে এর সংখ্যা ৩ হাজার ২৫৮টি। আর চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আট মাসে অভিযোগের সংখ্যা ২২ হাজার ৫২৫টি, প্রতি মাসে এর সংখ্যা ২ হাজার ৮১৫ টি।
ইউডি/কেএস

